এই সাইটটি ব্যবহার করে, আপনি আমাদের গোপনীয়তা নীতি এবং ব্যবহারের শর্তাবলীতে সম্মত হন।
Accept
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
পড়ছেন: বিজ্ঞান কথা: লেপটন
Notification আরো দেখুন
Font ResizerAa
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Font ResizerAa
  • পদার্থবিজ্ঞান
  • প্রযুক্তি
  • মহাকাশ
  • ঔষধ
  • স্বাস্থ্য
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • ভাইরাস
  • ভূতত্ত্ব
  • জেনেটিক্স
  • রসায়ন
  • গণিত
খোঁজ
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • গোপনীয়তা নীতি
  • যোগাযোগ
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
  • আর্কাইভ
Have an existing account? Sign In
Follow US
বিজ্ঞানবার্তা > সংবাদ > পদার্থবিজ্ঞান > বিজ্ঞান কথা: লেপটন
পদার্থবিজ্ঞানবিজ্ঞান কথা

বিজ্ঞান কথা: লেপটন

সুমাইয়া আক্তার রিয়া
সুমাইয়া আক্তার রিয়া
প্রকাশিত: ২৯ জুলাই, ২০২৫
হালনাগাদ: 29 জুলাই, 2025
পড়তে 5 মিনিট লাগবে
শেয়ার
ATLAS ডিটেক্টরটি লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারের একটি অংশ, যা সুইজারল্যান্ড ও ফ্রান্সের সীমানায় অবস্থিত একটি পদার্থবিজ্ঞান গবেষণাগারে স্থাপন করা আছে। এই ডিটেক্টরটি লেপ্টন ও অন্যান্য মৌলিক কণার খোঁজ করে।Kim Steele/Getty Images
শেয়ার

লেপটন হলো এক ধরনের মৌলিক কণা।

একটি কণাকে তখনই মৌলিক ধরা হয়, যখন বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন যে সেটি আর কোনো ছোট কণার সমন্বয়ে গঠিত নয়। লেপটন ছাড়াও অন্যান্য মৌলিক কণার মধ্যে কোয়ার্ক ও বোজোন রয়েছে।

লেপটনের ছয়টি ধরন বা “ফ্লেভার” আছে (হ্যাঁ, পদার্থবিজ্ঞানীরা সত্যিই এই শব্দটাই ব্যবহার করেন!)। এদের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত হলো ইলেকট্রন। অন্য দুটি হলো মিউওন ও টাওওন। বাকি তিনটি হলো নিউট্রিনোর ফ্লেভার: ইলেকট্রন নিউট্রিনো, মিউওন নিউট্রিনো এবং টাও নিউট্রিনো। এদের ভাবা যেতে পারে তিন প্রধান লেপটনের ‘নিউট্রিনো সংস্করণ’ হিসেবে।

দুইটি বৈশিষ্ট্য লেপটনদের অন্য মৌলিক কণা (যেমন কোয়ার্ক বা বোসোন) থেকে আলাদা করে তোলে।

প্রথমটি হলো স্ট্রং ফোর্স বা শক্তিশালী পারমাণবিক বল। এটি প্রকৃতির চারটি মৌলিক বল (gravitational, electromagnetic, strong, weak)-এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী, যদিও এটি খুব ছোট দূরত্বে কাজ করে। এই বলই পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকা প্রোটন ও নিউট্রনকে একসাথে আটকে রাখে। আরও গভীরে গেলে, কোয়ার্ক নামক ক্ষুদ্র কণাগুলো এই স্ট্রং ফোর্সে বাঁধা অবস্থায় থাকে, যার মাধ্যমে গঠিত হয় প্রোটন ও নিউট্রনের মতো হ্যাড্রন কণা।

কিন্তু লেপটনদের ক্ষেত্রে বিষয়টি একেবারেই ভিন্ন। লেপটনরা এই স্ট্রং ফোর্সের প্রভাব অনুভব করে না। এর মানে, তারা কোয়ার্কদের মতো স্ট্রং ফোর্স দ্বারা একত্র হয়ে জটিল গঠন তৈরি করতে পারে না। ফলে, তারা কখনো হ্যাড্রনের মতো শক্তভাবে বাঁধা কণারূপে পরিণত হয় না।

যদি কোনো পরিস্থিতিতে লেপটনরা একসাথে জটিল গঠন তৈরি করে, তবে সেটি হবে স্ট্রং ফোর্সের বদলে অন্য কোনো মৌলিক বলের কারণে।

দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো স্পিন। “স্পিন” হলো সাবঅ্যাটমিক কণাগুলোর একটি গভীর ও রহস্যময় কোয়ান্টাম বৈশিষ্ট্য। যদিও নামটি শুনে ঘূর্ণনের ধারণা আসতে পারে, তবে বাস্তবিক অর্থে এটি ক্লাসিকাল ঘূর্ণনের মতো কিছু নয়। বরং একটি অন্তর্নিহিত কোয়ান্টাম সংখ্যা, যা কণার আচরণ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে।

সব লেপটনেরই একরকম স্পিন থাকে যাকে ½ (half-integer spin) বলা হয়। এই স্পিন সংখ্যা তাদেরকে স্ট্যান্ডার্ড মডেলে ফার্মিয়ন (fermion) শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত করে। এই শ্রেণির কণাগুলো পাউলি এক্সক্লুশন প্রিন্সিপল বা পাউলির বর্জন নীতি (একই কোয়ান্টাম অবস্থানে একাধিক ফার্মিয়ন থাকতে পারে না) মানে। ফার্মিয়নকে ভর বহনকারী কণাও বলা হয়।

এদিকে কোয়ার্কের স্পিনও অর্ধ-পূর্ণসংখ্যা, ফলে সেগুলোও ফার্মিয়ন। কিন্তু বোজোন নামক অন্য এক শ্রেণির মৌলিক কণার স্পিন পূর্ণসংখ্যা (যেমন 0, 1, 2)। তারা একে অপরের সঙ্গে একই কোয়ান্টাম অবস্থান ভাগ করে নিতে পারে, এটাই তাদের মৌলিক পার্থক্য।

স্পিন শুধু শ্রেণীবিন্যাসেই সীমাবদ্ধ নয় — এটি নির্ধারণ করে একটি কণা কীভাবে পদার্থ ও চৌম্বক ক্ষেত্রের সঙ্গে ক্রিয়া দেখাবে। উদাহরণস্বরূপ, ইলেকট্রনের স্পিনই ইলেকট্রনের চৌম্বক ধর্ম (magnetic moment) নির্ধারণ করে, যার ফলেই কাজ করে এমআরআই মেশিনের মতো প্রযুক্তি।

এই দুটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য ছাড়াও, লেপটনের ছয়টি ফ্লেভারের মধ্যে রয়েছে চোখে পড়ার মতো পার্থক্য। কেউ কেউ তুলনামূলকভাবে হালকা, আবার কেউ কেউ অত্যন্ত ভারী। উদাহরণস্বরূপ, একটি মাত্র টাও কণা একটি ইলেকট্রনের তুলনায় ৩,০০০ গুণ বেশি ভারী! অথচ এই কণাটিও ইলেকট্রনের মতোই এক ধরনের লেপটন।

এছাড়াও, লেপটনের মধ্যে বৈদ্যুতিক চার্জ থাকা বা না থাকার ভিত্তিতেও বড় পার্থক্য দেখা যায়। ইলেকট্রন, মিউওন এবং টাও, এই তিনটি লেপটনেরই ঋণাত্মক বৈদ্যুতিক চার্জ রয়েছে। অন্যদিকে, তিন ধরণের নিউট্রিনোই সম্পূর্ণভাবে বৈদ্যুতিকভাবে নিরপেক্ষ।

এই চার্জহীনতা নিউট্রিনোদের জন্য এক বিশিষ্ট সুবিধা এনে দেয়। তারা সহজেই যে কোনো পদার্থের মধ্য দিয়ে প্রায় বাধাহীনভাবে চলে যেতে পারে। আমাদের শরীর, মাটি, এমনকি গোটা পৃথিবীর মধ্যে দিয়ে তারা প্রায় বিনা বাধায় অতিক্রম করতে পারে। প্রতিনিয়ত কোটি কোটি নিউট্রিনো আমাদের দেহের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, অথচ আমরা কিছুই টের পাচ্ছি না।

নিউট্রিনোদের এই “অদৃশ্য উপস্থিতি” এবং চরম ক্ষীণ ক্রিয়াশীলতা তাদেরকে বিজ্ঞানের অন্যতম রহস্যময় কণায় পরিণত করেছে। এই কারণে নিউট্রিনো শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন এবং জটিল। কিন্তু উচ্চ-শক্তির এই লেপটনদের ধরতে পারলে মহাবিশ্বের বহু অজানা তথ্য উন্মোচিত হতে পারে।

আশার কথা হলো, বিজ্ঞানীরা এখন বনভূমি, বরফময় অঞ্চল, এমনকি সমুদ্রের গভীরে নিউট্রিনো শনাক্ত করার যন্ত্রপাতি বসাচ্ছেন। তারা বিশ্বাস করেন, এসব প্রাকৃতিক পরিবেশ ব্যবহার করে নিউট্রিনোর দুর্লভ উপস্থিতি ধরা সম্ভব হবে। কারণ যখন নিউট্রিনো কোনো পারমাণবিক কণার সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, তখন তা থেকে জন্ম নিতে পারে একটি ছোট্ট আলো বা তরঙ্গ আর বিজ্ঞানীরা ঠিক সেগুলোরই খোঁজ করছেন।

——

বিজ্ঞান কথা-র সম্পূর্ণ তালিকা দেখুন

নিয়মিত আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের নিউজলেটারে এবং ফলো করুন আমাদের টেলিগ্রাম, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার এবং ফেসবুক-এ। এছাড়াও যুক্ত হতে পারেন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে।

Creative Commons License

এই নিবন্ধটি Creative Commons Attribution-NoDerivatives 4.0 International License-এর অধীনে লাইসেন্সকৃত। পুনঃপ্রকাশের জন্য পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা দেখুুন।
প্রবন্ধটি শেয়ার করুন
Facebook Whatsapp Whatsapp লিঙ্ক কপি করুন প্রিন্ট
পূর্ববর্তী প্রবন্ধ বাংলাদেশের সোনালী মুরগির মাংসে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু!
পরবর্তী প্রবন্ধ চোখে দেখলেই সাড়া দেয় মস্তিষ্ক, প্রস্তুত হয় রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা
মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সাম্প্রতিক পোস্ট
  • বলিভিয়ার বনে মিলল নতুন প্রজাতির বিড়াল
  • মানব মস্তিষ্ক দুটি আলাদা স্নায়ুতন্ত্রের সংমিশ্রণ থেকে বিকশিত হতে পারে
  • ২০০ বছরের পুরোনো নেভিয়ার-স্টোকস সমীকরণের সমাধান খুঁজে পাওয়ার দাবি ওপেনএআই-এর
  • বিড়ালের কিডনিতে ১১০ বছরের পুরোনো রহস্যের সন্ধান
  • আবিষ্কৃত হলো বায়ুমণ্ডলযুক্ত এক্সোপ্ল্যানেট, সেখানে কি প্রাণের থাকতে পারে?

বিভাগসমূহ

  • পদার্থবিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • মহাকাশ
  • রসায়ন
  • প্রকৃতি
  • প্রত্নতত্ত্ব
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান

আমাদের সম্পর্কে

বিজ্ঞানবার্তা একটি অলাভজনক বিজ্ঞান সংবাদ প্রচার মাধ্যম।
প্রয়োজনীয় লিঙ্ক
  • আমাদের সম্পর্কে
  • ম্যাগাজিন
  • বিজ্ঞানবার্তা টিম
  • পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা
  • যোগাযোগ
  • আমার বুকমার্ক
  • গোপনীয়তা নীতি
শীর্ষ বিভাগসমূহ
  • মহাকাশ
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • স্বাস্থ্য
  • প্রাণী
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জেনেটিক্স

সাবস্ক্রাইব

অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Follow US
© 2021-2026 BigganBarta, Inc.
Made with love ❤️ by Last Coin Standing Interactive.
সাবস্ক্রাইব
অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

স্প্যামবিহীন, যেকোনো সময় সাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।
ফিরে আসার জন্য স্বাগতম!

আপনার অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন

Username or Email Address
Password

Lost your password?