এই সাইটটি ব্যবহার করে, আপনি আমাদের গোপনীয়তা নীতি এবং ব্যবহারের শর্তাবলীতে সম্মত হন।
Accept
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
পড়ছেন: সুপারবাগ ধ্বংস করতে পারে এমন নতুন অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার
Notification আরো দেখুন
Font ResizerAa
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Font ResizerAa
  • পদার্থবিজ্ঞান
  • প্রযুক্তি
  • মহাকাশ
  • ঔষধ
  • স্বাস্থ্য
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • ভাইরাস
  • ভূতত্ত্ব
  • জেনেটিক্স
  • রসায়ন
  • গণিত
খোঁজ
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • গোপনীয়তা নীতি
  • যোগাযোগ
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
  • আর্কাইভ
Have an existing account? Sign In
Follow US
বিজ্ঞানবার্তা > সংবাদ > জীববিজ্ঞান > অণুজীববিজ্ঞান > সুপারবাগ ধ্বংস করতে পারে এমন নতুন অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার
অণুজীববিজ্ঞানস্বাস্থ্য

সুপারবাগ ধ্বংস করতে পারে এমন নতুন অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার

একটি মাটির ব্যাকটেরিয়ার মধ্যবর্তী অণু থেকে বিজ্ঞানীরা নতুন ও অত্যন্ত শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেছেন, যা বর্তমান ওষুধের তুলনায় শতগুণ বেশি কার্যকর। এই অণুটি অল্প মাত্রায় ব্যবহারেই ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে পারে এবং সহজে প্রতিরোধ তৈরি হতে দেয় না। ভবিষ্যতে এটি ওষুধ-প্রতিরোধী সংক্রমণের বিরুদ্ধে নতুন চিকিৎসার পথ খুলে দিতে পারে।

সাফিয়া তাবাসসুম রুমু
সাফিয়া তাবাসসুম রুমু
প্রকাশিত: ১৫ নভেম্বর, ২০২৫
হালনাগাদ: 15 নভেম্বর, 2025
পড়তে 4 মিনিট লাগবে
শেয়ার
Streptomyces coelicolor ব্যাকটেরিয়ার একটি কলোনির আশেপাশের এক ধরণের অ্যান্টিবায়োটিক যৌগ (লাল) নিঃসরণ করে।Dr. Jeremy Burgess/Science Photo Library
শেয়ার

মাটিতে থাকা এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া কীভাবে ওষুধ তৈরি করে, সেই প্রক্রিয়াটি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা এমন এক শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেছেন, যা ওষুধ-প্রতিরোধী সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সম্প্রতি Journal of the American Chemical Society-তে প্রকাশিত এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা ব্যাকটেরিয়া Streptomyces coelicolor কীভাবে বহু-ধাপের মাধ্যমে ১৯৬৫ সালে শনাক্ত হওয়া অ্যান্টিবায়োটিক মেথাইলিনোমাইসিন এ (methylenomycin A) তৈরি করে, তা অনুসন্ধান করেন। এ সময় তারা একটি মধ্যবর্তী যৌগ প্রিমেথাইলিনোমাইসিন সি ল্যাকটোন (premethylenomycin C lactone ) আবিষ্কার করেন, যার অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ক্ষমতা মেথাইলিনোমাইসিন এ-এর তুলনায় ১০০ গুণ বেশি। অতি ক্ষুদ্র মাত্রাতেই এটি বিভিন্ন কঠিন সংক্রমণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া হত্যা করতে সক্ষম হয়।

গবেষণার সহ-লেখক, যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ওয়ারউইকের কেমিক্যাল বায়োলজিস্ট গ্রেগরি চ্যালিস বলেন, এই আবিষ্কারটি ছিল “সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত।” তাঁর ভাষায়, “আমরা সাধারণত মনে করি বিবর্তন চূড়ান্ত অণুকেই সবচেয়ে নিখুঁত করে, তাই শেষ পণ্যটিই সর্বোত্তম হবে, এটাই স্বাভাবিক ধারণা। কিন্তু এই ফলাফল দেখায় যে বিবর্তন আসলে এক ‘ব্লাইন্ড ওয়াচমেকার’। এই অণুগুলো তার নিখুঁত উদাহরণ।”

বিশ্বব্যাপী অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বা ওষুধ-প্রতিরোধী সংক্রমণ আগামী ২৫ বছরে ৩৯ মিলিয়ন মৃত্যুর কারণ হতে পারে। তাই এ ধরনের শক্তিশালী নতুন অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল যৌগ নতুন ওষুধের সম্ভাবনা উন্মোচন করতে পারে, বলছেন গবেষকেরা। কানাডার ম্যাকমাস্টার ইউনিভার্সিটির বায়োকেমিস্ট জেরার্ড রাইট মন্তব্য করেন, পুরোনো জৈব-রাসায়নিক পথগুলো থেকে নতুন সক্রিয় যৌগ শনাক্ত করার সম্ভাবনা এই গবেষণা জোরালোভাবে তুলে ধরে।

২০০৬ সালে চ্যালিস ও তাঁর সহকর্মীরা ব্যাকটেরিয়া Streptomyces coelicolor কীভাবে মেথাইলিনোমাইসিন এ তৈরি করে, সেই আনুবীক্ষণিক রাসায়নিক ধাপগুলো বিশ্লেষণ শুরু করেন। প্রতিটি ধাপের এনজাইম তৈরির জন্য দায়ী জিন তারা একে একে মুছে দেখতেন। এই গবেষণা ২০০২ সালে ব্যাকটেরিয়াটির জিনোম সিকোয়েন্সিং-এর ওপর ভিত্তি করে এগোতে থাকে।

২০১০ সালের মধ্যে তারা মেথাইলিনোমাইসিন এ তৈরির পুরো রোডম্যাপ ম্যাপ করেন এবং মধ্যবর্তী বেশ কিছু অণু চিহ্নিত করেন।

“এগুলো ছিল মূলত মৌলিক গবেষণা,” বলেন চ্যালিস। “তখন আমরা জানতাম না এই মধ্যবর্তী অণুগুলো নিয়ে কী করা যায়।”

পরে, ২০১৭ সালের দিকে, চ্যালিসের ল্যাবের এক পিএইচডি শিক্ষার্থী এই মধ্যবর্তী অণুগুলোর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল কার্যকারিতা পরীক্ষা করেন।

পরীক্ষায় দেখা যায়, দুটি অণু, বিশেষ করে প্রিমেথাইলিনোমাইসিন সি ল্যাকটোন, সাত ধরনের গ্রাম-পজিটিভ ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে মেথাইলিনোমাইসিন এ-এর তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর। এর মধ্যে ছিল Staphylococcus aureus, যা ত্বক, রক্ত ও অভ্যন্তরীণ অঙ্গ সংক্রমণ করে এবং Enterococcus faecium, যা মারণ রক্তসংক্রমণ ও মূত্রনালির সংক্রমণ ঘটাতে পারে।

ওষুধ-প্রতিরোধী Staphylococcus aureus ধ্বংস করতে প্রয়োজন হয় মাত্র ১ মাইক্রোগ্রাম/মিলিলিটার, যেখানে মেথাইলিনোমাইসিন এ-এর দরকার হয় ২৫৬ মাইক্রোগ্রাম/মিলিলিটার। এমনকি ভ্যানকোমাইসিন (শেষ পর্যায়ের অ্যান্টিবায়োটিক) এর চেয়েও কম মাত্রায় এটি ব্যাকটেরিয়া হত্যা করতে পারে।

এরপর গবেষকেরা পরীক্ষা করেন নতুন অ্যান্টিবায়োটিকটির বিরুদ্ধে E. faecium কত দ্রুত প্রতিরোধ তৈরি করতে পারে। টানা ২৮ দিন ধরে বাড়তি ঘনত্বে অণুটি প্রয়োগের পরও এর কার্যকারিতা অপরিবর্তিত থাকে অর্থাৎ ব্যাকটেরিয়া সহজে প্রতিরোধ তৈরি করতে পারেনি। অন্যদিকে ভ্যানকোমাইসিনে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত মিউটেশন ঘটিয়ে প্রতিরোধী হয়ে ওঠে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল রেজিস্ট্যান্স-বিশেষজ্ঞ ক্রিস্টোফার স্কোফিল্ড বলেন, “একটি রাসায়নিকভাবে আকর্ষণীয় অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে মৌলিক গবেষণা থেকে কী চমৎকার ও অপ্রত্যাশিত ফল পাওয়া যায়, তার দারুণ উদাহরণ এটি।”

এ বছরের শুরুতে চ্যালিসের দলের সঙ্গে আরেকটি গবেষণা দল মিলে সহজলভ্য কাঁচামাল ব্যবহার করে অণুটির কম খরচে সংশ্লেষণ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে, যা ভবিষ্যতে বড় মাত্রায় উৎপাদন সম্ভব করতে পারে।

তবে গবেষকেরা প্রথমে জানতে চান, অণুটি ব্যাকটেরিয়ার কোন অংশকে আক্রমণ করে। সহ-লেখক লোনা আলখালাফ বলেন, “আমরা ধারণা করছি এটি কোষ প্রাচীরকে কোনোভাবে লক্ষ্য করে, তবে সঠিক মেকানিজম এখনও অজানা।”

এ ছাড়া স্তন্যপায়ী প্রাণীর কোষে এর বিষক্রিয়া বা টক্সিসিটিও যাচাই করা জরুরি। চ্যালিসের মতে, কার্যকারিতা বজায় রেখে মানবদেহে ক্ষতিকর দিকগুলো বাদ দেওয়ার মতো পরিবর্তিত অণুও ভবিষ্যতে তৈরি করা সম্ভব হতে পারে।

———

Discovery of late intermediates in methylenomycin biosynthesis active against drug-resistant Gram-positive bacterial pathogens. Journal of the American Chemical Society (2025).
DOI: 10.1021/jacs.5c12501

নিয়মিত আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের নিউজলেটারে এবং ফলো করুন আমাদের টেলিগ্রাম, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার এবং ফেসবুক-এ। এছাড়াও যুক্ত হতে পারেন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে।

Creative Commons License

এই নিবন্ধটি Creative Commons Attribution-NoDerivatives 4.0 International License-এর অধীনে লাইসেন্সকৃত। পুনঃপ্রকাশের জন্য পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা দেখুুন।
প্রবন্ধটি শেয়ার করুন
Facebook Whatsapp Whatsapp লিঙ্ক কপি করুন প্রিন্ট
পূর্ববর্তী প্রবন্ধ একটি অ্যান্টিভেনম ১৭টি ভিন্ন সাপের কামড় থেকে রক্ষা করতে সক্ষম
পরবর্তী প্রবন্ধ নক্ষত্র গিলে ১০ ট্রিলিয়ন সূর্যের সমান আলো ছড়াল ব্ল্যাক হোল
মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সাম্প্রতিক পোস্ট
  • বলিভিয়ার বনে মিলল নতুন প্রজাতির বিড়াল
  • মানব মস্তিষ্ক দুটি আলাদা স্নায়ুতন্ত্রের সংমিশ্রণ থেকে বিকশিত হতে পারে
  • ২০০ বছরের পুরোনো নেভিয়ার-স্টোকস সমীকরণের সমাধান খুঁজে পাওয়ার দাবি ওপেনএআই-এর
  • বিড়ালের কিডনিতে ১১০ বছরের পুরোনো রহস্যের সন্ধান
  • আবিষ্কৃত হলো বায়ুমণ্ডলযুক্ত এক্সোপ্ল্যানেট, সেখানে কি প্রাণের থাকতে পারে?

বিভাগসমূহ

  • পদার্থবিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • মহাকাশ
  • রসায়ন
  • প্রকৃতি
  • প্রত্নতত্ত্ব
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান

আমাদের সম্পর্কে

বিজ্ঞানবার্তা একটি অলাভজনক বিজ্ঞান সংবাদ প্রচার মাধ্যম।
প্রয়োজনীয় লিঙ্ক
  • আমাদের সম্পর্কে
  • ম্যাগাজিন
  • বিজ্ঞানবার্তা টিম
  • পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা
  • যোগাযোগ
  • আমার বুকমার্ক
  • গোপনীয়তা নীতি
শীর্ষ বিভাগসমূহ
  • মহাকাশ
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • স্বাস্থ্য
  • প্রাণী
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জেনেটিক্স

সাবস্ক্রাইব

অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Follow US
© 2021-2026 BigganBarta, Inc.
Made with love ❤️ by Last Coin Standing Interactive.
সাবস্ক্রাইব
অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

স্প্যামবিহীন, যেকোনো সময় সাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।
ফিরে আসার জন্য স্বাগতম!

আপনার অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন

Username or Email Address
Password

Lost your password?