এই সাইটটি ব্যবহার করে, আপনি আমাদের গোপনীয়তা নীতি এবং ব্যবহারের শর্তাবলীতে সম্মত হন।
Accept
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
পড়ছেন: প্রায় সব জীব কেন অক্সিজেন গ্রহণ করে?
Notification আরো দেখুন
Font ResizerAa
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Font ResizerAa
  • পদার্থবিজ্ঞান
  • প্রযুক্তি
  • মহাকাশ
  • ঔষধ
  • স্বাস্থ্য
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • ভাইরাস
  • ভূতত্ত্ব
  • জেনেটিক্স
  • রসায়ন
  • গণিত
খোঁজ
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • গোপনীয়তা নীতি
  • যোগাযোগ
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
  • আর্কাইভ
Have an existing account? Sign In
Follow US
বিজ্ঞানবার্তা > সংবাদ > রসায়ন > প্রায় সব জীব কেন অক্সিজেন গ্রহণ করে?
রসায়ন

প্রায় সব জীব কেন অক্সিজেন গ্রহণ করে?

তানভীর রানা রাব্বি
তানভীর রানা রাব্বি
প্রকাশিত: ১১ জুলাই, ২০২৫
হালনাগাদ: 11 জুলাই, 2025
পড়তে 5 মিনিট লাগবে
শেয়ার
হ্যামস্টার মতো ছোট জীবও নিজের ছোট্ট শরীরে বয়ে বেড়াচ্ছে অক্সিজেন-নির্ভর জটিল জীবপ্রক্রিয়া। প্রতিটি শ্বাসের সঙ্গে সম্পন্ন হচ্ছে শক্তি উৎপাদনের বিস্ময়কর রসায়ন।Michel VIARD/iStock
শেয়ার

আমরা সাধারণত অক্সিজেনকে জীবনের প্রতীক হিসেবে দেখি, নির্বিঘ্নে শ্বাস নেওয়ার উপাদান, জীবনধারণের অপরিহার্য অংশ। কিন্তু অক্সিজেন আসলে রাসায়নিক ভাবে অত্যন্ত সক্রিয় (reactive) মৌল। আপনি কাঠ পোড়ানোর সময় দেখে থাকবেন যে অক্সিজেন কতটা সক্রিয়ভাবে জ্বালানি পোড়াতে সাহায্য করে। তাহলে প্রশ্ন হলো, এত জীবের জীবনধারণের জন্য কেন এই রিঅ্যাক্টিভ মৌলটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

জীবজগতে হাজার রকমের বিপাকক্রিয়া (metabolism) বা রাসায়নিক প্রক্রিয়া রয়েছে, যার মাধ্যমে জীবন টিকে থাকে। কিন্তু প্রায় সব ইউক্যারিওট (যাদের কোষে নিউক্লিয়াস থাকে) এবং বহু প্রোক্যারিওট (যাদের কোষে নিউক্লিয়াস থাকে না) অক্সিজেন ব্যবহার করে বেঁচে থাকে।

এখানে মূলত হেটারোট্রোফদের (heterotroph) কথা বলা হচ্ছে। হেটারোট্রোফ হলো এমন সব জীব যারা নিজেদের পুষ্টি ও শক্তি পায় অন্য জৈব পদার্থ খেয়ে, যেমন মানুষ। তবে সবাই এমন না—উদ্ভিদের মতো কিছু জীব নিজের জন্য প্রয়োজনীয় কার্বন নেয় বাতাসের CO₂ থেকে, যদিও শক্তির জন্য অন্য উৎস লাগে।

অক্সিজেনের রসায়ন: শক্তি তৈরির কারখানা

হেটারোট্রোফরা যখন খাবার খায়, তখন সেই জৈব পদার্থ থেকে ইলেকট্রন ছিঁড়ে নেয়। এই ইলেকট্রনগুলো মাইটোকন্ড্রিয়ার ঝিল্লির (membrane) এক এনজাইম থেকে আরেক এনজাইমে গিয়ে ছোট একটি বৈদ্যুতিক প্রবাহ তৈরি করে, যা প্রোটনগুলোকে এক পাশে ঠেলে পাঠায়। অক্সিজেন যেহেতু উচ্চ বৈদ্যুতিক আকর্ষণ ক্ষমতাসম্পন্ন (high electronegativity), তাই এই ইলেকট্রন পরিবহন শৃঙ্খলের (electron transport chain) শেষ গন্তব্য হিসেবে কাজ করে। এটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে এবং দুটি প্রোটন নিয়ে পানি তৈরি করে।

এই প্রক্রিয়ায় ঝিল্লির এক পাশে জমা হওয়া প্রোটনগুলো একটি নির্দিষ্ট প্রোটিন চ্যানেলের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়, ঠিক যেন ছোট্ট কোনো জলবিদ্যুৎ বাঁধ। এই প্রোটিন, যাকে এটিপি সিন্থেস (ATP synthase) বলা হয়, টার্বাইনের মতো ঘুরতে ঘুরতে শক্তি উৎপন্ন করে যা অ্যাডেনোসিন ট্রাইফসফেট (ATP) আকারে সঞ্চিত থাকে। কোষ এই শক্তি নিজের কাজে লাগায় অথবা শরীরের অন্য অংশে পাঠিয়ে দেয়।

বিকল্প কী ছিল?

জীব জগৎ অক্সিজেন ছাড়াও অনেক কিছু ব্যবহার করতে পারে ইলেকট্রন গ্রহণকারী হিসেবে, যেমন সালফেট, নাইট্রেট বা আয়রন। কিন্তু অক্সিজেন সবচেয়ে বেশি শক্তি দেয়।

Astrobiology জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটনের অধ্যাপক ডেভিড ক্যাটলিং ও তার গবেষণা দল উল্লেখ করেছেন, “ইলেকট্রন স্থানান্তরের সময় অক্সিজেনের হ্রাস (reduction) সবচেয়ে বেশি ফ্রি এনার্জি মুক্ত করে, ফ্লোরিন আর ক্লোরিন বাদে।”

ফ্লোরিন অক্সিজেনের চেয়েও বেশি শক্তি দিতে পারে, কিন্তু সমস্যা হলো ফ্লোরিন যখন জৈব পদার্থের সংস্পর্শে আসে, তখন সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণ ঘটে। তাই এটা জীবদেহে ব্যবহারের যোগ্য নয়। ক্লোরিনও একই রকম বিষাক্ত। ফলে অক্সিজেনের আরেকটি বড় সুবিধা হলো, অর্থাৎ এটি বিষাক্ত উপাদান তৈরি করে না। অক্সিজেন ব্যবহার করে যে বিপাকীয় প্রক্রিয়া চলে (aerobic respiration), তাতে শুধু পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড উৎপন্ন হয়, যা শরীর সহজেই সামলাতে পারে।

তবে এর বিপরীত দিকেও কথা আছে। অক্সিজেন অতিরিক্ত হয়ে গেলে কোষের ভেতরের DNA, প্রোটিনসহ বিভিন্ন জৈব উপাদান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এজন্যই আমাদের শরীর “অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট”-এর সাহায্য নেয়, যা এই ক্ষতি থেকে কোষকে রক্ষা করে।

সহজলভ্যতা: অক্সিজেনের বড় শক্তি

ফ্লোরিন বা ক্লোরিনের তুলনায় অক্সিজেন অনেক বেশি সহজলভ্য। যেহেতু উদ্ভিদ ও শৈবাল প্রতিনিয়ত ফটোসিনথেসিসের মাধ্যমে অক্সিজেন তৈরি করে, তাই এটি বাতাসে ও পানিতে প্রচুর মজুত থাকে। আর গ্যাস হিসেবে অক্সিজেন ঝিল্লির মধ্য দিয়ে সহজেই চলাচল করতে পারে, যেটা প্রাণের পক্ষে দারুণ সুবিধাজনক।

তাহলে প্রশ্ন ওঠে—বায়ুমণ্ডলের ৭৮% যেটা নাইট্রোজেন, সেটা কেন ব্যবহার করা হয় না?

অধ্যাপক ক্যনফিল্ড বলেন, “সমস্যা হলো নাইট্রোজেন একটি ত্রিবন্ধনে আবদ্ধ (triple bonded), আর এই বন্ধন ভাঙা খুবই কঠিন।” যদিও কিছু বিশেষ জীব আছে যারা প্রচুর শক্তি খরচ করে এই বন্ধন ভাঙতে পারে, এবং তা থেকেই জীব জগতে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে, কিন্তু সেটা সহজ ও স্বাভাবিক উপায় নয়।

কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান: অক্সিজেনের বিশেষত্ব

অক্সিজেনের এই অনন্য গুণের পেছনে আছে কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানের খেলা। সাধারণ অবস্থায় অক্সিজেন একই স্পিনের (same spin state) ইলেকট্রন গ্রহণ করে, ইলেকট্রন জোড়া নয়। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি উচ্চ মাত্রায় জমে থাকা সত্ত্বেও দুম করে অতি বিক্রিয়াশীল হয়ে ওঠে না, কিন্তু যখন একে একে ইলেকট্রন সরবরাহ করা হয়, তখন প্রচুর শক্তি ছাড়ে—যা আমাদের কাজে লাগে।

ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের বিবর্তনীয় জীবরসায়নের অধ্যাপক নিক লেইন বলেন, “অক্সিজেনের আসল কৌশল হলো—এটা একসাথে না, বরং ধাপে ধাপে ইলেকট্রন গ্রহণ করে, ফলে প্রচুর শক্তি ছাড়তে পারে।”

তাই অক্সিজেন?

সব বিবেচনায় অক্সিজেন যেন এক “সুইট স্পট”-এ অবস্থান করছে। এটা ক্লোরিন বা ফ্লোরিনের মতো অতিরিক্ত বিক্রিয়াশীল না, আবার নাইট্রোজেনের মতো চরম স্থিতিশীলও না। সালফেট বা নাইট্রেটের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর শক্তির উৎস। এটি সহজলভ্য, পরিবহনযোগ্য, এবং বিপাক শেষে বিষাক্ত কোনো বর্জ্যও তৈরি করে না।

সবচেয়ে বড় কথা, উদ্ভিদরা প্রতিনিয়ত আমাদের জন্য এই গ্যাসটি উৎপাদন করে চলেছে। আমরা শুধু এটাকে কাজে লাগাই, জীবনের ইঞ্জিন চালানোর জ্বালানির মতো করে।

নিয়মিত আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের নিউজলেটারে এবং ফলো করুন আমাদের টেলিগ্রাম, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার এবং ফেসবুক-এ। এছাড়াও যুক্ত হতে পারেন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে।

Creative Commons License

এই নিবন্ধটি Creative Commons Attribution-NoDerivatives 4.0 International License-এর অধীনে লাইসেন্সকৃত। পুনঃপ্রকাশের জন্য পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা দেখুুন।
প্রবন্ধটি শেয়ার করুন
Facebook Whatsapp Whatsapp লিঙ্ক কপি করুন প্রিন্ট
পূর্ববর্তী প্রবন্ধ গণিতের নো-ফ্লাই জোন: শূন্য দিয়ে ভাগ কেন বিপজ্জনক?
পরবর্তী প্রবন্ধ বিরল ভাইরাস আবিষ্কারে সহায়তা করেছে এক বিজ্ঞানীর বিড়াল
মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সাম্প্রতিক পোস্ট
  • বলিভিয়ার বনে মিলল নতুন প্রজাতির বিড়াল
  • মানব মস্তিষ্ক দুটি আলাদা স্নায়ুতন্ত্রের সংমিশ্রণ থেকে বিকশিত হতে পারে
  • ২০০ বছরের পুরোনো নেভিয়ার-স্টোকস সমীকরণের সমাধান খুঁজে পাওয়ার দাবি ওপেনএআই-এর
  • বিড়ালের কিডনিতে ১১০ বছরের পুরোনো রহস্যের সন্ধান
  • আবিষ্কৃত হলো বায়ুমণ্ডলযুক্ত এক্সোপ্ল্যানেট, সেখানে কি প্রাণের থাকতে পারে?

বিভাগসমূহ

  • পদার্থবিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • মহাকাশ
  • রসায়ন
  • প্রকৃতি
  • প্রত্নতত্ত্ব
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান

আমাদের সম্পর্কে

বিজ্ঞানবার্তা একটি অলাভজনক বিজ্ঞান সংবাদ প্রচার মাধ্যম।
প্রয়োজনীয় লিঙ্ক
  • আমাদের সম্পর্কে
  • ম্যাগাজিন
  • বিজ্ঞানবার্তা টিম
  • পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা
  • যোগাযোগ
  • আমার বুকমার্ক
  • গোপনীয়তা নীতি
শীর্ষ বিভাগসমূহ
  • মহাকাশ
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • স্বাস্থ্য
  • প্রাণী
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জেনেটিক্স

সাবস্ক্রাইব

অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Follow US
© 2021-2026 BigganBarta, Inc.
Made with love ❤️ by Last Coin Standing Interactive.
সাবস্ক্রাইব
অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

স্প্যামবিহীন, যেকোনো সময় সাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।
ফিরে আসার জন্য স্বাগতম!

আপনার অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন

Username or Email Address
Password

Lost your password?