এই সাইটটি ব্যবহার করে, আপনি আমাদের গোপনীয়তা নীতি এবং ব্যবহারের শর্তাবলীতে সম্মত হন।
Accept
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
পড়ছেন: মেন্ডেলের মটরশুঁটি নিয়ে শতাব্দী পুরোনো জেনেটিক রহস্য অবশেষে সমাধান হল!
Notification আরো দেখুন
Font ResizerAa
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Font ResizerAa
  • পদার্থবিজ্ঞান
  • প্রযুক্তি
  • মহাকাশ
  • ঔষধ
  • স্বাস্থ্য
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • ভাইরাস
  • ভূতত্ত্ব
  • জেনেটিক্স
  • রসায়ন
  • গণিত
খোঁজ
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • গোপনীয়তা নীতি
  • যোগাযোগ
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
  • আর্কাইভ
Have an existing account? Sign In
Follow US
বিজ্ঞানবার্তা > সংবাদ > জেনেটিক্স > মেন্ডেলের মটরশুঁটি নিয়ে শতাব্দী পুরোনো জেনেটিক রহস্য অবশেষে সমাধান হল!
জেনেটিক্স

মেন্ডেলের মটরশুঁটি নিয়ে শতাব্দী পুরোনো জেনেটিক রহস্য অবশেষে সমাধান হল!

গ্রেগর মেন্ডেলের মটরগাছ নিয়ে করা ঐতিহাসিক গবেষণার বাকি থাকা তিনটি রহস্যজনক বৈশিষ্ট্যের জন্য দায়ী জিনগুলো অবশেষে বিজ্ঞানীরা শনাক্ত করেছেন। আধুনিক জেনোমিক প্রযুক্তি ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে শুঁটির রঙ, আকার ও ফুলের গঠনের পেছনের জিনগত কারণ উদ্ঘাটিত হয়েছে। এই গবেষণা শুধু ঐতিহাসিক ধাঁধার সমাধানই করে নি, বরং ভবিষ্যতের উদ্ভিদ প্রজনন ও প্রোটিনসমৃদ্ধ ফসল উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বারও খুলে দিয়েছে।

তাশফিয়া নুজহাত প্রজ্ঞা
তাশফিয়া নুজহাত প্রজ্ঞা
প্রকাশিত: ২৪ এপ্রিল, ২০২৫
হালনাগাদ: 24 এপ্রিল, 2025
পড়তে 5 মিনিট লাগবে
শেয়ার
গ্রেগর মেন্ডেল প্রায় ২৮,০০০ টি মটর গাছের (Pisum sativum) ক্রস-ব্রিড করেছিলেন।imageBROKER/Alamy
শেয়ার

অস্ট্রিয়ান সন্ন্যাসী গ্রেগর জোহান মেন্ডেল ১৬০ বছরেরও বেশি আগে মটরশুঁটির সাতটি বৈশিষ্ট্য (যেমন বীজ ও ফলের আকার, রঙ ইত্যাদি) মনোযোগ সহকারে পরীক্ষা করে বংশগতির উপর তাঁর যুগান্তকারী কাজ সম্পন্ন করেছিলেন। কিন্তু এতদিন পরেও বিজ্ঞানীরা এখনও মটরশুঁটির ওই সাতটি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে তিনটির জন্য সুনির্দিষ্ট কোন জিন দায়ী, তা নির্ধারণ করতে পারেননি।

২৩ এপ্রিল, ২০২৫ এ Nature জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বিজ্ঞানীরা মেনডেলের এই গুরুত্বপূর্ণ গল্পে নতুন একটি অধ্যায় যোগ করেছেন, যা হয়তো মটরশুঁটির জিনোম সংক্রান্ত গবেষণায় এক নতুন যুগের সূচনা করতে পারে।

২০১৯ সালে Pisum sativum (মটরশুঁটি) উদ্ভিদের জন্য একটি রেফারেন্স জিনোম প্রকাশ করা হয়। এটি ছিল ডিজিটালভাবে উপস্থাপিত উদ্ভিদটির ডিএনএ সিকোয়েন্স। ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটির প্ল্যান্ট জেনেটিসিস্ট ক্লেয়ার কোয়েন বলেন, “এটা ছিল একটি বিশাল অগ্রগতি। তবে আমি বলব [সাম্প্রতিক গবেষণাটি] আরও বড় সাফল্য। এটা সত্যিই একটি অসাধারণ প্রচেষ্টা।”

প্রাচীন রহস্যের সমাধানে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে সাফল্য

উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে ‘সিটিজেন সায়েন্টিস্ট’ মেন্ডেল প্রায় ২৮,০০০টি মটরশুঁটি গাছের সংকরায়ণ করে পরীক্ষা করেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মে বৈশিষ্ট্য কীভাবে উত্তরাধিকারসূত্রে যায়। সে সময় ‘জিন’ ধারণাটি তখনও আবিষ্কৃত হয়নি, তবুও মেনডেল এই সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে উদ্ভিদগুলো তাদের সন্তানদের মধ্যে কিছু ‘বংশগত উপাদান’ পাঠায় যা নির্ধারণ করে তারা কোন বৈশিষ্ট্য পাবে—যা আজকে আমরা ‘ডমিন্যান্ট’ ও ‘রিসেসিভ’ জিন বা অ্যালিল হিসেবে জানি। আজও বিজ্ঞানীরা এই মেনডেলীয় বৈশিষ্ট্য নিয়ে গবেষণা করছেন এবং হাজার হাজার এমন বৈশিষ্ট্য মানুষের মধ্যেও চিহ্নিত হয়েছে। তবে অনেক বৈশিষ্ট্য এখনও নির্দিষ্ট কোন জিনের সাথে সম্পর্কিত করা যায়নি—মেনডেলের সাতটি মটর বৈশিষ্ট্যের তিনটিও এর ব্যতিক্রম ছিল না।

গবেষণাটির গবেষক এবং যুক্তরাজ্যের নরউইচে অবস্থিত জন ইনেস সেন্টারের (JIC) ফসলজ জেনেটিসিস্ট নোয়াম চায়ুট, জানান যে এই দীর্ঘস্থায়ী রহস্য তাদের আগ্রহ জাগিয়েছিল। তিনি বলেন, “আমরা মনে করেছি জিনোম সিকোয়েন্সিং ও কম্পিউটেশনাল টুলগুলো এখন এতটাই উন্নত যে এই শেষ তিনটি জিনের রহস্য আমরা এবার বুঝতে পারব।”

JIC-এর জার্মপ্লাজম রিসোর্স ইউনিট ব্যবহার করে (যেখানে ৩,৫০০-রও বেশি মটরের জাত সংরক্ষিত রয়েছে এবং সঙ্গে পাবলিকলি অ্যাক্সেসযোগ্য জেনোমিক ডেটাসেট) তারা প্রায় ৭০০টি মটরের জিনোম সংগ্রহ করে গভীরভাবে সিকোয়েন্স করেন। এসব জিনোমে প্রায় ১৫ কোটি ৫০ লাখ ‘সিঙ্গেল নিউক্লিওটাইড পলিমরফিজম’ (SNP) পাওয়া যায়—যা হলো ডিএনএ সিকোয়েন্সের একক বেস-জোড়ার পার্থক্য, যেগুলো স্ট্যান্ডার্ড বা রেফারেন্স Pisum sativum জেনোমের সাথে তুলনা করে ধরা পড়ে।

বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে (যার মধ্যে ছিল মটরগাছের বাছাইকৃত সংকরায়ণ এবং জিনোম-ওয়াইড অ্যাসোসিয়েশন স্টাডি (GWAS), যা প্রতিটি জিনোমে SNP-এর সংখ্যা ও অবস্থানের পার্থক্য খোঁজে) গবেষক দল অবশেষে বাকি থাকা তিনটি বৈশিষ্ট্যের সাথে সংশ্লিষ্ট জিন শনাক্ত করেন। নির্দিষ্টভাবে, তারা দেখেছেন যে মটরের ফল বা শুঁটির রঙ একটি জিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় যা ক্লোরোফিল তৈরির প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে, ফলে শুঁটি হয় সবুজ বা হলুদ রঙের। তাঁরা আরও দুটি জিন চিহ্নিত করেছেন যেগুলো সম্ভবত কোষ প্রাচীর ঘন হওয়ার প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটিয়ে শুঁটির আকার নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। আর একটি নির্দিষ্ট জিনের জেনেটিক কোডে একটি অংশ মুছে গেলে গাছে ফুলের শাখা বা গুচ্ছ গঠনে পরিবর্তন আসে — যাকে বলে fasciation।

দীর্ঘ পথচলা

এই বিভিন্ন পদ্ধতি একত্র করে গবেষণার কাজ শেষ করতে সময় লেগেছে ছয় বছর। চায়ুট বলেন, “এই গবেষণার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং সুন্দর দিক হলো একসাথে কাজ করা।”

সাউথ ক্যারোলিনার ক্লেমসন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ প্রজননবিদ জেনা হার্শবার্গার বলেন, এই গবেষণা যেন তাঁর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শেখা Punnett square-এর পাঠগুলোকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে। (Punnett square হলো এমন একটি চিত্র, যা অভিভাবকদের জিনের ভিত্তিতে সন্তানের নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য পাওয়ার সম্ভাবনা পূর্বানুমান করতে ব্যবহৃত হয়।) তিনি বলেন, “গবেষকরা শুধু একটি ঐতিহাসিক রহস্যই সমাধান করেননি, বরং এমন একটি সমৃদ্ধ তথ্যভাণ্ডারও তৈরি করেছেন যা শুধু ভবিষ্যতের মটরশুঁটি নিয়ে গবেষণার জন্য নয়, বরং ব্যবহারিক প্রজননের ক্ষেত্রেও কাজে আসবে।”

এই তিনটি বৈশিষ্ট্যের সাথে জিন সংযোগ করার পাশাপাশি, দলটি আরও ৭২টি গুরুত্বপূর্ণ মটরের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করেছেন। চায়ুট বলেন, এই উন্মুক্ত ডেটাসেটে এখনও অগণিত তথ্য রয়েছে যা বিশ্লেষণ করার অপেক্ষায় আছে। মটর প্রোটিনের বাজার বর্তমানে বিকল্প প্রোটিন উৎসগুলোর মধ্যে দ্রুততম হারে বাড়ছে, আর গবেষকরা আরও ফলনশীল মটর উদ্ভিদ তৈরির উপায় জানতে চান। উদাহরণস্বরূপ, চায়ুট আগ্রহী শুঁটির আকার, গাছের উৎপাদনক্ষমতা ও বীজের প্রোটিন উপাদানের সাথে সম্পর্কিত জিন নিয়ে গবেষণায়। আর কোয়েন আগ্রহী রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধির পেছনে কাজ করা জিন শনাক্ত করতে।

চায়ুট বলেন, “একজন ফলিত বিজ্ঞানী হিসেবে আমি সবচেয়ে বেশি আগ্রহী এই গবেষণার ফলাফলগুলো ব্যবহার করে কীভাবে আমাদের ফসল উন্নত ও সংরক্ষণ করা যায়, সেটা জানার প্রতি। আর এই ডেটা দিয়ে সত্যিই অসংখ্য কাজ করা সম্ভব।”

———

Genomic and genetic insights into Mendel’s pea genes. Nature (2025).
DOI: 10.1038/s41586-025-08891-6

নিয়মিত আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের নিউজলেটারে এবং ফলো করুন আমাদের টেলিগ্রাম, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার এবং ফেসবুক-এ। এছাড়াও যুক্ত হতে পারেন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে।

Creative Commons License

এই নিবন্ধটি Creative Commons Attribution-NoDerivatives 4.0 International License-এর অধীনে লাইসেন্সকৃত। পুনঃপ্রকাশের জন্য পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা দেখুুন।
প্রবন্ধটি শেয়ার করুন
Facebook Whatsapp Whatsapp লিঙ্ক কপি করুন প্রিন্ট
পূর্ববর্তী প্রবন্ধ দূরবর্তী কোনো গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব?
পরবর্তী প্রবন্ধ নতুন প্রজাতির বিদ্যুৎ পরিবাহী ব্যাকটেরিয়ার সন্ধান
মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সাম্প্রতিক পোস্ট
  • বলিভিয়ার বনে মিলল নতুন প্রজাতির বিড়াল
  • মানব মস্তিষ্ক দুটি আলাদা স্নায়ুতন্ত্রের সংমিশ্রণ থেকে বিকশিত হতে পারে
  • ২০০ বছরের পুরোনো নেভিয়ার-স্টোকস সমীকরণের সমাধান খুঁজে পাওয়ার দাবি ওপেনএআই-এর
  • বিড়ালের কিডনিতে ১১০ বছরের পুরোনো রহস্যের সন্ধান
  • আবিষ্কৃত হলো বায়ুমণ্ডলযুক্ত এক্সোপ্ল্যানেট, সেখানে কি প্রাণের থাকতে পারে?

বিভাগসমূহ

  • পদার্থবিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • মহাকাশ
  • রসায়ন
  • প্রকৃতি
  • প্রত্নতত্ত্ব
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান

আমাদের সম্পর্কে

বিজ্ঞানবার্তা একটি অলাভজনক বিজ্ঞান সংবাদ প্রচার মাধ্যম।
প্রয়োজনীয় লিঙ্ক
  • আমাদের সম্পর্কে
  • ম্যাগাজিন
  • বিজ্ঞানবার্তা টিম
  • পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা
  • যোগাযোগ
  • আমার বুকমার্ক
  • গোপনীয়তা নীতি
শীর্ষ বিভাগসমূহ
  • মহাকাশ
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • স্বাস্থ্য
  • প্রাণী
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জেনেটিক্স

সাবস্ক্রাইব

অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Follow US
© 2021-2026 BigganBarta, Inc.
Made with love ❤️ by Last Coin Standing Interactive.
সাবস্ক্রাইব
অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

স্প্যামবিহীন, যেকোনো সময় সাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।
ফিরে আসার জন্য স্বাগতম!

আপনার অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন

Username or Email Address
Password

Lost your password?