এই সাইটটি ব্যবহার করে, আপনি আমাদের গোপনীয়তা নীতি এবং ব্যবহারের শর্তাবলীতে সম্মত হন।
Accept
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
পড়ছেন: মহাবিশ্বের একটি আংশিক এক্স-রে মানচিত্র প্রকাশ!
Notification আরো দেখুন
Font ResizerAa
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Font ResizerAa
  • পদার্থবিজ্ঞান
  • প্রযুক্তি
  • মহাকাশ
  • ঔষধ
  • স্বাস্থ্য
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • ভাইরাস
  • ভূতত্ত্ব
  • জেনেটিক্স
  • রসায়ন
  • গণিত
খোঁজ
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • গোপনীয়তা নীতি
  • যোগাযোগ
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
  • আর্কাইভ
Have an existing account? Sign In
Follow US
বিজ্ঞানবার্তা > সংবাদ > জ্যোতির্বিজ্ঞান > মহাবিশ্বের একটি আংশিক এক্স-রে মানচিত্র প্রকাশ!
জ্যোতির্বিজ্ঞান

মহাবিশ্বের একটি আংশিক এক্স-রে মানচিত্র প্রকাশ!

eROSITA এক্স-রে টেলিস্কোপ দ্বারা তৈরি মহাবিশ্বের মানচিত্রে ৯ লাখের বেশি মহাজাগতিক বস্তু চিহ্নিত হয়েছে, যার মধ্যে ৭ লাখ সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল ও ১২ হাজার গ্যালাক্সি ক্লাস্টার রয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার ৪২ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দীর্ঘ এক্স-রে ফিলামেন্ট, যা দুটি গ্যালাক্সি ক্লাস্টারকে সংযুক্ত করছে এবং ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জির রহস্য উন্মোচনে সহায়ক হতে পারে।

সিরাজুর রহমান
সিরাজুর রহমান
প্রকাশিত: ৩ মার্চ, ২০২৫
হালনাগাদ: 3 মার্চ, 2025
পড়তে 6 মিনিট লাগবে
শেয়ার
"eROSITA All-Sky Survey" ক্যাটালগের দুইটি ভিন্ন ভিন্ন রিপ্রেজেন্টেশন। বাম দিকের চিত্রটি বিস্তৃত এক্স-রে বিকিরণ দেখায়। ডান দিকের চিত্রটি বিন্দুর মতো এক্স-রে উৎসগুলো প্রদর্শন করে।MPE, J. Sanders für das eROSITA-Konsortium
শেয়ার

গতবছর অর্থাৎ ২০২৪ সালের শুরুর দিকে জার্মান ভিত্তিক ম্যাক্স প্লাঙ্ক সোসাইটি মহাকাশের একটি বিস্তারিত এক্স-রে মানচিত্র প্রকাশ করে। মূলত ম্যাক্স প্লাঙ্ক সোসাইটির একদল বিজ্ঞানী রাশিয়া-জার্মানীর যৌথভাবে তৈরি উচ্চ প্রযুক্তির ইরোসিটা (eROSITA) এক্স-রে টেলিস্কোপ ব্যবহার করে মহাজাগতিক অবজেক্টের বিপুল পরিমাণ তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে মহাবিশ্বের একটি আংশিক এক্সরে ম্যাপ তৈরি করেন। এই কসমিক মানচিত্রে প্রায় ৯ লক্ষের অধিক মহাজাগতিক অবজেক্ট স্থান পেয়েছে। যার মধ্যে প্রায় ৭ লাখেরও বেশি সুপার ম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল এবং প্রায় ১২ হাজার গ্যালাক্সি ক্লাস্টার গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তাছাড়া আমাদের আকাশগঙ্গা ছায়াপথে অবস্থান করা ১,৮০,০০০ এক্সরে নির্গমনকারী নক্ষত্র, পালসার, সুপারনোভা অবশিষ্টাংশ, বাইনারি নক্ষত্র এবং অন্যান্য এক্সরে উৎসের মতো কিছু রহস্যময় কসমিক অবজেক্ট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই মহাকাশ জরিপ বা গবেষণার মাধ্যমে মহাজাগতিক কাঠামোর মধ্যে সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোলের গঠন ও বৈশিষ্ট্য জানার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। তাছাড়া এই সার্ভেটি সুবিশাল মহাকাশ সংক্রান্ত বিস্তৃত ঘটনা সম্পর্কেও নতুন অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে। যা ভবিষ্যতে মহাকাশ নিয়ে কার্যকর গবেষণায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারবে বলে আশাবাদী বিজ্ঞানীরা।

এই দীর্ঘ মেয়াদি এবং উচ্চাভিলাসী মহাকাশ গবেষণায় সবচেয়ে আকর্ষণীয় এবং নতুন আবিষ্কারগুলির মধ্যে একটি হল যে, ৪২ মিলিয়ন আলোকবর্ষেরও বেশি (আকাশগঙ্গার দৈর্ঘ্যের ৪০০ গুণেরও বেশি) জুড়ে দুটি ছায়াপথের ক্লাস্টারকে সংযুক্ত করে এমন একটি বিশাল “ফিলামেন্ট” বা গরম গ্যাসের সেতুর অস্তিত্ব স্থান পেয়েছে। বিজ্ঞানীরা এই গরম গ্যাসের সেতু বা ফিলামেন্টটি-কে মহাজাগতিক জালের একটি অংশ বলে মনে করেন। আর তাদের গবেষণা মতে, এই অতি রহস্যময় গ্যাসের বিশাল সুপার হাইওয়ে-তে লুকিয়ে থাকতে পারে ডার্ক ম্যাটার এবং ডার্ক এনার্জি মতো অদৃশ্য শক্তি।

ম্যাক্স প্লাঙ্ক সোসাইটির বিজ্ঞানীরা ‘ইরোসিটা অল স্কাই সার্ভে’ নামের একটি প্রকল্পের আওতায় গত ২০১৯ সালের ১২ই ডিসেম্বর থেকে ২০২০ সালের ১১ই জুন পর্যন্ত এই বিপুল পরিমাণ মহাজাগতিক অবজেক্টের তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেন। এর পাশাপাশি মহাকাশ নিয়ে এই দীর্ঘ মেয়াদি গবেষণা ও পর্যবেক্ষণে বিজ্ঞানীরা ভূমি ভিত্তিক ইরোসিটা (eROSITA) টেলিস্কোপের অতি সংবেদনশীল (০.২-২ keV) সেন্সর দ্বারা মহাকাশে স্ক্যানিং প্রায় ১৭০ মিলিয়নের অধিক উচ্চ শক্তির ফোটন কণার অস্তিত্ব শনাক্ত করেন। যা নিয়ে বিজ্ঞানীরা এখনো পর্যন্ত নিবিড়ভাবে গবেষণা করে যাচ্ছেন।

এদিকে মহাকাশে ছড়িয়ে থাকা লক্ষ লক্ষ গ্যালাক্সি ক্লাস্টার গ্রুপের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী গ্যাসের এই সংযোগ সেতুকে মহাজাগতিক জালের অংশ বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, মহাকাশের এই গ্যাসের ফিলামেন্ট বা সুপার কসমিক হাইওয়ে প্রতিনিয়ত তার আশপাশের সব গ্যালাক্সিকেই কিছু না কিছু দিয়ে যাচ্ছে। এর মানে হলো যে, বিশাল আকারের ছায়াপথের গ্রহ-নক্ষত্র সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এই রহস্যয় কসমিক গ্যাসের ভাণ্ডার। মহাকাশের সুবিশাল আকারের ফাঁকা স্থান কিংবা ভয়েড অঞ্চলের সুনির্দিষ্ট অবস্থানও চিহ্নিত করছে এটি।

এই মহাকাশ এক্সরে ম্যাপিং প্রজেক্ট সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, এই প্রকল্পের প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে ইতোমধ্যেই প্রায় ২ শতাধিকের অধিক গবেষণা পত্র প্রকাশ হয়েছে। যার মধ্যে আবার প্রায় ৫০টি বা তার অধিক রিসার্চ পেপারস আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিভিন্ন বিজ্ঞান ও গবেষণা ভিত্তিক জার্নালে জমা দেয়া হয়েছে। যদিও এসব রিসার্চ পেপারস ইরোসিটা (eROSITA) টেলিস্কোপ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের খুবই সামান্য পরিমাণ অংশ নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে। আর এই প্রকল্পের ডাটা বিশ্লেষণ করে এখনো পর্যন্ত নতুন নতুন রিসার্চ পেপারস বা গবেষণাপত্র প্রকাশ হচ্ছে।

মহাকাশে এক্সরে ম্যাপিং প্রজেক্টের সাথে সম্পৃক্ত মহাকাশ বিজ্ঞানীরা আশা করেন যে, ইরোসিটা (eROSITA) টেলিস্কোপের মাধ্যমে তাদের অনুসন্ধান এবং গবেষণামূলক কার্যক্রম চলমান থাকবে। এই উচ্চপ্রযুক্তির এক্সরে টেলিস্কোপটি স্পেকট্রাম-রনজেন্ট-গামা (এসআরজি) স্পেস অবজারভেটরিতে আছে। বর্তমানে জার্মানি এবং রাশিয়া যৌথভাবে পরিচালনা করছে এই টেলিস্কোপটি। ম্যাক্স-প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল ফিজিক্স (MPE) এর প্রযুক্তিগত সহায়তায় এবং নেতৃত্বে এটি ডিজাইন ও তৈরি করা হয়েছে।

একটি eROSITA এক্স-রে ছবি, যেখানে দুটি গ্যালাক্সি ক্লাস্টারের মধ্যে সদ্য আবিষ্কৃত ফিলামেন্ট দেখা যাচ্ছে, যা ৪২ মিলিয়নেরও বেশি আলোকবর্ষ বিস্তৃত।ক্রেডিট: Dietl <em>et al.</em> (2024)
একটি eROSITA এক্স-রে ছবি, যেখানে দুটি গ্যালাক্সি ক্লাস্টারের মধ্যে সদ্য আবিষ্কৃত ফিলামেন্ট দেখা যাচ্ছে, যা ৪২ মিলিয়নেরও বেশি আলোকবর্ষ বিস্তৃত।
ক্রেডিট: Dietl et al. (2024)

ইরোসিটা (eROSITA) টেলিস্কোপ হলো একটি অতি সংবেদনশীল এক্সরে টেলিস্কোপ। যা কিনা সুবিশাল মহাকাশের আকাশের গভীর অঞ্চলের তীক্ষ্ণ চিত্র (~0.2-8 keV) শক্তি পরিসরে পৌঁছে দিতে সক্ষম। এই টেলিস্কোপে সাতটি অভিন্ন Wolter-1 মিরর মডিউল ইনস্টল করা হয়েছে। যা প্রতিটি মডিউলে প্রয়োজনীয় সংবেদনশীলতা পূরণের জন্য ৫৪টি নেস্টেড মিরর শেল রয়েছে। তাছাড়া এর পাশাপাশি XMM-Newton pn-CCD প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে MPE দ্বারা একটি নতুন ডিটেক্টর সিস্টেম/সেন্সর তৈরি করা হয়েছে।

এটি গত ২০১৯ সালের ১৩ই জুলাই রাশিয়ার বাইকোনুর কসমোড্রোম ল্যান্ড বেসড স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় এবং এল-২ বিন্দুর চারপাশে একটি হ্যালো কক্ষপথে স্থাপন করা হয়। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত এটি তার ক্যালিব্রেশন এবং পারফরম্যান্স যাচাইকরণ (Cal-PV) প্রোগ্রামটি পরিচালনা করেছে। এই এক্সরে টেলিস্কোপ দ্বারা ইতোমধ্যেই মহাকাশের একটি বিশাল অঞ্চল ব্যাপী জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। যেখানে প্রতি ছয় মাসে একবার সমগ্র মহাজাগতিক গোলক ম্যাপ করা হয়।

আর ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এই ধরনের আটটি সর্ব-আকাশ চার্ট পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়। আসলে এই টেলিস্কোপটিকে মহাবিশ্বের বৃহৎ স্কেল কাঠামো অধ্যয়ন করার জন্য এবং তার পাশাপাশি ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জিসহ মহাজাগতিক মডেলগুলি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ, শনাক্ত কিংবা পরীক্ষা করার উপযোগী করেই ডিজাইন করা হয়েছে। এটি কয়েক মিলিয়ন সক্রিয় গ্যালাকটিক নিউক্লিয়ার নমুনা শনাক্ত করবে বলে আশা করছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। যার মধ্যে স্পষ্ট এবং অস্পষ্ট উভয় ধরনের কসমিক অবজেক্ট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

–––

  • The SRG/eROSITA all-sky survey: First X-ray catalogues and data release of the western Galactic hemisphere. Astronomy & Astrophysics (2024).
    DOI: 10.1051/0004-6361/202347165
  • eROSITA Publications and Telegrams

নিয়মিত আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের নিউজলেটারে এবং ফলো করুন আমাদের টেলিগ্রাম, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার এবং ফেসবুক-এ। এছাড়াও যুক্ত হতে পারেন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে।

Creative Commons License

এই নিবন্ধটি Creative Commons Attribution-NoDerivatives 4.0 International License-এর অধীনে লাইসেন্সকৃত। পুনঃপ্রকাশের জন্য পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা দেখুুন।
প্রবন্ধটি শেয়ার করুন
Facebook Whatsapp Whatsapp লিঙ্ক কপি করুন প্রিন্ট
পূর্ববর্তী প্রবন্ধ বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে পৃথিবীর বুকে প্রথম জটিল প্রাণের উৎপত্তি ও বিকাশ!
পরবর্তী প্রবন্ধ ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে স্বাদের অনুভূতি আনল নতুন ডিভাইস
মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সাম্প্রতিক পোস্ট
  • বলিভিয়ার বনে মিলল নতুন প্রজাতির বিড়াল
  • মানব মস্তিষ্ক দুটি আলাদা স্নায়ুতন্ত্রের সংমিশ্রণ থেকে বিকশিত হতে পারে
  • ২০০ বছরের পুরোনো নেভিয়ার-স্টোকস সমীকরণের সমাধান খুঁজে পাওয়ার দাবি ওপেনএআই-এর
  • বিড়ালের কিডনিতে ১১০ বছরের পুরোনো রহস্যের সন্ধান
  • আবিষ্কৃত হলো বায়ুমণ্ডলযুক্ত এক্সোপ্ল্যানেট, সেখানে কি প্রাণের থাকতে পারে?

বিভাগসমূহ

  • পদার্থবিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • মহাকাশ
  • রসায়ন
  • প্রকৃতি
  • প্রত্নতত্ত্ব
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান

আমাদের সম্পর্কে

বিজ্ঞানবার্তা একটি অলাভজনক বিজ্ঞান সংবাদ প্রচার মাধ্যম।
প্রয়োজনীয় লিঙ্ক
  • আমাদের সম্পর্কে
  • ম্যাগাজিন
  • বিজ্ঞানবার্তা টিম
  • পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা
  • যোগাযোগ
  • আমার বুকমার্ক
  • গোপনীয়তা নীতি
শীর্ষ বিভাগসমূহ
  • মহাকাশ
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • স্বাস্থ্য
  • প্রাণী
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জেনেটিক্স

সাবস্ক্রাইব

অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Follow US
© 2021-2026 BigganBarta, Inc.
Made with love ❤️ by Last Coin Standing Interactive.
সাবস্ক্রাইব
অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

স্প্যামবিহীন, যেকোনো সময় সাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।
ফিরে আসার জন্য স্বাগতম!

আপনার অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন

Username or Email Address
Password

Lost your password?