এই সাইটটি ব্যবহার করে, আপনি আমাদের গোপনীয়তা নীতি এবং ব্যবহারের শর্তাবলীতে সম্মত হন।
Accept
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
পড়ছেন: মায়া সভ্যতার দেয়ালে পাওয়া গণিতের সূত্র উন্মোচন করল এক বিস্মৃত গণিতবিদের পরিচয়
Notification আরো দেখুন
Font ResizerAa
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Font ResizerAa
  • পদার্থবিজ্ঞান
  • প্রযুক্তি
  • মহাকাশ
  • ঔষধ
  • স্বাস্থ্য
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • ভাইরাস
  • ভূতত্ত্ব
  • জেনেটিক্স
  • রসায়ন
  • গণিত
খোঁজ
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • গোপনীয়তা নীতি
  • যোগাযোগ
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
  • আর্কাইভ
Have an existing account? Sign In
Follow US
বিজ্ঞানবার্তা > সংবাদ > প্রত্নতত্ত্ব > মায়া সভ্যতার দেয়ালে পাওয়া গণিতের সূত্র উন্মোচন করল এক বিস্মৃত গণিতবিদের পরিচয়
প্রত্নতত্ত্ব

মায়া সভ্যতার দেয়ালে পাওয়া গণিতের সূত্র উন্মোচন করল এক বিস্মৃত গণিতবিদের পরিচয়

নতুন এক গবেষণা প্রথমবারের মতো একজন মায়া গণিতবিদের পরিচয়ও সামনে এনেছে। একই সঙ্গে এটি প্রমাণ করেছে, প্রায় ১,৩০০ বছর আগে মায়া সভ্যতায় এমন উচ্চমানের গাণিতিক চিন্তাভাবনা ছিল, যা বিশ্বের প্রাচীনতম এবং শ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক ঐতিহ্যগুলোর সঙ্গে তুলনা করার মতো।

সাদিয়া ইসলাম বর্ষা
সাদিয়া ইসলাম বর্ষা
প্রকাশিত: ১৫ জুলাই, ২০২৬
হালনাগাদ: 15 জুলাই, 2026
পড়তে 6 মিনিট লাগবে
শেয়ার
গুয়াতেমালার তিকাল মায়া মন্দিরটি সুলতুন থেকে প্রায় একদিনের হাঁটা পথের দূরত্বে অবস্থিত, যেখানে গবেষকরা দেয়ালে অঙ্কিত গাণিতিক সূত্র আবিষ্কার করেছেন।Kryssia Campos/Getty Images
শেয়ার

গুয়াতেমালার প্রাচীন মায়া নগরী জুলতুন (Xultun)-এর একটি দেয়ালে খোদাই করা গণিতের সূত্র প্রথমবারের মতো এক গুরুত্বপূর্ণ মায়া গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানীর নাম প্রকাশ করেছে। গবেষকদের মতে, “সাক তাহন ওয়াক্স” (Sak Tahn Waax), যার অর্থ “সাদা বুকের শিয়াল” (White-Chested Fox), ছিলেন এমন একজন বিদ্বান, যাঁর গণিত ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের দক্ষতা ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ গণিতবিদদের সঙ্গে তুলনা করার মতো।

১৪ জুলাই, ২০২৬ Antiquity জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় নিউইয়র্কের স্কিডমোর কলেজের প্রত্নতত্ত্ববিদ হিদার হার্স্ট (Heather Hurst) এবং তাঁর সহকর্মীরা জুলতুনের একটি কক্ষ থেকে পাওয়া একটি গাণিতিক লেখার বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছেন। এই কক্ষটি প্রথম ২০১১ সালে খনন করা হয়েছিল।

কক্ষটির দেয়ালে মানুষের ছবি এবং মায়া হায়ারোগ্লিফিক লিপি আঁকা রয়েছে। এসব লেখার মধ্যে জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ক্যালেন্ডারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি নানা গাণিতিক হিসাবও রয়েছে। মায়ারা এসব ক্যালেন্ডার ব্যবহার করত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সময় নির্ধারণে, যেমন নতুন রাজার অভিষেক কবে হবে।

হার্স্ট ও তাঁর সহকর্মীদের মতে, খ্রিস্টীয় অষ্টম শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে এই কক্ষটি সম্ভবত লিপিকারদের কর্মশালা ছিল। এখানেই তারা হাতে লেখা মায়া পাণ্ডুলিপি বা কোডেক্স (Codex) তৈরি করতেন।

গবেষকেরা বিশেষভাবে “টেক্সট ১৯” (Text 19) নামে পরিচিত একগুচ্ছ হায়ারোগ্লিফ বিশ্লেষণ করেছেন। হার্স্ট বলেন, এই লেখায় এমনভাবে একাধিক ক্যালেন্ডার পদ্ধতির পারস্পরিক সম্পর্ক দেখানো হয়েছে, যা আগে কোনো মায়া লেখায় দেখা যায়নি।

তিনি বলেন, “আমার মনে হয় এটা ছিল নিজের গণিত দক্ষতা দেখানোর এক দারুণ উদাহরণ। কেউ যেন বলছে, ‘আমি এমন এক অসাধারণ গাণিতিক বিন্যাস খুঁজে পেয়েছি, যা লিখে রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ।’ এক কথায়, যেন নিজের প্রতিভার ঘোষণা।”

ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া ডর্নসাইফের প্রত্নতত্ত্ববিদ এরিক হেলার (Eric Heller) বলেন, “এই আবিষ্কার প্রমাণ করে, মায়ারা অত্যন্ত মেধাবী, সৃজনশীল এবং জ্ঞানপিপাসু মানুষ ছিল। তারা শেখাত, শিখত এবং অনেক সময় কোনো ব্যবহারিক প্রয়োজন ছাড়াই শুধুমাত্র জ্ঞানের আনন্দের জন্যও গণিত নিয়ে কাজ করত।”

উন্মোচিত হলো এক গণিতবিদের পরিচয়

টেক্সট ১৯ হলো ইংরেজি “L” অক্ষরের মতো আকৃতির ১১টি হায়ারোগ্লিফের একটি ছোট টিম, যার মোট উচ্চতা প্রায় ১০ সেন্টিমিটার। গবেষকেরা দেখেছেন, প্রথম ৯টি হায়ারোগ্লিফে মায়া ক্যালেন্ডার এবং জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক চক্রের তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে।

এই সূত্রটি দেখায়, কীভাবে ২,৯২০ দিনের একটি চক্রকে মায়াদের ব্যবহৃত বিভিন্ন ক্যালেন্ডার এককে ভাগ করা যায়।

২,৯২০ দিনের এই চক্রটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ এটি দুটি গুরুত্বপূর্ণ জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক চক্রকে একত্রে যুক্ত করে। এটি একদিকে শুক্র গ্রহের পাঁচটি পূর্ণ চক্রের (প্রতিটি ৫৮৪ দিন) সমান, অন্যদিকে সূর্যের আটটি বছরের (প্রতিটি ৩৬৫ দিন) সমান।

কিন্তু টেক্সট ১৯ এখানেই থেমে যায়নি। একই ২,৯২০ দিনকে মায়াদের আরও কয়েকটি সময় এককের সঙ্গেও সম্পর্কিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে উইনাল (Uinal), যেখানে একটি মাস ২০ দিনের; তজলকিন (Tzolkin), ২৬০ দিনের পবিত্র ধর্মীয় ক্যালেন্ডার; তুন (Tun), যা ৩৬০ দিনের একটি বছর; এবং মঙ্গল গ্রহের ৭৮০ দিনের বছর।

হার্স্ট বলেন, “এটা একেবারে খাঁটি গণিতপ্রেমীদের মতো হিসাব।”

তিনি আরও জানান, লেখাগুলো পড়া কঠিন ছিল, কারণ সেখানে সম্পূর্ণ তারিখ লেখা হয়নি। বরং সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা হয়েছে। “তারা এমনভাবে লিখেছে, যেখানে একটি চিহ্নের প্রথম অংশ লেখা হয়েছে, আর পরের অংশটি পাঠকের বোঝার ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।”

এত দিন পর্যন্ত এই ধরনের জটিল গাণিতিক হিসাবের পেছনে থাকা মায়া গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পরিচয় অজানাই ছিল।

কিন্তু টেক্সট ১৯-এর শেষের আগের হায়ারোগ্লিফে গবেষকেরা “এমনটাই বলেন” অর্থবোধক একটি বাক্যাংশ খুঁজে পান। এর পরের এবং শেষ হায়ারোগ্লিফে লেখা ছিল “সাক তাহন ওয়াক্স” নামটি।

এতে ধারণা করা হচ্ছে, এই ব্যক্তি হয় নিজেই এই গণনা করেছিলেন, অথবা অন্তত এই গাণিতিক ধারণার কৃতিত্ব তাঁর নামে দেওয়া হয়েছে।

টেক্সট ১৯-এর গাণিতিক সূত্রগুলো গ্লিফ হিসেবে প্রদর্শিত হয়।ক্রেডিট: G. Ware/San Bartolo-Xultun Regional Archaeological Project
টেক্সট ১৯-এর গাণিতিক সূত্রগুলো গ্লিফ হিসেবে প্রদর্শিত হয়।
ক্রেডিট: G. Ware/San Bartolo-Xultun Regional Archaeological Project

হার্স্ট বলেন, “আমরা নিশ্চিত, এটি একজন পুরুষের নাম। কারণ নামটির আগে নারীদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত বিশেষ উপসর্গ নেই।”

ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, সান্তা বারবারার নৃতত্ত্ববিদ জেরার্দো আলদানা (Gerardo Aldana) বলেন, এই নামের উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এতে বোঝা যায়, মায়া সমাজে গণিতবিদদেরও শিল্পীদের মতো স্বীকৃতি দেওয়া হতো।

ইতিহাসের মহান গণিতবিদদের সমকক্ষ

হার্স্ট ও তাঁর সহকর্মীদের মতে, এই গবেষণা প্রমাণ করে সাক তাহন ওয়াক্সকে ইতিহাসের বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গণিতবিদদের কাতারেই রাখা উচিত।

তাঁরা তাঁর তুলনা করেছেন আর্কিমিডিস (Archimedes), ক্লডিয়াস টলেমি (Claudius Ptolemy) এবং মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল খোয়ারিজমি (Muḥammad ibn Mūsā al Khwārizmī)-এর মতো কিংবদন্তি পণ্ডিতদের সঙ্গে।

আলদানা বলেন, জুলতুনের এই লেখাগুলো এবং একাদশ বা দ্বাদশ শতাব্দীর ড্রেসডেন কোডেক্স (Dresden Codex)-এর গাণিতিক জ্ঞান সমসাময়িক অন্যান্য সভ্যতার গণিতের সঙ্গে তুলনা করলে সত্যিই বিস্ময়কর।

মায়ারা স্থানীয় মানভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি (Positional Notation), জটিল গাণিতিক ক্রিয়া, বীজগাণিতিক সম্পর্ক, ঋণাত্মক সংখ্যা এবং গুণনীয়ক ব্যবহারের মতো ধারণাগুলো ভালোভাবেই বুঝত।

তবে এখন পর্যন্ত এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি, যা দেখায় তারা জ্যামিতিকে একইভাবে বিকশিত করেছিল।

আলদানা বলেন, “তারা বুঝতে পারেনি যে জ্যামিতিক মডেল ব্যবহার করলে শুধুমাত্র বীজগণিতের ওপর নির্ভর করার তুলনায় সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ অনেক বেশি নির্ভুলভাবে পূর্বাভাস দেওয়া যায়।”

তিনি মনে করেন, এর একটি বড় কারণ ছিল ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা।

তাঁর ভাষায়, সেই সময়ে মেসোআমেরিকা বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে প্রায় বিচ্ছিন্ন ছিল।

তিনি বলেন, “গ্রিকরা জ্যামিতি শিখেছিল মিশরীয়দের কাছ থেকে। ইসলামি বিশ্ব এবং ভারত গ্রিকদের কাছ থেকে গণিতের অনেক জ্ঞান গ্রহণ করেছিল। পরে ইউরোপ ইসলামি বিশ্বের মাধ্যমে সেই জ্ঞান অর্জন করে।”

“অর্থাৎ বিভিন্ন সভ্যতা একে অপরের সঙ্গে ধারণা আদানপ্রদান করেছে এবং জ্ঞানকে আরও এগিয়ে নিয়েছে। কিন্তু মেসোআমেরিকায় মূলত একটি সাংস্কৃতিক ধারার মধ্যেই এই বিকাশ ঘটেছিল। আমার ধারণা, এ কারণেই তাদের গণিত অন্য সভ্যতাগুলোর মতো একই পথে এগোয়নি।”

———

The identification and work of an eighth-century Maya mathematician. Antiquity (2026).
DOI: 10.15184/aqy.2026.10378

নিয়মিত আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের নিউজলেটারে এবং ফলো করুন আমাদের টেলিগ্রাম, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার এবং ফেসবুক-এ। এছাড়াও যুক্ত হতে পারেন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে।

Creative Commons License

এই নিবন্ধটি Creative Commons Attribution-NoDerivatives 4.0 International License-এর অধীনে লাইসেন্সকৃত। পুনঃপ্রকাশের জন্য পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা দেখুুন।
প্রবন্ধটি শেয়ার করুন
Facebook Whatsapp Whatsapp লিঙ্ক কপি করুন প্রিন্ট
পূর্ববর্তী প্রবন্ধ প্রথমবারের মতো গুহাচিত্রে মিলল প্রাচীন মানুষের ডিএনএ
পরবর্তী প্রবন্ধ কৃত্রিমভাবে ল্যাবে শুক্রাণু তৈরির পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেলেন বিজ্ঞানীরা
মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সাম্প্রতিক পোস্ট
  • বলিভিয়ার বনে মিলল নতুন প্রজাতির বিড়াল
  • মানব মস্তিষ্ক দুটি আলাদা স্নায়ুতন্ত্রের সংমিশ্রণ থেকে বিকশিত হতে পারে
  • ২০০ বছরের পুরোনো নেভিয়ার-স্টোকস সমীকরণের সমাধান খুঁজে পাওয়ার দাবি ওপেনএআই-এর
  • বিড়ালের কিডনিতে ১১০ বছরের পুরোনো রহস্যের সন্ধান
  • আবিষ্কৃত হলো বায়ুমণ্ডলযুক্ত এক্সোপ্ল্যানেট, সেখানে কি প্রাণের থাকতে পারে?

বিভাগসমূহ

  • পদার্থবিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • মহাকাশ
  • রসায়ন
  • প্রকৃতি
  • প্রত্নতত্ত্ব
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান

আমাদের সম্পর্কে

বিজ্ঞানবার্তা একটি অলাভজনক বিজ্ঞান সংবাদ প্রচার মাধ্যম।
প্রয়োজনীয় লিঙ্ক
  • আমাদের সম্পর্কে
  • ম্যাগাজিন
  • বিজ্ঞানবার্তা টিম
  • পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা
  • যোগাযোগ
  • আমার বুকমার্ক
  • গোপনীয়তা নীতি
শীর্ষ বিভাগসমূহ
  • মহাকাশ
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • স্বাস্থ্য
  • প্রাণী
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জেনেটিক্স

সাবস্ক্রাইব

অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Follow US
© 2021-2026 BigganBarta, Inc.
Made with love ❤️ by Last Coin Standing Interactive.
সাবস্ক্রাইব
অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

স্প্যামবিহীন, যেকোনো সময় সাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।
ফিরে আসার জন্য স্বাগতম!

আপনার অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন

Username or Email Address
Password

Lost your password?