এই সাইটটি ব্যবহার করে, আপনি আমাদের গোপনীয়তা নীতি এবং ব্যবহারের শর্তাবলীতে সম্মত হন।
Accept
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
পড়ছেন: মহাকাশে কম্পাস নিলে সেটা কোন দিকে নির্দেশ করবে?
Notification আরো দেখুন
Font ResizerAa
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Font ResizerAa
  • পদার্থবিজ্ঞান
  • প্রযুক্তি
  • মহাকাশ
  • ঔষধ
  • স্বাস্থ্য
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • ভাইরাস
  • ভূতত্ত্ব
  • জেনেটিক্স
  • রসায়ন
  • গণিত
খোঁজ
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • গোপনীয়তা নীতি
  • যোগাযোগ
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
  • আর্কাইভ
Have an existing account? Sign In
Follow US
বিজ্ঞানবার্তা > সংবাদ > পদার্থবিজ্ঞান > মহাকাশে কম্পাস নিলে সেটা কোন দিকে নির্দেশ করবে?
পদার্থবিজ্ঞান

মহাকাশে কম্পাস নিলে সেটা কোন দিকে নির্দেশ করবে?

নুজহাত সুবাহ ঐশী
নুজহাত সুবাহ ঐশী
প্রকাশিত: ২৪ নভেম্বর, ২০২৪
হালনাগাদ: 24 নভেম্বর, 2024
পড়তে 3 মিনিট লাগবে
শেয়ার
কম্পাস পৃথিবী থেকে ৩৭০,০০০ কিমি দূরেও পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রতিক্রিয়া জানাবে।alexuhrin95/Freepik
শেয়ার

কম্পাস গত ৮০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মানবজাতিকে পৃথিবীর দূরবর্তী অঞ্চলে নিরাপদে পৌঁছাতে সহায়তা করেছে। পৃথিবীতে কম্পাস একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র।

কিন্তু এখন মানুষ মহাকাশের শীতল শূন্যতায় অভিযাত্রা শুরু করেছে। এখন প্রশ্ন হলো,পৃথিবীর বাইরেও কি কম্পাস কাজ করবে? যদি করে, তাহলে কম্পাসের কাঁটা কোন দিকে নির্দেশ করবে?

মহাকাশে কম্পাস ঠিকই কাজ করবে, কিন্তু সেটা সবসময় পৃথিবীর দিকে পয়েন্ট করবে না। বরং মহাকাশের সেই স্থানে সবচেয়ে শক্তিশালী যে চৌম্বক ক্ষেত্র আছে, তার উত্তর মেরুর দিকে পয়েন্ট করবে।

পৃথিবীতে কম্পাস কাজ করে আমাদের গ্রহের চৌম্বক ক্ষেত্রের ওপর। কম্পাস নিজেও একটি চুম্বক, যার উত্তর মেরু পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের দক্ষিণ মেরুর দিকে ঘুরে থাকে। এই চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি হয় পৃথিবীর গলিত ধাতব কেন্দ্রে বিদ্যুৎ প্রবাহ থেকে, যা “জিওডাইনামো” নামে একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপন্ন হয়।

পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র সূর্যের দিকে প্রায় ৩৭,০০০ কিমি এবং এর বিপরীতে প্রায় ৩৭০,০০০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। এই চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা পরিবেষ্টিত অঞ্চলটিকে “ম্যাগনেটোস্ফিয়ার” বলা হয়।

সূর্যের চৌম্বক ক্ষেত্র এতটাই বড় যে এটা আমাদের সৌরজগতের দূরতম গ্রহ পার করেও কম্পাসে পরিমাপ করা যায়।ক্রেডিট: NASA
সূর্যের চৌম্বক ক্ষেত্র এতটাই বড় যে এটা আমাদের সৌরজগতের দূরতম গ্রহ পার করেও কম্পাসে পরিমাপ করা যায়।
ক্রেডিট: NASA

একজন নভোচারী যদি পৃথিবীতে ফিরে আসার জন্য কম্পাস ব্যবহার করতে চান, তবে তাকে সম্ভবত এই ম্যাগনেটোস্ফিয়ারের মধ্যে থাকতে হবে। তবে চৌম্বক ক্ষেত্রের কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই। ইনফ্যাক্ট, ম্যাগনেটোস্ফিয়ারের বাইরেও চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাব শনাক্ত করা সম্ভব।

চাঁদের পাথর থেকে প্রমাণ পাওয়া যায় যে একসময় চাঁদের একটি চৌম্বক ক্ষেত্র ছিল, তবে এর অভ্যন্তরীণ কেন্দ্র ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার ফলে এটি হারিয়ে যায়। একইভাবে, অন্যান্য গ্রহের চৌম্বক ক্ষেত্রও সময়ের সাথে বিলুপ্ত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, প্রায় ৩.৯ বিলিয়ন বছর আগে মঙ্গলের চৌম্বক ক্ষেত্র দুর্বল হয়ে পড়ে, যা এর বায়ুমণ্ডল হারানোর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

তবুও, চাঁদ বা মঙ্গলের মতো জায়গায় চৌম্বক ক্ষেত্র না থাকলেও, সেখানকার পাথরের মধ্যে পুরনো চৌম্বক ক্ষেত্রের চিহ্ন পাওয়া যায়। এগুলো “ক্রাস্টাল ম্যাগনেটিক ফিল্ড” নামেও পরিচিত।

সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে জুপিটার সবচেয়ে বড় চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। নাসার মতে, জুপিটারের ম্যাগনেটোস্ফিয়ার প্রায় ২১ মিলিয়ন কিমি প্রশস্ত। এটি তৈরি হয় গ্রহের ধাতব হাইড্রোজেন কোর থেকে। নাসার জুনো মহাকাশযান বর্তমানে এই গ্রহ নিয়ে গবেট করছে।

যদি একজন নভোচারী কোনো গ্রহের ম্যাগনেটোস্ফিয়ারের বাইরে অবস্থান কর, তবে তার কম্পাস সূর্যের চৌম্বক ক্ষেত্রের দিকে পয়েন্ট করেে। সূর্যের চৌম্বক ক্ষেত্র “হেলিওস্ফিয়ার” নামে পরিচিত।

আসলে মহাকাশে প্রচলিত কম্পাস ঠিকঠাক কাজ করে না। এজন্য “থ্রিডি কম্পাস” নামে কিছু আধুনিক যন্ত্র রয়েছে। কিন্তু এগুলিও পৃথিবীর দিকে নয়, বরং নিকটতম চৌম্বক ক্ষেত্রের দিকে নির্দেশ করবে।

একটি গ্রহের অভ্যন্তরে কী ঘটছে তা বোঝার জন্য চৌম্বক ক্ষেত্র পরিমাপ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তো এসবের জন্য তাহলে কী ব্যবহার করা হয়? ম্যাগনেটোমিটার। নাসা এই যন্ত্রের মাধ্যমে প্লাজমা ইন্টারঅ্যাকশন এবং কয়েক বিলিয়ন বছর আগে বিলুপ্ত হওয়া প্রাচীন চৌম্বক ক্ষেত্রের চিহ্ন পরীক্ষা করে।

নিয়মিত আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের নিউজলেটারে এবং ফলো করুন আমাদের টেলিগ্রাম, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার এবং ফেসবুক-এ। এছাড়াও যুক্ত হতে পারেন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে।

Creative Commons License

এই নিবন্ধটি Creative Commons Attribution-NoDerivatives 4.0 International License-এর অধীনে লাইসেন্সকৃত। পুনঃপ্রকাশের জন্য পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা দেখুুন।
প্রবন্ধটি শেয়ার করুন
Facebook Whatsapp Whatsapp লিঙ্ক কপি করুন প্রিন্ট
পূর্ববর্তী প্রবন্ধ কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে মিথেন তৈরির এক নতুন পদ্ধতি
পরবর্তী প্রবন্ধ জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করলেন সবচেয়ে দূরবর্তী ব্লেজার
মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সাম্প্রতিক পোস্ট
  • বলিভিয়ার বনে মিলল নতুন প্রজাতির বিড়াল
  • মানব মস্তিষ্ক দুটি আলাদা স্নায়ুতন্ত্রের সংমিশ্রণ থেকে বিকশিত হতে পারে
  • ২০০ বছরের পুরোনো নেভিয়ার-স্টোকস সমীকরণের সমাধান খুঁজে পাওয়ার দাবি ওপেনএআই-এর
  • বিড়ালের কিডনিতে ১১০ বছরের পুরোনো রহস্যের সন্ধান
  • আবিষ্কৃত হলো বায়ুমণ্ডলযুক্ত এক্সোপ্ল্যানেট, সেখানে কি প্রাণের থাকতে পারে?

বিভাগসমূহ

  • পদার্থবিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • মহাকাশ
  • রসায়ন
  • প্রকৃতি
  • প্রত্নতত্ত্ব
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান

আমাদের সম্পর্কে

বিজ্ঞানবার্তা একটি অলাভজনক বিজ্ঞান সংবাদ প্রচার মাধ্যম।
প্রয়োজনীয় লিঙ্ক
  • আমাদের সম্পর্কে
  • ম্যাগাজিন
  • বিজ্ঞানবার্তা টিম
  • পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা
  • যোগাযোগ
  • আমার বুকমার্ক
  • গোপনীয়তা নীতি
শীর্ষ বিভাগসমূহ
  • মহাকাশ
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • স্বাস্থ্য
  • প্রাণী
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জেনেটিক্স

সাবস্ক্রাইব

অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Follow US
© 2021-2026 BigganBarta, Inc.
Made with love ❤️ by Last Coin Standing Interactive.
সাবস্ক্রাইব
অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

স্প্যামবিহীন, যেকোনো সময় সাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।
ফিরে আসার জন্য স্বাগতম!

আপনার অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন

Username or Email Address
Password

Lost your password?