এই সাইটটি ব্যবহার করে, আপনি আমাদের গোপনীয়তা নীতি এবং ব্যবহারের শর্তাবলীতে সম্মত হন।
Accept
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
পড়ছেন: সীসাকে সোনায় পরিণত করলেন বিজ্ঞানীরা
Notification আরো দেখুন
Font ResizerAa
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Font ResizerAa
  • পদার্থবিজ্ঞান
  • প্রযুক্তি
  • মহাকাশ
  • ঔষধ
  • স্বাস্থ্য
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • ভাইরাস
  • ভূতত্ত্ব
  • জেনেটিক্স
  • রসায়ন
  • গণিত
খোঁজ
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • গোপনীয়তা নীতি
  • যোগাযোগ
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
  • আর্কাইভ
Have an existing account? Sign In
Follow US
বিজ্ঞানবার্তা > সংবাদ > পদার্থবিজ্ঞান > সীসাকে সোনায় পরিণত করলেন বিজ্ঞানীরা
পদার্থবিজ্ঞান

সীসাকে সোনায় পরিণত করলেন বিজ্ঞানীরা

সীসার বিমের সংঘর্ষে তৈরি হয় দ্রুতগতিসম্পন্ন, স্বল্পস্থায়ী সোনার আয়ন। এই প্রক্রিয়াটি বোঝা পার্টিকেল অ্যাক্সিলারেটর পরীক্ষাগুলোকে আরও উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

জান্নাতুল মাইশা
জান্নাতুল মাইশা
প্রকাশিত: ১৭ মে, ২০২৫
হালনাগাদ: 17 মে, 2025
পড়তে 5 মিনিট লাগবে
শেয়ার
LHC-এর এক্সপেরিমেন্টে বড় সোনার নাগেট তৈরি করে না — তবে সীসা আয়নের বিমে থাকা কিছু কণা প্রায় এক মাইক্রোসেকেন্ডের জন্য সোনায় রূপান্তরিত হতে পারে।Sunny Young/Unsplash
শেয়ার

মধ্যযুগীয় আলকেমিরা স্বপ্ন দেখত সীসাকে সোনায় রূপান্তর করার। কিন্তু আজ আমরা জানি, সীসা ও সোনা দুটি ভিন্ন মৌল এবং কেমিস্ট্রির কোন কৌশলেই একটিকে অন্যটিতে রূপান্তর করা সম্ভব না।

তবে আধুনিক বিজ্ঞান আমাদের জানায়, সীসা ও সোনার পরমাণুর মূল পার্থক্য হল এর প্রোটনের সংখ্যা। সীসার পরমাণুতে সোনার তুলনায় মাত্র তিনটি প্রোটন বেশি থাকে। তাহলে কি শুধু এই তিনটি প্রোটন সরিয়েই সীসাকে সোনায় রূপান্তর করা সম্ভব? হ্যাঁ, তা সম্ভব। তবে ব্যাপারটা মোটেই সহজ নয়।

সুইজারল্যান্ডের লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে (LHC) ALICE নামক এক্সপেরিমেন্টে বিজ্ঞানীরা সীসার পরমাণুগুলোকে আল্ট্রা-হাই স্পিডে একে অপরের সাথে সংঘর্ষ করিয়ে বিগ ব্যাং-এর পরবর্তী মুহূর্তের পরিস্থিতি অনুকরণ করার চেষ্টা করেন। সেই প্রচেষ্টায় তারা দুর্ঘটনাবশত অতি সামান্য পরিমাণে সোনা তৈরি করতে সক্ষম হন। ৭ মে, ২০২৫ Physical Review C জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে গবেষক দল জানিয়েছে যে, ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে LHC-তে সংঘটিত সংঘর্ষগুলোর ফলে প্রায় ৮৬ বিলিয়ন সোনার নিউক্লিয়াস তৈরি হয়েছে। মাত্র ১ গ্রামের ২৯ ট্রিলিয়ন ভাগের এক ভাগ!

স্বর্ণের এই পরমাণুগুলো প্রায় ১ মাইক্রোসেকেন্ডের মতো সময় টিকে ছিল, তারপর কোথাও ধাক্কা খেয়ে অথবা ভেঙে গিয়ে অন্যান্য কণায় রূপান্তরিত হয়ে যায়।

কীভাবে সম্ভব?

প্রোটন থাকে পরমাণুর নিউক্লিয়াসে, এবং যেহেতু প্রোটনের বৈদ্যুতিক চার্জ রয়েছে, তাই বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র দ্বারা সেগুলোকে টানা বা ঠেলা যায়। কিন্তু নিউক্লিয়াস একত্রে বাঁধা থাকে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী বল দ্বারা, যার নাম স্ট্রং নিউক্লিয়ার ফোর্স বা সবল নিউক্লিয় বল। এই বল অতিক্রম করতে হলে বজ্রপাতের চেয়েও প্রায় দশ লক্ষ গুণ বেশি শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়োজন।

এই শক্তিশালী ক্ষেত্র তৈরি করতে বিজ্ঞানীরা সীসার নিউক্লিয়াসকে প্রায় আলোর গতিবেগে একে অপরের দিকে গুলি করে পাঠান।

যখন সীসার নিউক্লিয়াস একে অপরকে সরাসরি ধাক্কা দেয়, তখন তারা স্ট্রং ফোর্সের অধীনে একদম গুঁড়িয়ে যায়। কিন্তু অনেক সময় তারা একে অপরকে শুধু ছুঁয়ে যায়, এবং তখন কেবল ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফোর্স কাজ করে।

একটি বৈদ্যুতিক চার্জযুক্ত বস্তু থেকে দূরত্ব যত কম, বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র তত বেশি। ফলে যখন একটি সীসার নিউক্লিয়াস আরেকটির খুব কাছ দিয়ে যায়, তখন তাদের মাঝে তৈরি হয় ভয়ঙ্কর শক্তিশালী একটি ক্ষেত্র। এই পরিবর্তনশীল ক্ষেত্র নিউক্লিয়াসগুলোকে কাঁপিয়ে দেয়, এবং মাঝে মাঝে কিছু প্রোটন ছিটকে বেরিয়ে আসে। যদি ঠিক তিনটি প্রোটন ছিটকে পড়ে, তাহলে সেই সীসার নিউক্লিয়াসটি সোনায় রূপান্তরিত হয়।

সোনা যে তৈরি হয়েছে তার প্রমাণ

কিন্তু তাহলে কীভাবে বোঝা যায় যে সীসা থেকে সোনা হয়েছে? ALICE এক্সপেরিমেন্টে বিজ্ঞানীরা ব্যবহার করেন জিরো-ডিগ্রি ক্যালোরিমিটার নামের বিশেষ ডিটেক্টর, যা প্রোটন গুনে ফেলতে পারে।

তারা সরাসরি সোনার নিউক্লিয়াস দেখতে পান না, তবে প্রোটনের হিসাব থেকেই তারা বোঝেন যে সোনা তৈরি হয়েছে। গণনা অনুযায়ী, প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৮৯,০০০টি সোনার নিউক্লিয়াস তৈরি হয়। তারা থেলিয়াম (একটি প্রোটন কম) ও পারদ (দুটি প্রোটন কম) তৈরির ঘটনাও নজরে রাখেন।

যখন একটি সীসার নিউক্লিয়াস থেকে প্রোটন খসে পড়ে, তখন সেটি আর LHC-এর ভ্যাকুয়াম রিংয়ে নিখুঁতভাবে ঘুরে বেড়াতে পারে না। কয়েক মাইক্রোসেকেন্ডের মধ্যেই তা দেয়ালে ধাক্কা মারে। এর ফলে কোলাইডারের বিম ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই এই “সোনার উৎপাদন” বিজ্ঞানীদের কাছে লাভজনক নয়, বরং একটি বিরক্তির কারণ।

CERN এ থাকা ALICE ডিটেক্টর।ক্রেডিট: Maximillien Brice/CERN
CERN এ থাকা ALICE ডিটেক্টর।
ক্রেডিট: Maximillien Brice/CERN

প্রতিবারই যখন LHC-তে সীসার বীম একে অপরের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, তখন স্বর্ণ তৈরি হয়। তবে ALICE একমাত্র পরীক্ষা যেখানে এই প্রক্রিয়াটি শনাক্ত করার মতো ডিটেক্টর রয়েছে।

নিউ ইয়র্কের স্টনি ব্রুক বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানী জিয়াংইয়ং জিয়া জানান, CERN-এর আরেকটি অ্যাক্সিলারেটর SPS-এ ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত সীসা থেকে স্বর্ণে রূপান্তরের প্রমাণ দেখা গিয়েছিল। তবে এই এক্সপেরিমেন্ট বেশি শক্তিতে করায় স্বর্ণ তৈরির সম্ভাবনাও অনেক বেশি, এবং পর্যবেক্ষণগুলোও অনেক পরিষ্কার; যেটা আগে ছিলো না।

CERN-এর গবেষকরা স্বর্ণ তৈরি করে ব্যবসা শুরু করার কোনো পরিকল্পনা করছেন না, তবে তারা বলছেন, ফোটন কীভাবে নিউক্লিয়াস পরিবর্তন করতে পারে তা ভালোভাবে বোঝা গেলে LHC-এর কর্মক্ষমতা আরও উন্নত করা সম্ভব হবে।

এরকম দুর্ঘটনাজনিত আলকেমিকে বোঝা গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি বর্তমান ও ভবিষ্যতের আরও বড় ও জটিল গবেষণাগুলোর ভিত্তি গঠনে সহায়ক হবে।

———
Proton emission in ultraperipheral Pb-Pb collisions at √𝑠𝑁⁢𝑁=5.02 TeV. Phys. Rev. C (2025).
DOI: 10.1103/PhysRevC.111.054906

নিয়মিত আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের নিউজলেটারে এবং ফলো করুন আমাদের টেলিগ্রাম, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার এবং ফেসবুক-এ। এছাড়াও যুক্ত হতে পারেন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে।

Creative Commons License

এই নিবন্ধটি Creative Commons Attribution-NoDerivatives 4.0 International License-এর অধীনে লাইসেন্সকৃত। পুনঃপ্রকাশের জন্য পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা দেখুুন।
প্রবন্ধটি শেয়ার করুন
Facebook Whatsapp Whatsapp লিঙ্ক কপি করুন প্রিন্ট
পূর্ববর্তী প্রবন্ধ নাসার স্যাটেলাইট বলছে অ্যান্টার্কটিকায় বরফ বেড়েছে, কিন্তু কীভাবে সম্ভব?
পরবর্তী প্রবন্ধ হাসপাতালের জীবাণু এবার প্লাস্টিকও খাচ্ছে!
মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সাম্প্রতিক পোস্ট
  • বলিভিয়ার বনে মিলল নতুন প্রজাতির বিড়াল
  • মানব মস্তিষ্ক দুটি আলাদা স্নায়ুতন্ত্রের সংমিশ্রণ থেকে বিকশিত হতে পারে
  • ২০০ বছরের পুরোনো নেভিয়ার-স্টোকস সমীকরণের সমাধান খুঁজে পাওয়ার দাবি ওপেনএআই-এর
  • বিড়ালের কিডনিতে ১১০ বছরের পুরোনো রহস্যের সন্ধান
  • আবিষ্কৃত হলো বায়ুমণ্ডলযুক্ত এক্সোপ্ল্যানেট, সেখানে কি প্রাণের থাকতে পারে?

বিভাগসমূহ

  • পদার্থবিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • মহাকাশ
  • রসায়ন
  • প্রকৃতি
  • প্রত্নতত্ত্ব
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান

আমাদের সম্পর্কে

বিজ্ঞানবার্তা একটি অলাভজনক বিজ্ঞান সংবাদ প্রচার মাধ্যম।
প্রয়োজনীয় লিঙ্ক
  • আমাদের সম্পর্কে
  • ম্যাগাজিন
  • বিজ্ঞানবার্তা টিম
  • পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা
  • যোগাযোগ
  • আমার বুকমার্ক
  • গোপনীয়তা নীতি
শীর্ষ বিভাগসমূহ
  • মহাকাশ
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • স্বাস্থ্য
  • প্রাণী
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জেনেটিক্স

সাবস্ক্রাইব

অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Follow US
© 2021-2026 BigganBarta, Inc.
Made with love ❤️ by Last Coin Standing Interactive.
সাবস্ক্রাইব
অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

স্প্যামবিহীন, যেকোনো সময় সাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।
ফিরে আসার জন্য স্বাগতম!

আপনার অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন

Username or Email Address
Password

Lost your password?