এই সাইটটি ব্যবহার করে, আপনি আমাদের গোপনীয়তা নীতি এবং ব্যবহারের শর্তাবলীতে সম্মত হন।
Accept
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
পড়ছেন: গণিতের নো-ফ্লাই জোন: শূন্য দিয়ে ভাগ কেন বিপজ্জনক?
Notification আরো দেখুন
Font ResizerAa
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Font ResizerAa
  • পদার্থবিজ্ঞান
  • প্রযুক্তি
  • মহাকাশ
  • ঔষধ
  • স্বাস্থ্য
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • ভাইরাস
  • ভূতত্ত্ব
  • জেনেটিক্স
  • রসায়ন
  • গণিত
খোঁজ
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • গোপনীয়তা নীতি
  • যোগাযোগ
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
  • আর্কাইভ
Have an existing account? Sign In
Follow US
বিজ্ঞানবার্তা > সংবাদ > গণিত > গণিতের নো-ফ্লাই জোন: শূন্য দিয়ে ভাগ কেন বিপজ্জনক?
গণিত

গণিতের নো-ফ্লাই জোন: শূন্য দিয়ে ভাগ কেন বিপজ্জনক?

রামিছা আলী সালওয়া
রামিছা আলী সালওয়া
প্রকাশিত: ১০ জুলাই, ২০২৫
হালনাগাদ: 10 জুলাই, 2025
পড়তে 9 মিনিট লাগবে
শেয়ার
শূন্য দিয়ে কোনো সংখ্যা ভাগ করা যায় না, কারণ শূন্যের কোনো গুণাত্মক বিপরীত (reciprocal) নেই।Yamin Pritilata Rihu/BigganBarta
শেয়ার

গণিতের ক্ষেত্রে আমরা কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলি। তার মধ্যে একটি নিয়ম আপনি নিশ্চয়ই শুনেছেন যে, শূন্য দিয়ে ভাগ করা যাবে না। কিন্তু শূন্য দিয়ে ভাগ করতে গেলে এত ঝামেলা হয় কেন, আর চেষ্টা করলে ঠিক কী হয়?

প্রথমে চলুন ভাগ বা ডিভিশন কী জিনিস সেটা বুঝি। ধরুন, আপনি ১০ কে ২ দিয়ে ভাগ করছেন। এর মানে হলো আপনি জানতে চাচ্ছেন:

  1. “২ কে কতবার যোগ করলে ১০ হয়?” (উত্তর: ৫ বার), অথবা
  2. “২ এর সাথে কোন সংখ্যা গুণ করলে ১০ হয়?” (উত্তর: ৫)

ভাগ হলো গুণের বিপরীত প্রক্রিয়া। কোনো একটি সংখ্যাকে যদি অন্য একটি সংখ্যার সঙ্গে গুণ করা হয়, তাহলে সেই গুণফলকে আবার আগের সংখ্যায় ফেরত পেতে আমরা যে সংখ্যাটি দিয়ে ভাগ করি, তাকে বলে গুণের বিপরীত সংখ্যা বা রেসিপ্রোকাল। উদাহরণ হিসেবে ধরুন, কোনো কিছুকে ২ দিয়ে গুণ করলে সেটার পরিমাণ দ্বিগুণ হয়ে যায়। এখন যদি সেই দ্বিগুণ সংখ্যাকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে চান, তাহলে সেটাকে ২-এর গুণাত্মক বিপরীত অর্থাৎ ১ ÷ ২ বা ½ দিয়ে গুণ করতে হবে। তখন আবার আগের সংখ্যাই ফিরে আসবে।

এবার ভাবুন, আপনি শূন্য দিয়ে ভাগ করার চেষ্টা করছেন। এর মানে হলো আপনি এমন একটি সংখ্যা খুঁজছেন, যাকে শূন্য দিয়ে গুণ করলে আপনার আসল সংখ্যাটি ফিরে আসবে। কিন্তু যেকোনো সংখ্যাকে শূন্য দিয়ে গুণ করলে সবসময় শূন্যই হয়। সমস্যাটা এখানেই, শূন্যের কোনো গুণাত্মক বিপরীত নেই। এমন কোনো সংখ্যা নেই যাকে শূন্য দিয়ে গুণ করলে শূন্য ছাড়া অন্য কিছু পাওয়া যায়। শূন্যের এই মৌলিক বৈশিষ্ট্যের কারণেই সাধারণ ভাগের মতো শূন্য দিয়ে ভাগ করা যায় না।

শূন্যের ধারণাটা নিজেই গণিতের ইতিহাসের এক দারুণ যাত্রা। অ্যারিস্টটল, পিথাগোরাস, ইউক্লিডের মতো প্রাচীনকালের বড় বড় পণ্ডিতরা শূন্যের ধারণাটি সেভাবে বুঝতেই পারেননি। ‘কিছুই না’ মনে হলেও, শূন্য গণিতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং আকর্ষণীয় আবিষ্কার।

আধুনিক গণিতের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি আসে নবম শতাব্দীর শুরুতে, পারস্যের বিখ্যাত গণিতবিদ মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল-খাওয়ারিজমি-র হাত ধরে। তাকে প্রায়ই “বীজগণিতের জনক” বলা হয়, কারণ তার রচিত Al-Kitab al-Mukhtasar fi Hisab al-Jabr wal-Muqabala গ্রন্থ থেকেই “Algebra” শব্দটির উৎপত্তি।

তিনি ভারতীয় হিন্দু সংখ্যা পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে গবেষণা করেন, যেটি ছিল স্থানীয় মানভিত্তিক — অর্থাৎ, একটি সংখ্যার মান নির্ধারিত হতো সংখ্যাটির অবস্থানের ওপর (যেমন একক, দশক, শতক ইত্যাদি)। এ পদ্ধতিতে মোট ৯টি অঙ্ক ব্যবহৃত হতো এবং বড় সংখ্যাগুলো প্রকাশের জন্য ভিন্ন ভিন্ন স্থানে এই অঙ্কগুলো বসানো হতো।

এই পদ্ধতিকে আরও কার্যকর করতে ভারতীয় গণিতবিদরা যেভাবে ‘শূন্য’ সংখ্যাটিকে স্থানধারক হিসেবে ব্যবহার করতেন, খাওয়ারিজমিও সেই ধারণাকে গ্রহণ করেন এবং তার লেখার মাধ্যমে তা আরববিশ্বে পরিচিত ও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এই গোলাকার প্রতীক “০” ব্যবহারের ফলে ১ আর ১০, কিংবা ১০০-এর মতো সংখ্যার মধ্যে পার্থক্য পরিষ্কার বোঝা যেত, যা ব্যবসায়িক হিসাব-নিকাশ এবং গণনার নির্ভুলতার জন্য ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

যদিও তিনি নিজে স্থানীয় মান পদ্ধতি কিংবা শূন্যের আবিষ্কারক নন, তবে এই ধারণাগুলোর ব্যাখ্যা ও প্রসারে তার অবদান ছিল অসাধারণ। তার কাজই ইউরোপে হিন্দু-অ্যারাবিক সংখ্যা পদ্ধতির প্রবেশের অন্যতম ভিত্তি তৈরি করে দেয়।

সময়ের সাথে সাথে শূন্য শুধু একটি স্থানধারক না থেকে নিজেই একটি সংখ্যায় পরিণত হয়। সংখ্যা রেখায় ধনাত্মক ও ঋণাত্মক সংখ্যার মাঝখানে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিন্দু হিসেবে কাজ করে, যা আমাদের সম্পূর্ণ সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি তৈরি করে। শূন্য না থাকলে, একটি সংখ্যা এবং তার ঋণাত্মক প্রতিরূপ যোগ করার মতো অপারেশনগুলো অসংজ্ঞায়িত থাকত, এবং সংখ্যা সম্পর্কে আমাদের ধারণা অনেক অসম্পূর্ণ থাকত।

অনেকেই প্রশ্ন করেন, “শুধু ‘অসীম’ বললেই তো হয়, শূন্য দিয়ে ভাগ করলে উত্তর অসীম—এটাই তো বোঝাচ্ছে!” কিন্তু আসল ব্যাপারটা এতটা সহজ নয়।

চলুন একটু বুঝে নেই। আপনি যদি ১০ কে ১ দিয়ে ভাগ করেন, পাবেন ১০। ০.১ দিয়ে ভাগ করলে পাবেন ১০০। ০.০১ দিয়ে ভাগ করলে পাবেন ১০০০। এভাবে ভাগের মান ক্রমাগত বাড়তেই থাকে। অর্থাৎ, ভাজক যত ছোট হয়, ভাগফল তত বড় হয়। এই ধারাবাহিকতা দেখে মনে হতে পারে, শূন্যের কাছাকাছি গেলে উত্তর ‘অসীম’ হয়ে যাচ্ছে।

কিন্তু এখানে একটি জটিলতা আছে। যদি আপনি ১০ কে ঋণাত্মক ছোট সংখ্যাগুলো (যেমন -০.১, -০.০১) দিয়ে ভাগ করেন, তখনও ফলাফল বাড়তে থাকে, কিন্তু ঋণাত্মক দিকে। যেমন ১০ ÷ -০.১ = -১০০। তাই শূন্যের দুই দিক থেকেই (ধনাত্মক ও ঋণাত্মক) ভাগফল ‘অসীম’-এর দিকে ধাবিত হয়, কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন দিকে—একটি ধনাত্মক অসীম, আরেকটি ঋণাত্মক অসীম।

এই দ্বিমুখী প্রবণতা আমাদের সামনে একটা সমস্যার জন্ম দেয়। কারণ, শূন্য দিয়ে ভাগ করলে ঠিক কোন দিকের অসীম পাওয়া যাবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। একই গণনায় দুটি ভিন্ন উত্তর—এটা তো আর গণিতের নিয়মে চলে না! তাই সাধারণ গণিতে শূন্য দিয়ে ভাগ করাকে ‘অসংজ্ঞায়িত’ বা Undefined বলা হয়। অর্থাৎ, এই ভাগফলটা কোনো নির্দিষ্ট মান দিয়ে বোঝানো সম্ভব নয়।

গণিতের ইতিহাসে দেখা গেছে, অনেক সময় পুরনো নিয়ম ভেঙে নতুন ধারণা তৈরি করা হয়েছে, যাতে জটিল বিষয়গুলো আরও ভালোভাবে বোঝা যায়। যেমন, একসময় ঋণাত্মক সংখ্যা কিংবা ঋণাত্মক সংখ্যার বর্গমূল (যেমন, কাল্পনিক সংখ্যা ‘i’) ছিল খুবই বিভ্রান্তিকর ধারণা। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এগুলোর সঠিক সংজ্ঞা তৈরি হয়েছে, আর আজ সেগুলো আধুনিক গণিতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তাহলে প্রশ্ন আসে, আমরাও কি শূন্য দিয়ে ভাগ করাকে “অসীম” হিসেবে ধরে নিতে পারি?

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, উত্তরটা হলো না। কারণ, এমন সংজ্ঞা দিলে দ্রুতই আমরা এমন সব সমস্যায় পড়ে যাব যা গোটা গাণিতিক কাঠামোকে ভেঙে ফেলবে।

চলুন একটা উদাহরণ দিয়ে বুঝি।

ধরা যাক, ০ × ∞ = ১

অর্থাৎ, অসীম হচ্ছে শূন্যের গুণফলের বিপরীত (reciprocal)।

তাহলে,

(০ × ∞) + (০ × ∞) = ১ + ১ = ২ — এটা একদম পরিষ্কার।

কিন্তু আমরা জানি গুণফলকে গোষ্ঠীবদ্ধ করে (associative law) লিখতে পারি: ০ × (∞ + ∞)

এখন, ∞ + ∞ তো আবার ∞, তাই: ০ × ∞ = ১ — আবার ফিরে এলাম আগের জায়গায়।

এই দুটো সমীকরণ থেকে বের হয়ে আসে অদ্ভুত এক ফলাফল: ১ = ২

এটা তো একেবারেই অগ্রহণযোগ্য! যদি ১ আর ২ সমান হয়ে যায়, তাহলে গোটা সংখ্যা পদ্ধতি অর্থহীন হয়ে যাবে। আর তাই, ০ × ∞ = ১ বা এরকম কোনো সংজ্ঞা গণিতে দেওয়া যায় না।

এই কারণেই, শূন্য দিয়ে ভাগ করাকে “অসীম” বলা যতটা সহজ শোনায়, বাস্তবে তা ততটাই বিপজ্জনক। বরং এভাবে বলাই ঠিক—শূন্য দিয়ে ভাগ অসংজ্ঞায়িত (undefined), কারণ এর কোনো সঠিক মান নির্ধারণ করা সম্ভব নয় যে মান গণিতের বাকি নিয়মগুলোর সাথে সাংঘর্ষিক হবে না।

শূন্য দিয়ে ভাগ করার চেষ্টা করলে এমন সব সমস্যা তৈরি হয়, যেগুলো গাণিতিক নিয়মের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ধরুন, যদি আমরা বলি যে কোনো সংখ্যা শূন্য দিয়ে ভাগ করলে ফলাফল “অসীম” হবে, তাহলে সেই অসীমকে শূন্য দিয়ে গুণ করলে আবার মূল সংখ্যাটি ফিরে আসা উচিত, কারণ গুণ এবং ভাগ একে অপরের বিপরীত। কিন্তু বাস্তবে, শূন্য দিয়ে যত কিছুই গুণ করি না কেন, ফলাফল সবসময় শূন্যই হয়। কাজেই এমন কোনো সংখ্যা নেই যেটিকে শূন্য দিয়ে গুণ করলে শূন্য ছাড়া অন্য কিছু পাওয়া যায়। এটাই দেখায়, শূন্য দিয়ে ভাগ করার কোনো অর্থই দাঁড়ায় না।

সহজভাবে বললে, শূন্য দিয়ে ভাগ মানে হলো এমন কিছু চাওয়া, যার কোনো বাস্তব বা গাণিতিক ভিত্তি নেই। উদাহরণস্বরূপ, ৮ টুকরা পিৎজা শূন্য জন মানুষের মধ্যে ভাগ করতে চাইলে সেটা সম্ভব নয়, কারণ কেউই নেই যে সেই টুকরোগুলো পাবে! এমনকি যদি শূন্যকে শূন্য দিয়ে ভাগ করতে চান, তাহলেও সমস্যার সমাধান নেই—কারণ একে অনেকভাবে ব্যাখ্যা গেলেও নিশ্চিতভাবে বলা যায় না কোনটি সঠিক।

তবে গণিত শুধু সংখ্যা নিয়ে খেলা নয়, বরং এটা এক বিশাল কাঠামো যার ভেতরে নানা জটিল ধারণা রয়েছে। কিছু উন্নত গাণিতিক শাখা যেমন প্রজেক্টিভ জ্যামিতি বা রিম্যান স্ফিয়ার, সেখানে “অসীম” বা শূন্য নিয়ে ভিন্নভাবে চিন্তা করা হয়। যেমন রিম্যান স্ফিয়ারে, জটিল সংখ্যাগুলোকে একটি গোলকের উপর কল্পনা করা হয়, যেখানে গোলকের উপরের একটি নির্দিষ্ট বিন্দুকে অসীম হিসেবে ধরা হয়। এতে করে 1/0 = ∞-এর মতো ভাবনাগুলো কিছু নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়। তবে এই ধারণাগুলো সাধারণ গণিতের অংশ নয়; এগুলো গবেষণামূলক এবং বিশেষজ্ঞদের ব্যবহারের জায়গা।

শেষ কথা হলো, শূন্য দিয়ে ভাগ করা যায় না—এটা কোনো রকম চাপিয়ে দেয়া নিয়ম নয়, বরং গণিতের গভীর গঠনগত সত্য। শূন্য দেখতে “কিছুই না” মনে হলেও, এটি সংখ্যাতত্ত্বের এক মৌলিক স্তম্ভ। আর এই নিষেধাজ্ঞা গণিতের অন্তর্নিহিত যুক্তি এবং সামঞ্জস্য রক্ষার জন্য এক অনিবার্য সুরক্ষা।

নিয়মিত আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের নিউজলেটারে এবং ফলো করুন আমাদের টেলিগ্রাম, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার এবং ফেসবুক-এ। এছাড়াও যুক্ত হতে পারেন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে।

Creative Commons License

এই নিবন্ধটি Creative Commons Attribution-NoDerivatives 4.0 International License-এর অধীনে লাইসেন্সকৃত। পুনঃপ্রকাশের জন্য পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা দেখুুন।
প্রবন্ধটি শেয়ার করুন
Facebook Whatsapp Whatsapp লিঙ্ক কপি করুন প্রিন্ট
পূর্ববর্তী প্রবন্ধ তিনটি নতুন প্রজাতির ব্যাঙ আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা
পরবর্তী প্রবন্ধ প্রায় সব জীব কেন অক্সিজেন গ্রহণ করে?
মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সাম্প্রতিক পোস্ট
  • বলিভিয়ার বনে মিলল নতুন প্রজাতির বিড়াল
  • মানব মস্তিষ্ক দুটি আলাদা স্নায়ুতন্ত্রের সংমিশ্রণ থেকে বিকশিত হতে পারে
  • ২০০ বছরের পুরোনো নেভিয়ার-স্টোকস সমীকরণের সমাধান খুঁজে পাওয়ার দাবি ওপেনএআই-এর
  • বিড়ালের কিডনিতে ১১০ বছরের পুরোনো রহস্যের সন্ধান
  • আবিষ্কৃত হলো বায়ুমণ্ডলযুক্ত এক্সোপ্ল্যানেট, সেখানে কি প্রাণের থাকতে পারে?

বিভাগসমূহ

  • পদার্থবিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • মহাকাশ
  • রসায়ন
  • প্রকৃতি
  • প্রত্নতত্ত্ব
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান

আমাদের সম্পর্কে

বিজ্ঞানবার্তা একটি অলাভজনক বিজ্ঞান সংবাদ প্রচার মাধ্যম।
প্রয়োজনীয় লিঙ্ক
  • আমাদের সম্পর্কে
  • ম্যাগাজিন
  • বিজ্ঞানবার্তা টিম
  • পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা
  • যোগাযোগ
  • আমার বুকমার্ক
  • গোপনীয়তা নীতি
শীর্ষ বিভাগসমূহ
  • মহাকাশ
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • স্বাস্থ্য
  • প্রাণী
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জেনেটিক্স

সাবস্ক্রাইব

অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Follow US
© 2021-2026 BigganBarta, Inc.
Made with love ❤️ by Last Coin Standing Interactive.
সাবস্ক্রাইব
অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

স্প্যামবিহীন, যেকোনো সময় সাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।
ফিরে আসার জন্য স্বাগতম!

আপনার অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন

Username or Email Address
Password

Lost your password?