এই সাইটটি ব্যবহার করে, আপনি আমাদের গোপনীয়তা নীতি এবং ব্যবহারের শর্তাবলীতে সম্মত হন।
Accept
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
পড়ছেন: রেটিনা ইমপ্লান্টের পর অন্ধদের দৃষ্টি ফিরে এলো
Notification আরো দেখুন
Font ResizerAa
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Font ResizerAa
  • পদার্থবিজ্ঞান
  • প্রযুক্তি
  • মহাকাশ
  • ঔষধ
  • স্বাস্থ্য
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • ভাইরাস
  • ভূতত্ত্ব
  • জেনেটিক্স
  • রসায়ন
  • গণিত
খোঁজ
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • গোপনীয়তা নীতি
  • যোগাযোগ
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
  • আর্কাইভ
Have an existing account? Sign In
Follow US
বিজ্ঞানবার্তা > সংবাদ > চিকিৎসাবিজ্ঞান > রেটিনা ইমপ্লান্টের পর অন্ধদের দৃষ্টি ফিরে এলো
চিকিৎসাবিজ্ঞান

রেটিনা ইমপ্লান্টের পর অন্ধদের দৃষ্টি ফিরে এলো

বয়সজনিত অন্ধত্বে আক্রান্ত রোগীদের দৃষ্টি ফিরিয়ে দিতে নতুন এক রেটিনাল ইমপ্লান্ট বড় আশা দেখিয়েছে। PRIMA নামের এই ক্ষুদ্র ডিভাইসটি রেটিনায় বসিয়ে রোগীরা আবার অক্ষর ও শব্দ পড়তে পারছেন। যদিও এখনো কিছু সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে। গবেষকরা বলছেন, এই প্রযুক্তিই ভবিষ্যতের উন্নত কৃত্রিম দৃষ্টিশক্তির ভিত্তি গড়ে দেবে।

সাদিয়া ইসলাম বর্ষা
সাদিয়া ইসলাম বর্ষা
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর, ২০২৫
হালনাগাদ: 31 অক্টোবর, 2025
পড়তে 5 মিনিট লাগবে
শেয়ার
রেটিনার নিচে বসানো একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র বয়স-সম্পর্কিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশনে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দৃষ্টিশক্তি পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করতে পারে।Science Corporation
শেয়ার

বয়সজনিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশন (AMD)–এর কারণে দৃষ্টিশক্তি হারানো বহু মানুষকে আবার দেখতে সাহায্য করেছে একটি ক্ষুদ্র রেটিনাল ইমপ্লান্ট। বিজ্ঞানীরা বলছেন, মাত্র ২ মিলিমিটার বাই ২ মিলিমিটার আকারের এবং ৩০ মাইক্রোমিটার পাতলা এই ডিভাইসটি চোখের রেটিনার নিচে প্রতিস্থাপন করা হয়, যেখানে এটি নষ্ট হয়ে যাওয়া আলো-সংবেদনশীল কোষের জায়গা নেয়।

এই ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে The New England Journal of Medicine-এ। গবেষণায় অংশ নেন ৩৮ জন গুরুতর AMD আক্রান্ত রোগী, যাদের রেটিনা প্রায় সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ইমপ্লান্ট দেওয়ার এক বছর পর দেখা যায়, ৮০% রোগীর দৃষ্টিশক্তিতে “চিকিৎসাগতভাবে তাৎপর্যপূর্ণ উন্নতি” ঘটেছে।

গবেষণার নেতৃত্ব দেওয়া জার্মানির বন বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষুবিশেষজ্ঞ ফ্র্যাংক হোলৎস বলেন, “যেখানে রেটিনা সম্পূর্ণ মৃত ও অন্ধ ছিল, সেখানে আমরা দৃষ্টি ফিরিয়ে দিতে পেরেছি। রোগীরা অক্ষর পড়তে পারছেন, শব্দ চিনতে পারছেন, এবং দৈনন্দিন কাজ করতে পারছেন।”

অপারেশনের কিছু ছোটখাটো জটিলতা থাকা সত্ত্বেও গবেষকরা মনে করেন ইমপ্লান্টের সুফল ঝুঁকির তুলনায় অনেক বেশি। ডিভাইসটির মালিক যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোভিত্তিক নিউরোটেকনোলজি কোম্পানি Science Corporation ইতিমধ্যে ইউরোপীয় বাজারে বিক্রির অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছে।

ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের চক্ষুবিশেষজ্ঞ ফ্রান্সেসকা কর্ডেইরো বলেন, “এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সুন্দরভাবে পরিকল্পিত গবেষণা। যাদের জন্য আগে দৃষ্টি ফিরিয়ে আনা কেবল সায়েন্স ফিকশন মনে হতো, তাদের জন্য এটি এখন বাস্তব সম্ভাবনা।”

দৃষ্টি ফিরে পাওয়া

AMD হলো বয়স্কদের মধ্যে অন্ধত্বের সবচেয়ে সাধারণ ও এখনো অনিরাময়যোগ্য কারণ। এর দুটি ধরন রয়েছে, ‘ওয়েট’ ও ‘ড্রাই’। এই গবেষণায় ছিল ড্রাই AMD আক্রান্ত রোগীরা, সারা বিশ্বে প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষ ভোগেন। এতে কেন্দ্রীয় রেটিনার আলোক-সংবেদনশীল কোষ ধীরে ধীরে মারা যায়, ফলে পাশের দৃষ্টি ঠিক থাকলেও সামনের পরিষ্কার দৃষ্টি নষ্ট হয়। এতে মানুষ মুখ চিনতে, পড়তে, গাড়ি চালাতে বা টেলিভিশন দেখতে পারে না।

রেটিনার রড ও কোণ নামের কোষগুলো আলোকে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তর করে মস্তিষ্কে পাঠায়। AMD তে এরা মারা গেলেও অন্যান্য রেটিনা কোষ টিকে থাকে। তাই বিজ্ঞানীরা ভাবেন, এমন একটি আলো-সংবেদনশীল ইমপ্লান্ট তৈরি করা যায় কি না যা বৈদ্যুতিকভাবে এই কোষগুলোকে উদ্দীপিত করে আবার দৃষ্টি ফিরিয়ে দিতে পারে।

ফোটোভোল্টায়িক ইমপ্লান্ট PRIMA

এই ইমপ্লান্টটির নাম PRIMA (Photovoltaic Retina Implant Microarray)। এটি মূলত ফরাসি কোম্পানি Pixium Vision তৈরি করেছিল, পরে সেটি অধিগ্রহণ করে Science Corporation। এটি সম্পূর্ণ রেডিও এবং ফোটোভোল্টায়িক প্রযুক্তিনির্ভর অর্থাৎ যে আলো এটিকে সক্রিয় করে, সেটিই এর শক্তির উৎস হিসেবেও কাজ করে।

রোগীরা এটি ব্যবহার করেন বিশেষ চশমার সঙ্গে, যাতে একটি ক্যামেরা থাকে। ক্যামেরাটি আশেপাশের দৃশ্য ধারণ করে এবং ইনফ্রারেড আলোর প্যাটার্নে রূপান্তর করে রেটিনায় পাঠায়। ব্যবহারকারীরা এতে জুম, কনট্রাস্ট ও উজ্জ্বলতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, যদিও এটি সঠিকভাবে ব্যবহার শিখতে কয়েক মাসের প্রশিক্ষণ লাগে।

গবেষণায় ৫টি ইউরোপীয় দেশের ১৭টি সাইটে ৩৮ জন রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এক বছর পর যাদের পরীক্ষা করা হয়, তাদের মধ্যে ২৬ জনের দৃষ্টিশক্তিতে অর্থবহ উন্নতি দেখা গেছে, গড়ে তারা চোখের পরীক্ষার চার্টে দুই লাইন নিচের অক্ষর পর্যন্ত পড়তে পারছিলেন। বেশিরভাগ রোগীর দৃষ্টিশক্তি প্রায় PRIMA–এর সীমার কাছাকাছি পৌঁছেছিল।

অবশেষে দেখা যায়, অংশগ্রহণকারীদের বেশিরভাগই বাড়িতে PRIMA ব্যবহার করে অক্ষর, শব্দ ও সংখ্যা পড়তে পারছিলেন। ৩২ জনের মধ্যে ২২ জন জানিয়েছেন, তাদের সন্তুষ্টির মাত্রা “মাঝারি থেকে উচ্চ”।

সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

তবে ব্যবহারকারীদের জীবনমানের সামগ্রিক উন্নতি তেমন পরিলক্ষিত হয়নি। কিছু গবেষক মনে করেন, নতুন ও আকর্ষণীয় ডিভাইস পাওয়ার উচ্ছ্বাস এবং কঠোর প্রশিক্ষণের ফলেও উন্নতি দেখা যেতে পারে। প্লাসিবো গ্রুপের সঙ্গে তুলনা করলে ফলাফল আরও নির্ভরযোগ্য হতো।

হোলৎস নিজেও স্বীকার করেন যে সিস্টেমের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে, “এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা মাত্র — এখান থেকে ভবিষ্যতে আরও উন্নত সংস্করণ তৈরি সম্ভব।”

বর্তমান ডিভাইসটিতে মাত্র ৩৮১টি পিক্সেল আছে, প্রতিটি ১০০ মাইক্রোমিটার আকারের। ফলে পড়ার গতি ধীর এবং দেখা যায় শুধু সাদা-কালো চিত্র, রঙ নয়। তবে মূল ডিজাইনার, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ ড্যানিয়েল প্যালিঙ্কার ভবিষ্যতে রঙিন দৃষ্টি ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করছেন। ছোট পিক্সেল ও বড় ডিভাইসের পরবর্তী সংস্করণ আরও সূক্ষ্ম দৃষ্টি দিতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

AMD ছাড়াও, এই ইমপ্লান্ট রেটিনাইটিস পিগমেন্টোসার মতো অন্যান্য রোগে আক্রান্তদেরও সাহায্য করতে পারে, যেখানে আলো-সংবেদনশীল কোষ নষ্ট হয় কিন্তু রেটিনার বাকি অংশ সচল থাকে।

তবে এটি একমাত্র সমাধান নয়, বিজ্ঞানীরা স্টেম সেল থেরাপি, অপটোজেনেটিক প্রযুক্তি, এমনকি মস্তিষ্কের ভিজ্যুয়াল কর্টেক্সে ইমপ্লান্ট বসানোর দিকেও কাজ করছেন।

হোলৎসের ভাষায়, “এটি এক বিশাল, পরিবর্তনশীল ক্ষেত্র, ভবিষ্যতে কোন প্রযুক্তি সবচেয়ে সফল হবে, এখনই বলা কঠিন।”

———

Subretinal Photovoltaic Implant to Restore Vision in Geographic Atrophy Due to AMD. NEJM (2025).
DOI: 10.1056/NEJMoa2501396

নিয়মিত আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের নিউজলেটারে এবং ফলো করুন আমাদের টেলিগ্রাম, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার এবং ফেসবুক-এ। এছাড়াও যুক্ত হতে পারেন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে।

Creative Commons License

এই নিবন্ধটি Creative Commons Attribution-NoDerivatives 4.0 International License-এর অধীনে লাইসেন্সকৃত। পুনঃপ্রকাশের জন্য পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা দেখুুন।
প্রবন্ধটি শেয়ার করুন
Facebook Whatsapp Whatsapp লিঙ্ক কপি করুন প্রিন্ট
পূর্ববর্তী প্রবন্ধ স্থূলতার জিনেই লুকিয়ে থাকতে পারে হৃদরোগের সুরক্ষা!
পরবর্তী প্রবন্ধ চাঁদের দূরপৃষ্ঠে আবিষ্কৃত উল্কাপিণ্ডের ধ্বংসাবশেষের আশ্চর্যজনক আবিষ্কার
মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সাম্প্রতিক পোস্ট
  • বলিভিয়ার বনে মিলল নতুন প্রজাতির বিড়াল
  • মানব মস্তিষ্ক দুটি আলাদা স্নায়ুতন্ত্রের সংমিশ্রণ থেকে বিকশিত হতে পারে
  • ২০০ বছরের পুরোনো নেভিয়ার-স্টোকস সমীকরণের সমাধান খুঁজে পাওয়ার দাবি ওপেনএআই-এর
  • বিড়ালের কিডনিতে ১১০ বছরের পুরোনো রহস্যের সন্ধান
  • আবিষ্কৃত হলো বায়ুমণ্ডলযুক্ত এক্সোপ্ল্যানেট, সেখানে কি প্রাণের থাকতে পারে?

বিভাগসমূহ

  • পদার্থবিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • মহাকাশ
  • রসায়ন
  • প্রকৃতি
  • প্রত্নতত্ত্ব
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান

আমাদের সম্পর্কে

বিজ্ঞানবার্তা একটি অলাভজনক বিজ্ঞান সংবাদ প্রচার মাধ্যম।
প্রয়োজনীয় লিঙ্ক
  • আমাদের সম্পর্কে
  • ম্যাগাজিন
  • বিজ্ঞানবার্তা টিম
  • পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা
  • যোগাযোগ
  • আমার বুকমার্ক
  • গোপনীয়তা নীতি
শীর্ষ বিভাগসমূহ
  • মহাকাশ
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • স্বাস্থ্য
  • প্রাণী
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জেনেটিক্স

সাবস্ক্রাইব

অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Follow US
© 2021-2026 BigganBarta, Inc.
Made with love ❤️ by Last Coin Standing Interactive.
সাবস্ক্রাইব
অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

স্প্যামবিহীন, যেকোনো সময় সাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।
ফিরে আসার জন্য স্বাগতম!

আপনার অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন

Username or Email Address
Password

Lost your password?