এই সাইটটি ব্যবহার করে, আপনি আমাদের গোপনীয়তা নীতি এবং ব্যবহারের শর্তাবলীতে সম্মত হন।
Accept
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
পড়ছেন: নীল হাঙর নিজের রঙ পরিবর্তন করতে পারে!
Notification আরো দেখুন
Font ResizerAa
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Font ResizerAa
  • পদার্থবিজ্ঞান
  • প্রযুক্তি
  • মহাকাশ
  • ঔষধ
  • স্বাস্থ্য
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • ভাইরাস
  • ভূতত্ত্ব
  • জেনেটিক্স
  • রসায়ন
  • গণিত
খোঁজ
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • গোপনীয়তা নীতি
  • যোগাযোগ
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
  • আর্কাইভ
Have an existing account? Sign In
Follow US
বিজ্ঞানবার্তা > সংবাদ > প্রাণী > নীল হাঙর নিজের রঙ পরিবর্তন করতে পারে!
প্রাণী

নীল হাঙর নিজের রঙ পরিবর্তন করতে পারে!

নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, নীল হাঙরের ত্বকে থাকা বিশেষ ন্যানো-গঠন শুধু নীল রঙই তৈরি করে না, বরং ক্যামেলিয়নের মতো রঙ বদলাতেও সক্ষম। গহ্বরে থাকা গ্যানিন স্ফটিক ও মেলানিন এই রঙ নিয়ন্ত্রণে মূল ভূমিকা রাখে। এটি হাঙরের ছদ্মবেশ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

জারা জাইন্ড
জারা জাইন্ড
প্রকাশিত: ১৩ জুলাই, ২০২৫
হালনাগাদ: 13 জুলাই, 2025
পড়তে 3 মিনিট লাগবে
শেয়ার
নীল হাঙর (Blue Shark) এক ঘণ্টায় প্রায় ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত সাঁতার কাটতে পারে।Martin Prochazkacz/Shutterstock.com
শেয়ার

নীল হাঙর বা ব্লু শার্ক (Prionace glauca) তার নামের চেয়েও বেশি কিছু হতে পারে। সামুদ্রিক এই চতুর শিকারির ত্বকে গবেষণা চালিয়ে বিজ্ঞানীরা এমন কিছু ন্যানো-গঠন আবিষ্কার করেছেন যা শুধু হাঙরের চিরাচরিত নীল রঙই তৈরি করে না, বরং ক্যামেলিয়নের মতো রঙ বদলানোর ক্ষমতাও রাখতে পারে।

প্রাণীরা বিভিন্নভাবে তাদের রঙ সৃষ্টি করে। কেউ কেউ তাদের শরীরে থাকা রঞ্জক কোষ (pigmented cells) ব্যবহার করে চারপাশের আলো থেকে নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্য (wavelength) ছেঁটে ফেলে কাঙ্ক্ষিত রঙ ফুটিয়ে তোলে। আবার কেউ কেউ ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র গঠনের মাধ্যমে আলোর নির্দিষ্ট তরঙ্গ ছড়িয়ে বা প্রতিফলিত করে রঙ সৃষ্টি করে – যেমন ময়ূরের পালক।

কিন্তু খুব অল্প কিছু প্রাণী পরিবেশ অনুযায়ী নিজেদের রঙ-গঠন সামঞ্জস্য করতে পারে। তারা কীভাবে আলো শোষণ বা প্রতিফলন করে তা পরিবর্তন করতে সক্ষম।

সিটিওয়াই ইউনিভার্সিটি অব হংকং (City University of Hong Kong – CUHK)-এর গবেষকরা নতুন এক গবেষণায় দেখিয়েছেন যে নীল হাঙরও এমনই এক প্রাণী যার ত্বক পরিবেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রঙ পাল্টাতে পারে।

নামে যেমন বোঝা যায়, নীল হাঙরের পিঠ গাঢ় নীল এবং পেটের দিক তুলনামূলক হালকা রঙের হয়ে থাকে। এদের ত্বকে ক্ষুদ্র দাঁতের মতো আঁশ থাকে, যাকে বলা হয় dermal denticles। প্রতিটি আঁশের ভেতরে থাকে একটি pulp cavity, যা রঙ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ব্লু শার্কের ডার্মাল ডেন্টিক্যালস।ক্রেডিট: Dr. Viktoriia Kamska
ব্লু শার্কের ডার্মাল ডেন্টিক্যালস।
ক্রেডিট: Dr. Viktoriia Kamska

গবেষকরা ইলেকট্রন ও অপটিকাল মাইক্রোস্কোপ, স্পেকট্রোস্কোপি এবং অন্যান্য ইমেজিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই আঁশগুলো পর্যবেক্ষণ করেন। তাঁরা দেখেন, এই গহ্বরে guanine স্ফটিক থাকে যা নীল আলো প্রতিফলিত করে। এছাড়াও থাকে melanin নামক রঞ্জকের ক্ষুদ্র থলি, যা অন্যান্য রঙ শোষণ করে।

CUHK-এর মলিকিউলার বায়োলজিস্ট ভিক্টোরিয়া কামস্কা বলেন, “এই উপাদানগুলো আলাদাভাবে কোষে থাকে – যেন একদিকে আয়নাভর্তি ব্যাগ, আরেকদিকে কালো রঙ শোষণকারী ব্যাগ – কিন্তু একসঙ্গে এমনভাবে সাজানো যে তারা একসঙ্গে কাজ করে।”

গভীর পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এই গঠনের ফলে শুধু হাঙরের নীল রঙই তৈরি হয় না, বরং এই গঠন তাদের রঙ পাল্টানোর সম্ভাবনাও রাখে। Guanine স্ফটিকগুলোর স্তরের মধ্যে ব্যবধান যত সংকীর্ণ, ত্বক তত বেশি নীল দেখায়। কিন্তু যদি সেই ব্যবধান একটু বিস্তৃত হয়, তবে তা সবুজ বা হলুদ রঙও তৈরি করতে পারে।

গিরগিটির বা ক্যামেলিয়নের ক্ষেত্রেও রঙ বদলানোর পদ্ধতি গঠিত হয় guanine স্ফটিকের বিন্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে। হাঙরের ক্ষেত্রেও এটি প্রাকৃতিকভাবে তাদের ছদ্মবেশ (camouflage) ক্ষমতা বাড়াতে পারে। যেমন, যদি তারা গভীর পানিতে ডুব দেয়, তাহলে পানির চাপে স্ফটিক স্তরগুলো আরও কাছাকাছি চলে আসবে এবং ত্বক আরও গাঢ় হবে, যা গভীর পানির অন্ধকার পরিবেশের সঙ্গে মিলে যাবে।

তবে এই প্রভাব আপাতত গবেষণাগারে কেবল সিমুলেশন বা কম্পিউটার মডেলিংয়ের মাধ্যমে দেখা গেছে। গবেষকরা এখন প্রকৃত পরিবেশে, হাঙরের উপর এই প্রক্রিয়া কীভাবে কাজ করে তা অনুসন্ধান করতে চান। এর মাধ্যমে জানা যাবে, প্রকৃতি কীভাবে এত সূক্ষ্ম স্তরে (ন্যানোস্কেল) রঙ তৈরি করে।

———

বেলজিয়ামে অনুষ্ঠিত Society for Experimental Biology Annual Conference-এ গবেষণাটি উপস্থাপন করা হয়েছিল।

নিয়মিত আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের নিউজলেটারে এবং ফলো করুন আমাদের টেলিগ্রাম, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার এবং ফেসবুক-এ। এছাড়াও যুক্ত হতে পারেন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে।

Creative Commons License

এই নিবন্ধটি Creative Commons Attribution-NoDerivatives 4.0 International License-এর অধীনে লাইসেন্সকৃত। পুনঃপ্রকাশের জন্য পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা দেখুুন।
প্রবন্ধটি শেয়ার করুন
Facebook Whatsapp Whatsapp লিঙ্ক কপি করুন প্রিন্ট
পূর্ববর্তী প্রবন্ধ জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে মিলল ১১ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরের ‘কসমিক আউল’
পরবর্তী প্রবন্ধ ল্যাবে তৈরি ক্ষুদ্র অঙ্গ এখন নিজের রক্তনালীও গড়ছে
মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সাম্প্রতিক পোস্ট
  • বলিভিয়ার বনে মিলল নতুন প্রজাতির বিড়াল
  • মানব মস্তিষ্ক দুটি আলাদা স্নায়ুতন্ত্রের সংমিশ্রণ থেকে বিকশিত হতে পারে
  • ২০০ বছরের পুরোনো নেভিয়ার-স্টোকস সমীকরণের সমাধান খুঁজে পাওয়ার দাবি ওপেনএআই-এর
  • বিড়ালের কিডনিতে ১১০ বছরের পুরোনো রহস্যের সন্ধান
  • আবিষ্কৃত হলো বায়ুমণ্ডলযুক্ত এক্সোপ্ল্যানেট, সেখানে কি প্রাণের থাকতে পারে?

বিভাগসমূহ

  • পদার্থবিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • মহাকাশ
  • রসায়ন
  • প্রকৃতি
  • প্রত্নতত্ত্ব
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান

আমাদের সম্পর্কে

বিজ্ঞানবার্তা একটি অলাভজনক বিজ্ঞান সংবাদ প্রচার মাধ্যম।
প্রয়োজনীয় লিঙ্ক
  • আমাদের সম্পর্কে
  • ম্যাগাজিন
  • বিজ্ঞানবার্তা টিম
  • পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা
  • যোগাযোগ
  • আমার বুকমার্ক
  • গোপনীয়তা নীতি
শীর্ষ বিভাগসমূহ
  • মহাকাশ
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • স্বাস্থ্য
  • প্রাণী
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জেনেটিক্স

সাবস্ক্রাইব

অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Follow US
© 2021-2026 BigganBarta, Inc.
Made with love ❤️ by Last Coin Standing Interactive.
সাবস্ক্রাইব
অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

স্প্যামবিহীন, যেকোনো সময় সাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।
ফিরে আসার জন্য স্বাগতম!

আপনার অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন

Username or Email Address
Password

Lost your password?