এই সাইটটি ব্যবহার করে, আপনি আমাদের গোপনীয়তা নীতি এবং ব্যবহারের শর্তাবলীতে সম্মত হন।
Accept
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
পড়ছেন: বিলুপ্ত প্রাণীকে ফিরিয়ে আনা: এটা কি আদৌ সম্ভব? আর কেন তা করা উচিত?
Notification আরো দেখুন
Font ResizerAa
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Font ResizerAa
  • পদার্থবিজ্ঞান
  • প্রযুক্তি
  • মহাকাশ
  • ঔষধ
  • স্বাস্থ্য
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • ভাইরাস
  • ভূতত্ত্ব
  • জেনেটিক্স
  • রসায়ন
  • গণিত
খোঁজ
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • গোপনীয়তা নীতি
  • যোগাযোগ
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
  • আর্কাইভ
Have an existing account? Sign In
Follow US
বিজ্ঞানবার্তা > সংবাদ > জীবন > বিলুপ্ত প্রাণীকে ফিরিয়ে আনা: এটা কি আদৌ সম্ভব? আর কেন তা করা উচিত?
জীবন

বিলুপ্ত প্রাণীকে ফিরিয়ে আনা: এটা কি আদৌ সম্ভব? আর কেন তা করা উচিত?

তানভীর রানা রাব্বি
তানভীর রানা রাব্বি
প্রকাশিত: ১৭ জুলাই, ২০২৫
হালনাগাদ: 17 জুলাই, 2025
পড়তে 19 মিনিট লাগবে
শেয়ার
একটি বিখ্যাত 'ডি-এক্সটিংশন' প্রজেক্ট হলো উলি ম্যামথকে ফিরিয়ে আনা, ঠিক আগের মতো নয়, বরং ম্যামথ ও হাতির সংকর রূপ হিসেবে। এই প্রজেক্টটি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনবিদ জর্জ চার্চ-এর নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে (তিনি 'কলসাল বায়োসায়েন্সেস'–এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা)।Kristina Armitage/Quanta Magazine/ChatGPT
শেয়ার

ডায়ার নেকড়ে বা ‘ভয়াল নেকড়ে’ ছিল বিশালদেহী এবং অত্যন্ত বুদ্ধিমান প্রাণী, যাদের আকৃতি ছিল প্রায় ছোট একটি ঘোড়ার মতো। তারা এতটাই শক্তিশালী ছিল যে একজন মানুষের হাত ছিঁড়ে ফেলতে পারত ঠিক যেমন এক কুকুর ইঁদুর মারতে পারে। এরা বাস করত ঠান্ডা অঞ্চলগুলোতে, এক জায়গার নাম ছিল ওয়েস্টেরস… ওহ, দুঃখিত! আমি বোধহয় গেম অব থ্রোনস টিভি সিরিজের কল্পিত ডায়ার নেকড়েদের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছি।

বাস্তবে যেসব ডায়ার নেকড়ে পৃথিবীতে বাস করত, তারা আজকের সময়ের সবচেয়ে বড় ধূসর নেকড়েদের চেয়ে বড় ছিল না, তবে গড়ন ছিল আরও মজবুত, দাঁতগুলো বড় এবং তাদের পিনাস বোন (baculum) ছিল বেশ বড় আকৃতির। ধারণা করা হয়, তারা তখনকার সময়ের জায়ান্ট গ্রাউন্ড স্লথ (এখন বিলুপ্ত) এর মতো মেগাফনা প্রাণীর মাংস খেত। হাজার হাজার বছর টিকে থাকার পর, তারা আজ থেকে প্রায় ১০,০০০ বছর আগে বিলুপ্ত হয়ে যায়।

কিন্তু এবছরের এপ্রিলের প্রথম দিক থেকেই শোনা যাচ্ছে যে, তারা আবার ফিরে এসেছে। অন্তত, Colossal Biosciences নামের একটি কোম্পানি দাবি করছে যে ডায়ার নেকড়েই প্রথম প্রাণী যাকে “মৃত্যু থেকে ফিরিয়ে” আনা হয়েছে। আমরা এপ্রিল মাসে বিজ্ঞানবার্তা-য় এই নিয়ে সংবাদ এবং সমালোচনা প্রকাশও করেছি। তবে এটি একমাত্র প্রাণী নয়, যাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। ডোডো, উলি ম্যামথ, প্যাসেঞ্জার পিজন, মোয়া এবং আরও অনেক বিলুপ্ত প্রাণীর ক্ষেত্রেও একই রকম পরিকল্পনা চলছে।

কলসাল বায়োসায়েন্সেস এর তৈরি "ডায়ার উলফ" এ একটি, ১৫ দিন বয়সে।ক্রেডিট: Colossal Biosciences
কলসাল বায়োসায়েন্সেস এর তৈরি “ডায়ার উলফ” এ একটি, ১৫ দিন বয়সে।
ক্রেডিট: Colossal Biosciences

কিন্তু প্রশ্ন হলো, আদৌ কি এটি সম্ভব? বিলুপ্ত প্রজাতিকে ফিরিয়ে আনা কি বিজ্ঞানসম্মত? শুধু হারিয়ে যাওয়া প্রাণীকে সামনে থেকে দেখার রোমাঞ্চ ছাড়াও, এর পেছনে আসলে কী বৈজ্ঞানিক বা পরিবেশগত যৌক্তিকতা আছে? আর কেনই বা Colossal-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এতে বিপুল অর্থ ব্যয় করছে?

বিলুপ্ত প্রজাতিকে ফিরিয়ে আনার ইতিহাস

এক শতাব্দীরও বেশি সময় আগে থেকেই বিলুপ্ত প্রাণী ফিরিয়ে আনার ধারণা চালু আছে। ১৯২০-এর দশকে জার্মানিতে প্রথম এমনই এক চেষ্টা হয়েছিল। জার্মান প্রাণীবিদ লুৎজ হেক (Lutz Heck) এবং হাইঞ্জ হেক (Heinz Heck) বিলুপ্ত বন্য গরু Aurochs-কে আবার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন। এর জন্য তারা গৃহপালিত গরুর নির্বাচিত প্রজনন (ক্রসব্রিডিং) করা শুরু করেছিলেন, যেহেতু ধারণা ছিল গৃহপালনের ফলে গরু দুর্বল হয়ে পড়েছে। শেষমেশ যে প্রাণী তৈরি হয়, তা দেখতে Aurochs-এর মতো হলেও, তা ছিল অপেক্ষাকৃত ছোট আকারের।

১৯৮০-এর দশকে একই রকম প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল এক প্রকার সাদা-কালো ডোরাকাটা বিলুপ্ত জেব্রার উপ-প্রজাতি কোয়াগা (Quagga) ফিরিয়ে আনার জন্য। জেব্রাদের নির্বাচিত প্রজননের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছিল কোয়াগার মতো দেখতে কিছু নমুনা, যাদের পেছনের অংশে ডোরা ছিল না।

কিন্তু অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লডিও সিলেরো এ ব্যাপারে বলন, “আপনি এটাকে কোয়াগা দাবি করতে পারেন না। কারণ, নির্বাচিত প্রজননের মাধ্যমে যে প্রাণী বানানো যায়, তা দেখতে হয়তো কোয়াগার মতো, কিন্তু জেনেটিকভাবে একেবারেই আলাদা।”

তবে এখন, শুধুমাত্র নির্বাচিত প্রজননের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে না। যদি আমরা কোনো বিলুপ্ত প্রাণীর ডিএনএ খুঁজে পেয়ে তা জীবিত কোষে প্রবেশ করিয়ে ক্লোন তৈরি করতে পারি, তবে?

এ ধারণাই মানুষের কল্পনাকে প্রবলভাবে নাড়া দিয়েছিল ১৯৯৩ সালের বিখ্যাত চলচ্চিত্র জুরাসিক পার্ক-এ। যদিও বিজ্ঞানী সমাজে “de-extinction” বা বিলুপ্ত প্রজাতি পুনরুজ্জীবনের কোনো নির্ধারিত সংজ্ঞা নেই, কিন্তু অধিকাংশ মানুষের কাছে এটি মানে হলো, হারিয়ে যাওয়া প্রাণীর হুবহু কপি তৈরি করা। কিন্তু বাস্তবে কি তা সম্ভব?

IUCN বা International Union for Conservation of Nature ২০১৬ সালের একটি রিপোর্টে বলেছে, “বর্তমানে বিদ্যমান কোনো পদ্ধতি দিয়ে একটি বিলুপ্ত প্রজাতির নিখুঁত কপি তৈরি করা সম্ভব নয়, কারণ তাতে জেনেটিক, এপিজেনেটিক, আচরণগত ও শারীরবৃত্তীয় নানা ভিন্নতা থেকেই যাবে।”

ডি-এক্সটিঙ্কশন মানে আসলে কী?

কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞানী টম গিলবার্ট বলেন, “এটা আসলে সংজ্ঞার ওপর নির্ভর করে। যদি কেউ বলে যে, ডি-এক্সটিঙ্কশন মানে হলো জিনগতভাবে হুবহু বিলুপ্ত প্রাণীকে ফিরিয়ে আনা, তাহলে সেটা সম্ভবত অসম্ভবই।” কারণ, বেশিরভাগ বিলুপ্ত প্রাণীর ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ জিনোম উদ্ধার করার উপায় নেই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ডিএনএ ভেঙে পড়ে, আর ফাঁকা জায়গা থেকে যায়।

তবে কিছু ব্যতিক্রম আছে, বিশেষ করে যেসব প্রাণী সম্প্রতি বিলুপ্ত হয়েছে এবং যাদের ক্রায়োপ্রিজার্ভড (তুষার-সংরক্ষিত) কোষ এখনো আছে।

উদাহরণস্বরূপ, ২০২০ সালে মার্কিন সংস্থা Revive & Restore ১৯৮৮ সালে মৃত একটি ব্ল্যাক-ফুটেড ফেরেট-এর সংরক্ষিত কোষ ব্যবহার করে তিনটি জীবন্ত ফেরেট ক্লোন তৈরি করে। তারা সংরক্ষিত কোষ থেকে সম্পূর্ণ ডিএনএ একটি ডিম্বাণুতে প্রতিস্থাপন করে এই কাজটি করে।

Revive & Restore-এর গবেষক বেন নোভাক বলেন, “এটা হচ্ছে আসল পুনরুজ্জীবন। আমরা একটি বিপন্ন প্রজাতির হারিয়ে যাওয়া জিনভ্যারিয়েন্ট ফিরিয়ে এনেছি।”

তবে এটাকে প্রকৃত অর্থে ডি-এক্সটিঙ্কশন বলা যায় না, কারণ ব্ল্যাক-ফুটেড ফেরেট পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়নি। ২-৩ বার বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলেও এক সময় তাদের সংখ্যা মাত্র সাতটি ফেরেটে নেমে এসেছিল। সেক্ষেত্রে, একটিমাত্র অ-আত্মীয় ফেরেট ক্লোন করেও জেনেটিক বৈচিত্র্য অনেক বাড়ানো গেছে, যা এই প্রজাতিকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করেছে।

এধরনের ক্লোনিং ব্যবহার করে পুরোপুরি বিলুপ্ত কিছু প্রজাতিকেও ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হয়েছে। যেমন, বুকার্ডো নামের এক ধরনের মাউন্টেইন ছাগলের শেষটি মারা যায় ২০০০ সালে, একটি গাছের নিচে চাপা পড়ে। তার কোষ সংরক্ষণ করে ২০০৩ সালে একটি ক্লোন করা হয়। কিন্তু সেটি মাত্র ১০ মিনিট বেঁচেছিল, সম্ভবত ক্লোনিং-সম্পর্কিত স্বাস্থ্যগত জটিলতার কারণে।

এটাই ছিল প্রকৃত ডি-এক্সটিঙ্কশনের সবচেয়ে কাছাকাছি প্রচেষ্টা। তবে সেই ক্লোনটি পুরোপুরি বুকার্ডো ছিল না। এর ডিএনএ-র সামান্য অংশ ডিম্বাণু দাতার মাইটোকন্ড্রিয়া থেকে এসেছে। আর পুরুষ বুকার্ডোর অনুপস্থিতিতে Y ক্রোমোজোম ছিল না, ফলে একটি বিশুদ্ধ প্রজনন জনগোষ্ঠী গড়ে তোলা সম্ভব ছিল না।

আরও কিছু বিলুপ্ত প্রজাতির ক্রায়োপ্রিজার্ভড নমুনা আমাদের আছে। যেমন অদ্ভুত গ্যাস্ট্রিক-ব্রুডিং ব্যাঙ Rheobatrachus silus এবং Rheobatrachus vitellinus। এরা নিজেদের পেটের ভিতরে ডিম ফোটাতো। ১৯৭০-এর দশকে কুইন্সল্যান্ডে এই ব্যাঙ আবিষ্কারের কিছুদিনের মধ্যেই তারা বিলুপ্ত হয়ে যায়। তবে এখনো পর্যন্ত এদের ক্লোনিংয়ে কোনো সফলতা আসেনি।

যেসব প্রাণীর সংরক্ষিত কোষ নেই, সেক্ষেত্রে একমাত্র ভরসা হাড়, দাঁত, কিংবা পারমাফ্রোস্টে পাওয়া জমাট মাংসের ডিএনএ। যেমন, গত বছর Colossal দাবি করেছে, তারা একটি দাঁত থেকে অস্ট্রেলিয়ান কার্নিভোরাস মারসুপিয়াল থাইলাসিন (যাকে তাসমানিয়ান টাইগার-ও বলা হয়) এর প্রায় সম্পূর্ণ জিনোম সিকোয়েন্স উদ্ধার করতে পেরেছে।

আমরা এখনো সেই কম্পিউটারভিত্তিক সিকোয়েন্স থেকে জীবন্ত কোষে বাস্তব ডিএনএ তৈরি করতে পারি না, তবে ভবিষ্যতে তা সম্ভব হতে পারে।

ডাইনোসর পুনরুজ্জীবন?

সময় যত গড়ায়, ডিএনএ ততটাই ভেঙে পড়ে। ফলে কোনো প্রাণী যত আগে বিলুপ্ত হয়েছে, তার জিনগত উপাদান (DNA) ততটাই খণ্ডিত হয়ে পড়ে। এর মানে হলো, যেসব প্রাণী এক শতাব্দীরও বেশি আগে বিলুপ্ত হয়েছে, তাদের হুবহু ক্লোন তৈরি করা একেবারেই সম্ভব নয়। এদিকে বিজ্ঞানীরা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে প্রাচীন যে ডিএনএ ফ্র্যাগমেন্ট সিকোয়েন্স করতে পেরেছেন, তাও মাত্র ২০ লাখ বছর পুরোনো! সুতরাং, দুঃখিত গায়েজ, ডাইনোসরকে ফিরিয়ে আনার কোনো সম্ভাবনাই নেই।

অনেক আগেই বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া প্রাণীদের ক্ষেত্রে প্রশ্নটা শুধু এটাই নয় যে, আমরা তাদের ফিরিয়ে আনতে পারবো কিনা, বরং এটাও ভাবা দরকার যে — আমাদের আদৌ এমন চেষ্টা করা উচিত কি না। কারণ, এই প্রাণীরা যেসব পরিবেশে বাস করতো, সেসব বাস্তুতন্ত্র বহু আগেই হারিয়ে গেছে।

এইরকম নৈতিক ও বাস্তব সমস্যা ২০১৬ সালের IUCN রিপোর্ট-এ বিশদভাবে আলোচিত হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, কোনো একটি প্রাণী ফিরিয়ে আনা উচিত কেবল তখনই, যদি তা পরিবেশ সংরক্ষণে বাস্তব কোনো উপকারিতা বয়ে আনে — যেমন কোনো বাস্তুতন্ত্রে সেই প্রাণীর পূর্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকলে।

এই দৃষ্টিকোণে দেখা গেলে, ফিরিয়ে আনা প্রাণীটি হুবহু আগের মতো না হলেও চলে — যদি তা প্রায় একই ইকোলজিক্যাল কাজ করতে পারে। বিজ্ঞানী সমাজে একে বলা হয় “creating a proxy of an extinct species for conservation benefit” — অর্থাৎ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে বিলুপ্ত প্রাণীর বিকল্প তৈরি করা। অনেক জীববিজ্ঞানী যখন “de-extinction” শব্দটি ব্যবহার করেন, তখন তারা এই বিকল্প ধারণাটিই বোঝান। তবে, এটি একেবারে আলাদা বিষয় জুরাসিক পার্ক-ধাঁচের হুবহু ডাইনোসর বানানোর ধারণার তুলনায়।

ফ্রান্সের পন্ট ডি'আর্ক গুহায় অবস্থিত উলি ম্যামথের একটি মডেল।ক্রেডিট: Jean-Marc Zaorski/Gamma-Rapho/Getty Images
ফ্রান্সের পন্ট ডি’আর্ক গুহায় অবস্থিত উলি ম্যামথের একটি মডেল।
ক্রেডিট: Jean-Marc Zaorski/Gamma-Rapho/Getty Images

আসলে, অনেক ক্ষেত্রেই বর্তমানে জীবিত প্রজাতিগুলোই যথেষ্ট ভালো বিকল্প হিসেবে কাজ করতে পারে। নিউজিল্যান্ডের অটাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞানী ফিলিপ সেডন (যিনি ২০১৬ সালের IUCN রিপোর্ট তৈরিতে সহায়তা করেছিলেন) বলেন, “আমরা জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য বিকল্প খুঁজতে গেলে, আগে জীবিত প্রজাতিগুলোকেই প্রাধান্য দেওয়া উচিত।”

তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে — সংরক্ষণমূলক দৃষ্টিকোণ থেকে বিভিন্ন ডি-এক্সটিঙ্কশন প্রকল্পগুলো কি যথার্থ?

ধরা যাক, বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া একধরনের বুনো গরু Aurochs এর কথা। জার্মানির Auerrind Project-এর গবেষক ক্লাউস ক্রপ বলেন, “এমন বড় তৃণভোজী প্রাণীরা প্রকৃতিতে বিশাল প্রভাব ফেলে।

তারা যে বিপুল পরিমাণ মল ফেলে, তা বহু প্রাণী ও উদ্ভিদের মাঝে চেইন-রিঅ্যাকশন সৃষ্টি করে। এছাড়া, কাদামাটিতে তাদের খোঁড়ানো খুরের গভীর ছাপ হয়ে ওঠে ব্যাঙের মতো প্রাণীদের জন্য আবাসস্থল।”

অরোকস ফিরিয়ে আনা

১৯২০-এর দশকে গৃহপালিত গরুর প্রজননের মাধ্যমে যেসব Aurochs-সদৃশ প্রাণী বানানো হয়েছিল, তারা Aurochs-এর অর্ধেক আকৃতিরও না। তাই Auerrind Project আবার নতুনভাবে এই প্রাণী ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করছে, তবে এবার তাদের হাতে প্রাচীন Aurochs-এর আংশিক জিনোম সিকোয়েন্স আছে, যা লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়ক। একইরকম প্রকল্প চলছে নেদারল্যান্ডস-এও।

তাহলে প্রশ্ন জাগে, আধুনিক বড় গরুর জাতগুলোকেই কি এ কাজে ব্যবহার করা যায় না? ক্রপ বলেন, “আজকের বেশিরভাগ গরু সারা বছর বাইরের প্রকৃতিতে বাঁচার মতো উপযোগী নয়। তাদের মধ্যে Aurochs-এর মতো সামনে মুখ করে থাকা শিংও নেই, যা শিকারীদের হাত থেকে রক্ষা করত।”

তাঁর বক্তব্য, “আমরা এই গরু ব্যবহার করতে চাই এমন অঞ্চলে, যেখানে নেকড়ে থাকে। তাই আমরা চাই, তাদের টিকে থাকার সর্বোচ্চ সুযোগ দিতে।”

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে বিলুপ্ত প্যাসেঞ্জার পিজন পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা চলছে।ক্রেডিট: mashuk/iStock
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে বিলুপ্ত প্যাসেঞ্জার পিজন পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা চলছে।
ক্রেডিট: mashuk/iStock

Revive & Restore-এর আরও একটি পরিকল্পনা হলো, এমন একটি পাখি তৈরি করা, যার আচরণ হবে একদা বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া প্যাসেঞ্জার পিজন (passenger pigeon)-এর মতো। এজন্য তারা এর সবচেয়ে কাছের জীবিত আত্মীয় — band-tailed pigeon-কে জিনগতভাবে পরিবর্তন করে এমন আচরণ তৈরির চেষ্টা করছে।

বেন নোভাক বলেন, যেসময়ে প্যাসেঞ্জার পিজন বিলুপ্ত হয়নি, সেসময় তারা বিশাল ঝাঁকে গাছের ডালে বসবাস করত এবং নিচে জমিয়ে রাখত ইঞ্চি পরিমাণ গুয়ানো (পাখির বিষ্ঠা)। ধারণা করা হয়, এই ধরনের পরিবেশগত ব্যাঘাত বনজ পরিবেশের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল এবং জীববৈচিত্র্য বাড়াতে সহায়ক ছিল।

তিনি বলেন, “আজকের দিনে (যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলে) অনেক বন আছে বটে, কিন্তু সেই বনগুলোর গঠন সম্পূর্ণ ভিন্ন। আমরা আগামী ৪ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে উইসকনসিনে একটি বনে গুয়ানো ছড়িয়ে একটা পরীক্ষামূলক প্রকল্প শুরু করব, যেটা আমরা কয়েক বছর ধরে বিশ্লেষণ করব।”

নোভাক আরও বলেন, তাদের হিসাব অনুযায়ী প্রায় ২০০ কোটি প্যাসেঞ্জার পিজন-সদৃশ পাখি বসবাস করার মতো বনভূমি রয়েছে। যদিও এত বিশাল সংখ্যার পাখির ঝাঁক মানুষের পক্ষ থেকে গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে বিশাল কারিগরি চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে। কারণ পাখিদের ডিমের কুসুম (yolk) একটি বিশাল কোষ, যার মধ্যে ডিএনএ কোথায় আছে তা আবিষ্কার করা এখনো সম্ভব হয়নি। ফলে, Colossal-এরও এই একই সমস্যায় পড়তে হবে, তারা যেহেতু ৮ জুলাই, ২০২৫ এ ঘোষণা দিয়েছে যে নিউজিল্যান্ডের বিশালাকার, উড়তে না পারা Moa পাখি ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা নিয়েছে।

এছাড়া, band-tailed এবং passenger pigeon-এর জিনোমের মধ্যে ২৫ মিলিয়ন জেনেটিক পার্থক্য রয়েছে! তবে নোভাক আশা করেন, মূল বৈশিষ্ট্যগুলোর জন্য হয়তো শুধু কয়েক হাজার পরিবর্তনই যথেষ্ট হবে।

তারা যেটা করতে চাইছে, তা হলো band-tailed pigeon-এর জেনোমের বড় অংশগুলো পরিবর্তন করে সেখানে passenger pigeon-এর ডিএনএ ঢুকিয়ে দেওয়া। যেসব জিনগুলোর আচরণের সঙ্গে সম্পর্ক আছে বলে মনে করা হচ্ছে, সেগুলোকেই বেছে নেওয়া হবে। কিন্তু আশা করা হচ্ছে, ওই জিনের আশেপাশে থাকা অনেকগুলো উপাদানও আচরণগত গঠনে সহায়ক হবে। নোভাক বলেন “আমরা জানি না প্রতিটি মিউটেশন কী করে। তাই আমাদের ভাবনা হলো, বেশি করে ঢুকিয়ে দাও! আমরা যদি ১২টি বড় জিনের পরিবর্তন করি, যেগুলোর প্রতিটিই ১ লাখ বেস পেয়ার, তাহলে একসঙ্গে দশ হাজারেরও বেশি জিনগত পরিবর্তন হয়ে যাবে।”

এই প্রকল্প যদি সফল হয়, বৈজ্ঞানিকভাবে এটি হবে একটি সংকর প্রজাতি যা band-tailed pigeon (Patagioenas fasciata) এবং passenger pigeon (Ectopistes migratorius)-এর মিশ্রণ। তাই নোভাক প্রস্তাব দিয়েছেন নতুন এই প্রজাতির নাম হবে: Patagioenas neoectopistes অর্থাৎ, “আমেরিকার নতুন ঘুরে বেড়ানো পায়রা”।

যদিও Revive & Restore অনেক সময় বলে বসে যে তারা “passenger pigeon ফিরিয়ে আনছে”, কিন্তু Novak স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা মূল passenger pigeon ফিরিয়ে আনতে পারবো না। ওটা বিলুপ্ত হয়ে গেছে।”

ডায়ার নেকড়ে ফিরে এলো? মৃত্যু থেকে পুনর্জন্ম?

Colossal Biosciences-এর ডায়ার নেকড়ে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা তুলনামূলকভাবে অনেক কম উচ্চাকাঙ্ক্ষী। ডায়ার নেকড়ে ও ধূসর নেকড়ের (grey wolf) জিনোমের মধ্যে মিলিয়নেরও বেশি পার্থক্য রয়েছে, কিন্তু এই প্রকল্পে তারা ধূসর নেকড়ের জিনে মাত্র ২০টি ছোট পরিবর্তন এনেছে, যার মধ্যে মাত্র ১৫টি পরিবর্তনই ডায়ার নেকড়েের জিনোম থেকে নেওয়া।

এই পরিবর্তিত কোষগুলো দিয়ে ক্লোনিং করে জন্ম দেওয়া হয়েছে তিনটি জিন-সম্পাদিত ধূসর নেকড়ে।

এই ২০টি জিনগত পরিবর্তনের উদ্দেশ্য ছিল প্রাণীগুলোকে আরও বড় ও পেশীবহুল করা, তাদের লোমকে দীর্ঘ ও সাদা করে তোলা, ঠিক যেমন Game of Thrones-এর ডায়ার নেকড়েদের মতো (Colossal-এর ৭ এপ্রিল, ২০২৫ -এর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই টিভি সিরিজের নাম তিনবার উল্লেখ করা হয়েছে)।

Colossal-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বেথ শ্যাপিরো বলেন, “এই তিনটি নেকড়ে পুরোপুরি বড় না হওয়া পর্যন্ত বোঝা যাবে না, জিনগত পরিবর্তন কতটা সফল হয়েছে। আমাদের অপেক্ষা করতে হবে তাদের বয়স বাড়া পর্যন্ত, যেন প্রয়োজনীয় স্ক্যান করতে পারি।”

তবে নোভাক যেভাবে পায়রাগুলোকে “সংকর” বা হাইব্রিড হিসেবে বর্ণনা করার পরিকল্পনা করছেন, Colossal সেই পথে হাঁটছে না। বরং তারা দাবি করছে, “এই পরিবর্তনের মাধ্যমেই আমরা ডায়ার নেকড়ে ফিরিয়ে এনেছি। শুরু থেকেই আমরা ‘কার্যকর ডি-এক্সটিঙ্কশন’-এর ধারণা ব্যবহার করছি এবং Colossal সেটাই অর্জন করেছে।”

কিন্তু বাস্তবে এই তিনটি জিন-সম্পাদিত নেকড়ে না তো ডায়ার নেকড়ের সঠিক জিনগত অনুরূপ, না তারা ডায়ার নেকড়ের প্রতিনিধিত্বকারী প্রাণী।

তাদের ধূসর নেকড়ের ইকোলজিক্যাল ভূমিকার চেয়ে আলাদা কিছু করার প্রমাণও নেই। ধরে নিলাম যে তারা করতে পারতো কিন্তু সমস্যা হলো, এখন আর বাইসনের চেয়ে বড় কোনো মেগাফনা নেই, তাই তাদের জন্য কোনো প্রাকৃতিক ইকোলজিক্যাল ফাঁকও নেই। ফিরিয়ে আনার নৈতিক যৌক্তিকতাও নেই।

তদুপরি, Colossal-এর এই জিন-সম্পাদিত নেকড়েগুলিকে প্রকৃতিতে ছাড়ার কোনো পরিকল্পনাই নেই। কারণ, তারা সাধারণ ধূসর নেকড়েদের সঙ্গে প্রজনন করে জিনগতভাবে মিশে যেতে পারে যা বড় এক জেনেটিক ঝুঁকি।

IUCN-এর কানিড (কুকুর-জাতীয় প্রাণী) বিশেষজ্ঞরা এক বিবৃতিতে সোজাসাপটা বলেছে, “Colossal-এর তৈরি তিনটি প্রাণী ডায়ার নেকড়ে নয়। এমনকি তারা ডায়ার নেকড়ের বিকল্পও নয়।”

নোভাক যেভাবে পায়রার জিনোমে বড় অংশ অদলবদল করার কথা বলছেন, Colossal চাইলে সেভাবে আরও বেশি অংশ ডায়ার নেকড়ের জিন দিয়ে প্রতিস্থাপন করে ডায়ার নেকড়ের মতো দেখতে সংকর প্রাণী তৈরি করতে পারত। প্রয়োজনে আরও বেশি জিনগত পরিবর্তন এনে, ধূসর নেকড়ের চেয়ে ডায়ার নেকড়েের কাছাকাছি কিছু বানানো সম্ভব হতো।

কিন্তু যেহেতু Colossal আগে থেকেই দাবি করেছে — “আমরা ডায়ার নেকড়ে ফিরিয়ে এনেছি” তাই তারা সম্ভবত সেই দিকে আর আগাবে না।

উলি ম্যমথকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা

Colossal-এর উলি ম্যামথ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনাও অনেকটা একইরকম। তারা হাতিকে জিনগতভাবে পরিবর্তন করে একটা ম্যামথ-সদৃশ প্রাণী তৈরি করতে চায়। এখানেও যা হবে তা হলো, হাতি ও ম্যামথের একটি সংকর প্রাণী, যা বাস্তবে ম্যামথ নয় বরং ম্যামথের তুলনায় অনেক বেশি হাতির মতোই থাকবে।

আর প্রশ্ন উঠছে, আদৌ এমন প্রাণীর প্রয়োজন আছে কি?

এই ধরনের প্রকল্পের পক্ষে অনেকেই এমনটা বলেন যে, বড় তৃণভোজী প্রাণীরা আর্কটিক অঞ্চলের পারমাফ্রোস্ট গলে যাওয়া ধীর করতে সাহায্য করতে পারে। আসলে, এক ক্ষুদ্র গবেষণায় দেখা গেছে, বড় প্রাণীরা যখন তুষার চেপে সমতল করে, তখন তুষার আর ঘন কম্বলের মতো কাজ করে না, ফলে মাটির নিচটা ঠান্ডা থাকে।

কিন্তু অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রিচার্ড গ্রেনিয়ার বলছেন যে এই কাজ তো ঘোড়াও করতে পারে। “ভালো গবেষণা প্রমাণ করে, এর জন্য ম্যামথের দরকার নেই। এবং সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো পরিমাণগত স্কেল। জলবায়ু পরিবর্তনে প্রকৃত প্রভাব ফেলতে যে পরিমাণ ভূমির দরকার, তা এত বিশাল যে, কোনো সংরক্ষণ প্রকল্পে তা আগে কখনো দেখা যায়নি।”

তাহলে Colossal-এর প্রকৃত উদ্দেশ্য কী? একটি লাভজনক বেসরকারি কোম্পানি হিসেবে Colossal কেন এত প্রচেষ্টা ও অর্থ ব্যয় করছে ডি-এক্সটিঙ্কশন-এ? তারা এই বিশাল খরচের বিনিময়ে আয় করবে কীভাবে? গ্রেনিয়ার মনে করেন, ডি-এক্সটিঙ্কশন প্রকল্প থেকে সরাসরি মুনাফা করা কঠিন। তিনি মনে করেন, এই প্রকল্পগুলোর মূল লক্ষ্য আসলে বিলুপ্ত প্রাণী ফিরিয়ে আনা নয়, বরং নতুন জিন-সম্পাদনা প্রযুক্তি তৈরি ও প্রদর্শন করা এবং সেটা থেকে অর্থ উপার্জন। তাঁর বক্তব্য, “এটা কোনো সত্যিকারের ডি-এক্সটিঙ্কশন ব্যবসা নয়। তারা পুরো কোনো প্রাণীকে সত্যিকারের ‘মৃত্যু থেকে ফিরিয়ে’ আনবে না  কারণ ওটাই তো তাদের কাজ না।”

Colossal অবশ্য তাদের দাবিতে অনড়। তারা বলছে, তারা ইতিমধ্যেই সেটা করেছে।

তবে তারা তাদের ব্যবসায়িক ব্যাপার গোপন রাখেনি Colossal। বরং, তারা স্পষ্ট জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্য এই গবেষণার স্পিন-অফ প্রয়োগ থেকে লাভ করা। তাদের গবেষণায় IVF (ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন), ঔষধ আবিষ্কার, রিজেনারেটিভ মেডিসিন (আবার নতুন টিস্যু তৈরি করা), এমনকি জেনেটিক ইনহ্যান্সমেন্ট (জিনগত উন্নয়ন)-এ অগ্রগতি ঘটাতে পারে।

শ্যাপিরো বলেন, “আমাদের ১৭ সদস্যের একটি দল পুরোপুরি কৃত্রিম জরায়ু তৈরি করার কাজ করছে, যেটার বহুমুখী প্রয়োগ হতে পারে।”

একটা ব্যাপারে সব জীববিজ্ঞানীই একমত যে, Colossal নতুন জেনেটিক প্রযুক্তিতে বাস্তব অগ্রগতি অর্জন করছে।

তবে, আপনি যদি ভাবেন যে আমরা Jurassic Park-এর বাস্তব রূপ দেখতে চলেছি। তাহলে সিনেপ্লেক্সে চলমান Jurassic World Rebirth  মুভিটা এখনো সবচেয়ে ভালো অপশন! 😄

নিয়মিত আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের নিউজলেটারে এবং ফলো করুন আমাদের টেলিগ্রাম, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার এবং ফেসবুক-এ। এছাড়াও যুক্ত হতে পারেন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে।

Creative Commons License

এই নিবন্ধটি Creative Commons Attribution-NoDerivatives 4.0 International License-এর অধীনে লাইসেন্সকৃত। পুনঃপ্রকাশের জন্য পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা দেখুুন।
প্রবন্ধটি শেয়ার করুন
Facebook Whatsapp Whatsapp লিঙ্ক কপি করুন প্রিন্ট
পূর্ববর্তী প্রবন্ধ ১৬৫ বছর পুরোনো তাপ বিকিরণ সূত্র ভেঙে নতুন দিগন্তে গবেষকের সাফল্য
পরবর্তী প্রবন্ধ অপিওয়েড শনাক্তকরণে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করলো বাংলাদেশি গবেষক
মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সাম্প্রতিক পোস্ট
  • বলিভিয়ার বনে মিলল নতুন প্রজাতির বিড়াল
  • মানব মস্তিষ্ক দুটি আলাদা স্নায়ুতন্ত্রের সংমিশ্রণ থেকে বিকশিত হতে পারে
  • ২০০ বছরের পুরোনো নেভিয়ার-স্টোকস সমীকরণের সমাধান খুঁজে পাওয়ার দাবি ওপেনএআই-এর
  • বিড়ালের কিডনিতে ১১০ বছরের পুরোনো রহস্যের সন্ধান
  • আবিষ্কৃত হলো বায়ুমণ্ডলযুক্ত এক্সোপ্ল্যানেট, সেখানে কি প্রাণের থাকতে পারে?

বিভাগসমূহ

  • পদার্থবিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • মহাকাশ
  • রসায়ন
  • প্রকৃতি
  • প্রত্নতত্ত্ব
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান

আমাদের সম্পর্কে

বিজ্ঞানবার্তা একটি অলাভজনক বিজ্ঞান সংবাদ প্রচার মাধ্যম।
প্রয়োজনীয় লিঙ্ক
  • আমাদের সম্পর্কে
  • ম্যাগাজিন
  • বিজ্ঞানবার্তা টিম
  • পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা
  • যোগাযোগ
  • আমার বুকমার্ক
  • গোপনীয়তা নীতি
শীর্ষ বিভাগসমূহ
  • মহাকাশ
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • স্বাস্থ্য
  • প্রাণী
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জেনেটিক্স

সাবস্ক্রাইব

অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Follow US
© 2021-2026 BigganBarta, Inc.
Made with love ❤️ by Last Coin Standing Interactive.
সাবস্ক্রাইব
অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

স্প্যামবিহীন, যেকোনো সময় সাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।
ফিরে আসার জন্য স্বাগতম!

আপনার অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন

Username or Email Address
Password

Lost your password?