এই সাইটটি ব্যবহার করে, আপনি আমাদের গোপনীয়তা নীতি এবং ব্যবহারের শর্তাবলীতে সম্মত হন।
Accept
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
পড়ছেন: প্রথমবারের মতো তোলা হলো নেপচুনের অরোরার ছবি!
Notification আরো দেখুন
Font ResizerAa
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Font ResizerAa
  • পদার্থবিজ্ঞান
  • প্রযুক্তি
  • মহাকাশ
  • ঔষধ
  • স্বাস্থ্য
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • ভাইরাস
  • ভূতত্ত্ব
  • জেনেটিক্স
  • রসায়ন
  • গণিত
খোঁজ
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • গোপনীয়তা নীতি
  • যোগাযোগ
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
  • আর্কাইভ
Have an existing account? Sign In
Follow US
বিজ্ঞানবার্তা > সংবাদ > জ্যোতির্বিজ্ঞান > প্রথমবারের মতো তোলা হলো নেপচুনের অরোরার ছবি!
জ্যোতির্বিজ্ঞান

প্রথমবারের মতো তোলা হলো নেপচুনের অরোরার ছবি!

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ প্রথমবারের মতো নেপচুনের অরোরার স্পষ্ট ছবি ধারণ করেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, নেপচুনের চৌম্বক ক্ষেত্রের অস্বাভাবিকতা কারণে এর অরোরা মেরু অঞ্চলের পরিবর্তে মাঝারি অক্ষাংশে দেখা যায়।

তাশফিয়া নুজহাত প্রজ্ঞা
তাশফিয়া নুজহাত প্রজ্ঞা
প্রকাশিত: ৩ এপ্রিল, ২০২৫
হালনাগাদ: 3 এপ্রিল, 2025
পড়তে 4 মিনিট লাগবে
শেয়ার
বামপাশে, নাসার হাবল স্পেস টেলিস্কোপ দ্বারা ধারণ করা নেপচুনের একটি কালার ইনহ্যান্স করা ছবি ছবি দেখা যাচ্ছে। ডানপাশে, সেই ছবির সাথে নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের ডেটা যুক্ত করা হয়েছে। ছবিতে আকাশি রঙের ছোপ (অরোরার চিহ্ন) এবং সাদা মেঘ ওয়েবের নিকট-ইনফ্রারেড স্পেকট্রোগ্রাফ (NIRSpec) থেকে প্রাপ্ত ডেটা দ্বারা তৈরি, যা হাবলের ওয়াইড ফিল্ড ক্যামেরা ৩-এর মূল চিত্রের উপর সংযোজিত হয়েছে।NASA, ESA, CSA, STScI, Heidi Hammel (AURA), Henrik Melin (Northumbria University), Leigh Fletcher (University of Leicester), Stefanie Milam (NASA-GSFC)
শেয়ার

নেপচুন সৌরজগতের সবচেয়ে দূরবর্তী, শীতল ও অন্ধকার সীমান্তে অবস্থিত, যা সূর্য থেকে প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন কিলোমিটার দূরে।

প্রথমবারের মতো, নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ নেপচুনের উজ্জ্বল অরোরার ছবি ধারণ করতে সক্ষম হয়েছে। অরোরা তখনই ঘটে, যখন সূর্য থেকে আসা শক্তিশালী কণা কোনো গ্রহের চৌম্বকক্ষেত্রে আটকে যায় এবং এর আপার বায়ুমণ্ডলে আঘাত হানে। এই সংঘর্ষ থেকে নির্গত শক্তি আকাশে উজ্জ্বল আভা সৃষ্টি করে।

এর আগে, ১৯৮৯ সালে নাসার ভয়েজার ২ মহাকাশযান নেপচুনের পাশ দিয়ে উড়ে যাবার সময় এর অরোরা থাকার ক্ষীণ ইঙ্গিত দিয়েছিলো। তবে বৃহস্পতি, শনি ও ইউরেনাসে অরোরার সফল সনাক্ত হলেও, নেপচুনের ক্ষেত্রে তা এতদিন পর্যন্ত সম্ভব হয়নি। সৌরজগতের বৃহৎ গ্রহগুলোর মধ্যে নেপচুনই ছিল অরোরা শনাক্তকরণ পাজলের হারিয়ে যাওয়া টুকরো।

নর্থাম্ব্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং গবেষক হেনরিক মেলিন বলেন, “আসলে নেপচুনের অরোরার ছবি ধারণ করা সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র ওয়েবের নিখুঁত নিয়ার-ইনফ্রারেড সংবেদনশীলতা থাকার কারণে।” গবেষণাটি তিনি ইউনিভার্সিটি অব লেস্টারে থাকাকালীন পরিচালনা করেন। তিনি আরও বলেন, “শুধু অরোরাই দেখতে পাওয়া নয়, বরং এর বিশদ ও স্বচ্ছ চিত্র আমাকে বিস্মিত করেছে।” গবেষণাটি Nature Astronomy জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

২০২৩ সালের জুন মাসে ওয়েবের নিয়ার-ইনফ্রারেড স্পেকট্রোগ্রাফ (NIRSpec) ব্যবহার করে এই ডেটা সংগ্রহ করা হয়। শুধু নেপচুনের চিত্রই নয়, বিজ্ঞানীরা এর হায়ার বায়ুমন্ডলের (আয়নমণ্ডল) রাসায়নিক গঠন ও তাপমাত্রা নির্ণয়ের জন্য স্পেকট্রাম সংগ্রহ করেন। প্রথমবারের মতো, তারা H₃⁺ (ট্রাইহাইড্রোজেন ক্যাটায়ন) নামক অনু থেকে শক্তিশালী নির্গমনরেখা দেখতে পান, যা সাধারণত অরোরার সময় তৈরি হয়। ওয়েবের ছবিতে, নেপচুনের অরোরা উজ্জ্বল নীলচে সাইয়ান রঙের ছোপ হিসেবে দেখা যায়।

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের নিয়ার-ইনফ্রারেড স্পেকট্রোগ্রাফ (NIRSpec) দিয়ে তোলা নেপচুনের ছবি।ক্রেডিট: Henrik Melin et al/Nature Astronomy (2025)
জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের নিয়ার-ইনফ্রারেড স্পেকট্রোগ্রাফ (NIRSpec) দিয়ে তোলা নেপচুনের ছবি।
ক্রেডিট: Henrik Melin et al/Nature Astronomy (2025)

ওয়েব ইন্টারডিসিপ্লিনারি বিজ্ঞানী, এবং গ্যারান্টেড টাইম অবজারভেশন প্রোগ্রামের লিডার হেইডি হ্যামেল ব্যাখ্যা করেন, “H₃⁺ হলো বৃহস্পতি, শনি ও ইউরেনাসের অরোরার পরিচিত চিহ্ন, এবং আমরা আশা করেছিলাম এটি নেপচুনেও থাকবে। তবে এতদিন গ্রাউন্ড-ভিত্তিক পর্যবেক্ষণে সেটি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। কেবল ওয়েবের মতো শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমেই আমরা অবশেষে এটি শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছি।”

নেপচুনের অরোরার একটি উল্লেখযোগ্য পার্থক্য হলো, এটি পৃথিবী, বৃহস্পতি বা শনির মতো মেরু অঞ্চলে সীমাবদ্ধ নয়। বরং, এটি ভৌগোলিকভাবে নেপচুনের মধ্য অক্ষাংশে দেখা যায়।

এর কারণ হলো নেপচুনের অদ্ভুত চৌম্বক ক্ষেত্র, যা ১৯৮৯ সালে ভয়েজার ২ আবিষ্কার করেছিল। এটি গ্রহের ঘূর্ণন অক্ষে ৪৭ ডিগ্রি কৌণিকভাবে হেলে আছে। যেহেতু অরোরার সৃষ্টি হয় বায়ুমণ্ডলের কোথায় বা কতটুকু চৌম্বক ক্ষেত্র কভার, তাই নেপচুনের ক্ষেত্রে এটি মেরু থেকে অনেক দূরে অবস্থান করে।

নেপচুনের অরোরার এই যুগান্তকারী আবিষ্কার আমাদের বুঝতে সাহায্য করবে যে, কীভাবে এর চৌম্বক ক্ষেত্র সূর্য থেকে আসা চার্জযুক্ত কণার সাথে ইন্টার‌্যাক্ট করে এবং কীভাবে তা সৌরজগতের সুদূরবর্তী অঞ্চলে প্রভাব ফেলে।

ওয়েব পর্যবেক্ষণ থেকে বিজ্ঞানীরা নেপচুনের আপার বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রাও পরিমাপ করেছেন, যা ১৯৮৯ সালে ভয়েজার ২-এর পর প্রথমবারের মতো সম্ভব হলো। ফলাফল, এতদিন নেপচুনের অরোরা অদৃশ্য থাকান সম্ভাব্য কারণের ব্যাপারে কিছুটা ইঙ্গিত প্রদান করে।

“আমি অবাক হয়েছি—নেপচুনের আপার বায়ুমন্ডল কয়েক শ ডিগ্রি ঠাণ্ডা হয়ে গেছে। ২০২৩ সালে এর তাপমাত্রা ১৯৮৯ সালের তুলনায় অর্ধেকেরও কম।” বলেন মেলিন।

এর আগে বিজ্ঞানীরা ভয়েজার ২-এর ডেটার ওপর ভিত্তি করে নেপচুনের অরোরার তীব্রতা অনুমান করেছিলেন। কিন্তু যদি তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়, তবে অরোরা অনেক বেশি ম্লান হয়ে যাবে। তাই এতদিন বিজ্ঞানীরা এটি শনাক্ত করতে পারেননি। এই আকস্মিক ঠাণ্ডা অবস্থা দেখায় যে, নেপচুনের আয়নমণ্ডলীয় স্তর সময়ের সাথে নাটকীয়ভাবে পরিবর্তিত হতে পারে, পৃথিবীর তুলনায় ৩০ গুণ বেশি দূরে থাকার পরও।

এই নতুন আবিষ্কারের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা এখন নেপচুনের পুরো সৌরচক্র (১১ বছর) জুড়ে পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করতে চান। এটি নেপচুনের অদ্ভুত চৌম্বক ক্ষেত্রের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করতে পারে এবং কেন এটি এতটা হেলে রয়েছে তার কারণ উন্মোচন করতে পারে।

———

Discovery of H3+ and infrared aurorae at Neptune with JWST, Nature Astronomy (2025).
DOI: 10.1038/s41550-025-02507-9

নিয়মিত আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের নিউজলেটারে এবং ফলো করুন আমাদের টেলিগ্রাম, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার এবং ফেসবুক-এ। এছাড়াও যুক্ত হতে পারেন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে।

Creative Commons License

এই নিবন্ধটি Creative Commons Attribution-NoDerivatives 4.0 International License-এর অধীনে লাইসেন্সকৃত। পুনঃপ্রকাশের জন্য পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা দেখুুন।
ট্যাগ:জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ
প্রবন্ধটি শেয়ার করুন
Facebook Whatsapp Whatsapp লিঙ্ক কপি করুন প্রিন্ট
পূর্ববর্তী প্রবন্ধ মানব মস্তিষ্কের মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রথম মানচিত্র: এক যুগান্তকারী অর্জন
পরবর্তী প্রবন্ধ মস্তিষ্ক কীভাবে চেতনা নিয়ন্ত্রণ করে? বিজ্ঞানীরা মস্তিষ্কের গোপন প্রহরী আবিষ্কার করেছে
মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সাম্প্রতিক পোস্ট
  • বলিভিয়ার বনে মিলল নতুন প্রজাতির বিড়াল
  • মানব মস্তিষ্ক দুটি আলাদা স্নায়ুতন্ত্রের সংমিশ্রণ থেকে বিকশিত হতে পারে
  • ২০০ বছরের পুরোনো নেভিয়ার-স্টোকস সমীকরণের সমাধান খুঁজে পাওয়ার দাবি ওপেনএআই-এর
  • বিড়ালের কিডনিতে ১১০ বছরের পুরোনো রহস্যের সন্ধান
  • আবিষ্কৃত হলো বায়ুমণ্ডলযুক্ত এক্সোপ্ল্যানেট, সেখানে কি প্রাণের থাকতে পারে?

বিভাগসমূহ

  • পদার্থবিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • মহাকাশ
  • রসায়ন
  • প্রকৃতি
  • প্রত্নতত্ত্ব
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান

আমাদের সম্পর্কে

বিজ্ঞানবার্তা একটি অলাভজনক বিজ্ঞান সংবাদ প্রচার মাধ্যম।
প্রয়োজনীয় লিঙ্ক
  • আমাদের সম্পর্কে
  • ম্যাগাজিন
  • বিজ্ঞানবার্তা টিম
  • পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা
  • যোগাযোগ
  • আমার বুকমার্ক
  • গোপনীয়তা নীতি
শীর্ষ বিভাগসমূহ
  • মহাকাশ
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • স্বাস্থ্য
  • প্রাণী
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জেনেটিক্স

সাবস্ক্রাইব

অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Follow US
© 2021-2026 BigganBarta, Inc.
Made with love ❤️ by Last Coin Standing Interactive.
সাবস্ক্রাইব
অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

স্প্যামবিহীন, যেকোনো সময় সাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।
ফিরে আসার জন্য স্বাগতম!

আপনার অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন

Username or Email Address
Password

Lost your password?