এই সাইটটি ব্যবহার করে, আপনি আমাদের গোপনীয়তা নীতি এবং ব্যবহারের শর্তাবলীতে সম্মত হন।
Accept
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • গোপনীয়তা নীতি
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
পড়ছেন: ৬টি স্পেস মিথ যা আপনার কখনই বিশ্বাস করা উচিত নয়
Notification আরো দেখুন
Font ResizerAa
বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Font ResizerAa
  • পদার্থবিজ্ঞান
  • প্রযুক্তি
  • মহাকাশ
  • ঔষধ
  • স্বাস্থ্য
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • ভাইরাস
  • ভূতত্ত্ব
  • জেনেটিক্স
  • রসায়ন
  • গণিত
খোঁজ
  • প্রচ্ছদ
  • ম্যাগাজিন
  • আমাদের সম্পর্কে
  • গোপনীয়তা নীতি
  • যোগাযোগ
  • ইন্টারেস্ট কাস্টমাইজ
  • বুকমার্ক
  • আর্কাইভ
Have an existing account? Sign In
Follow US
বিজ্ঞানবার্তা > সংবাদ > মহাকাশ > ৬টি স্পেস মিথ যা আপনার কখনই বিশ্বাস করা উচিত নয়
মহাকাশ

৬টি স্পেস মিথ যা আপনার কখনই বিশ্বাস করা উচিত নয়

স্পেস সম্পর্কিত ৬টি মিথ খন্ডন।

ইরতা আমালিয়া
ইরতা আমালিয়া
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট, ২০২২
হালনাগাদ: 30 আগস্ট, 2022
পড়তে 7 মিনিট লাগবে
শেয়ার
আপনি যখন মনে করেন আপনি মহাবিশ্ব সম্পর্কে সবকিছু জানেন, আবার চিন্তা করুন।Jonathan Knowles/Getty Images
শেয়ার

মহাকাশ এমন একটি রহস্য যা জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এখনও সক্রিয়ভাবে সমাধান করার জন্য কাজ করছেন। যদিও জেমস ওয়েবের মতো মহাকাশযান আমাদেরকে প্রাথমিক মহাবিশ্বের একটি ঘনিষ্ঠ দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে-দিচ্ছে, তবুও আমাদের গ্রহের বাইরের বিশ্ব সম্পর্কে আমরা এখনও অনেক কিছু জানি না। রহস্যময় যেকোনো কিছুর মতোই, মহাকাশ সম্পর্কে পৌরাণিক কাহিনী প্রচুর রয়েছে। কিন্তু আপনি অনলাইনে যা পড়েন বা শুনেন তা সবসময় সত্য নাও হতে পারে। এখানে ছয়টি প্রচলিত মহাকাশ মিথ তুলে ধরা হলো যা আপনার কখনই বিশ্বাস করা উচিত নয়।

রাতে তারা মিটমিট করে

বিষমতারা মিটমিট করে বলে মনে হয় ক্রেডিট: aleksandar nakovski/Adobe
বিষমতারা মিটমিট করে বলে মনে হয়
ক্রেডিট: aleksandar nakovski/Adobe Stock

“টুইঙ্কল, টুইঙ্কল, লিটল স্টার” সবচেয়ে আইকনিক নার্সারি ছড়া-র মধ্যে একটি, তবে এর অর্থ এই নয় যে এটি সত্য। অবশ্যই, তারারা রাতে জ্বলজ্বল করছে বলে মনে হয়, কিন্তু আসলে তা নয়।

আমাদের সূর্যের মত সকল নক্ষত্র আসলে সব সময় জ্বলে। তবে, তাদের আলো মহাকাশের মধ্য দিয়ে পৃথিবীর দিকে যাওয়ার সময় বিভিন্ন গ্যাস এবং স্পেস ধ্বংসাবশেষের মধ্য দিয়ে যায়। এই বাধাগুলির কারণে তারাগুলিকে দেখায় যেন তারা মিটমিট করছে। ব্যাপারটি একটি ভাল জিঙ্গেল তৈরি করে, তবে এটি সত্য নয়।

সূর্যের রং হলুদ

Martin Harvey/Getty Images
Martin Harvey/Getty Images

প্রতিটি ছোট বাচ্চা যেমন জানে, আকাশের রং নীল এবং সূর্যের রং হলুদ। কেনই বলবে না? যদিও আপনার কখনই সরাসরি সূর্যের দিকে তাকানো উচিত নয় তবুও আপনি যখন একটি রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে তাকান তাহলে হলদে বর্ণ দেখতে পাবেন। এছাড়া রাতে দিগন্তে সূর্য ডুবে যাওয়ার সাথে সাথে একটি স্বতন্ত্র কমলা আভা দেখতে পাবেন। সূর্যের ছবিগুলিও হলুদ আভা প্রকাশ করে। তহালে?

সূর্য দৃশ্যমান আলোর সমস্ত তরঙ্গদৈর্ঘ্য তৈরি করে এবং তাই এর আসল রঙ সাদা, তবে সূর্যের আলো বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করার সাথে সাথে আলোর রং পরিবর্তিত হয়। বর্ণালীর নীল প্রান্তে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য লালের তুলনায় অনেক কম, তাই বাতাসের কণার সাথে সংঘর্ষের সম্ভাবনা বেশি। দিনের বেলায়, নীল আলো বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ে, আকাশকে তার নীল রঙ দেয় এবং সূর্যকে হলুদ দেখায়।

সকাল এবং সন্ধ্যায়, যে আলো মাটিতে আঘাত করে তাকে তুলনামর্লক আরও দূরে ভ্রমণ করতে হয় এবং এই প্রভাব আরও চরম হয়ে ওঠে। বেশিরভাগ খাটো নীল তরঙ্গদৈর্ঘ্য মাটিতে আঘাত করার আগে ছড়িয়ে পড়ে, ফলে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের সময় সূর্য লাল-কমলা রঙ দেয়।

বুধ আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে উষ্ণ গ্রহ

বুধের এই রঙিন দৃশ্যটি MESSENGER'র প্রাথমিক মিশনের সময় কালার বেস ম্যাপ ইমেজিং প্রচারাভিযানের ছবি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল ক্রেডিট: NASA/Johns Hopkins University Applied Physics Laboratory/Carnegie Institution of Washington
বুধের এই রঙিন দৃশ্যটি MESSENGER’র প্রাথমিক মিশনের সময় কালার বেস ম্যাপ ইমেজিং প্রচারাভিযানের ছবি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল
ক্রেডিট: NASA/Johns Hopkins University Applied Physics Laboratory/Carnegie Institution of Washington

আমাদের সূর্যের সবচেয়ে কাছের এবং ঠিক পাশেই বুধ গ্রহের অবস্থান। যেমন, বুধই বোধহয় আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে উষ্ণতম গ্রহ। হবার কথাও তাই কিন্তু ব্যাপারটা এমন না; বুধ সূর্যের ঠিক পাশেই থাকতে পারে, কিন্তু শুক্রের মতো গ্রহে দেখা অবিশ্বাস্যভাবে উচ্চ তাপমাত্রার মতো নয়।

বুধের তাপমাত্রা দিনের বেলায় প্রায় ৪৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। তবে, শুক্র (যা সূর্য থেকে দ্বিগুণ দূরে) গ্রহের দিনের তাপমাত্রা ৪৬২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়। তার মানে বুধ আমাদের সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহ নয়। শুক্র দূরে থাকার পরও তাপমাত্রা বেশি থাকার কারণ হলো এর ঘন বায়ুমণ্ডল। এটি গ্রহের সমস্ত তাপকে বোতলজাত করে রাখার ভূমিকা পালন করে ফলে তাপমাত্র বুধ গ্রহ থেকে বেশি, কারণ বুধের বায়ুমণ্ডল নেই বললেই চলে।

কোনো সুরক্ষা ছাড়া মানব দেহ মহাকাশে বিস্ফোরিত হয়

ক্রেডিট: Artsiom P/Adobe
ক্রেডিট: Artsiom P/Adobe Stock

আমরা সকলেই পুরানো সাই-ফাই মুভি দেখেছি যেখানে কারও স্পেস হেলমেট ফাটলে হঠাৎ তাদের পুরো শরীর বিস্ফোরিত হয়। কিন্তু, বাস্তবে স্পেস মানুষের শরীরকে বিস্ফোরিত করে না। পরিবর্তে, যেহেতু স্পেসের কোন তাপমাত্রা নেই, তাই শরীরের তাপমাত্রা তার ভ্যাকুয়ামের মধ্যে ফুটন্ত বিন্দুতে অবস্থান করে।

ফলে, যখন আপনার স্পেসস্যুট বা অন্যান্য সুরক্ষা ক্ষতিগ্রস্থ হয়, তখন শরীরের মধ্যে থাকা পানি ফুটতে শুরু করে। এর ফলে টিস্যু বা রক্তের পানি বাষ্পীভূত হয়ে যায় এবং শরীর ফুলতে শুরু করে। প্রায় দশ সেকেন্ড পরে, আপনি চেতনা হারাবেন এবং তারপরে মারা যাবেন। মিথের মতো কোনো বিস্ফোরণ নেই কিন্তু তারপরও মহাকাশে মৃত্যু ভয়ঙ্কর।

আমাদের সৌরজগতে শনিই একমাত্র গ্রহ যার বলয় রয়েছে

টাইটান থেকে শনির ছবি ক্রেডিট: Media Whale Stock/Adobe Stock
টাইটান থেকে শনির ছবি
ক্রেডিট: Media Whale Stock/Adobe Stock

শনি গ্রহ এত সুপরিচিত কারণ এটিকে ঘিরে থাকা সুন্দর বলয়। কিন্তু যদি আমি বলি যে শনি আমাদের সৌরজগতের একমাত্র গ্রহ নয় যার বলয় রয়েছে? – পাগলাটে শোনাচ্ছে, তাই না?

সত্য হল শনি হল একমাত্র গ্রহ যার চারপাশে সুস্পষ্ট বলয় রয়েছে। তবে বৃহস্পতি, ইউরেনাস এবং নেপচুনের মতো অন্যান্য গ্রহেরও বলয় রয়েছে। এই গ্রহগুলির বলয়গুলি শনির মতো প্রায় দৃশ্যমান নয়, এই কারণেই এই মহাকাশ মিথ যতটা ছড়িয়েছেও ততটা।

চাঁদের ডার্ক সাইড আছে

পূর্ণিমার সময়, আমরা যে দিকটি দেখি তা সম্পূর্ণ আলোকিত। ক্রেডিট: Starry Night Software
পূর্ণিমার সময়, আমরা যে দিকটি দেখি তা সম্পূর্ণ আলোকিত।
ক্রেডিট: Starry Night Software

‘দি ডার্ক সাইড অব দ্যা মুন’ স্টুডিও অ্যালবাম, উপন্যাস, টেলিভিশন সিরিজ, চলচ্চিত্র এবং ভিডিও গেমগুলিকে অনুপ্রাণিত করেছে, তবে চাঁদটি যা মনে হয় ঠিক তেমন নয়। আমরা পৃথিবী থেকে শুধুমাত্র চাঁদের এক পাশ দেখতে পাই, কিন্তু অন্য পাশ দেখতে না পাওয়ার কারণে এর মানে এই নয় যে এটি ডার্ক বা অন্ধকার।

পূর্ণিমার সময়, আমরা যে দিকটি দেখতে পাই তা সম্পূর্ণ আলোকিত এবং অন্য দিকটি সত্যিই সম্পূর্ণ অন্ধকারে থাকে, তবে মাসের অন্য যে কোনও সময়ে, আমরা কেবল চাঁদের কিছু অংশ দেখতে পারি। বাকি আলো অন্যদিকে দিকে বা তথাকথিত ‘অন্ধকার’ দিকে পড়ে।

ফটোগ্রাফিক প্রমাণের জন্য, আপনাকে কেবলমাত্র ১৯৫৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন-এর লুনা ৩ দ্বারা ধারণ করা চাঁদের দূরবর্তী অংশের প্রথম চিত্রগুলি দেখলেই হবে।

মহাকাশ সম্পর্কে সত্য যে এটি এখনও খুব রহস্যময়, এবং আমরা প্রতিদিন নতুন জিনিস শিখছি। এমনকি যে বিষয়গুলিকে আমরা এখন বাস্তব বলে মনে করি তা পরে কিছু পরিবর্তিত হতে পারে। আপাতত, এই মহাকাশ মিথগুলি সত্য নয় তা জেনে আমরা অন্তত বিশ্রাম নিতে পারি।

নিয়মিত আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের নিউজলেটারে এবং ফলো করুন আমাদের টেলিগ্রাম, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার এবং ফেসবুক-এ। এছাড়াও যুক্ত হতে পারেন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে।

Creative Commons License

এই নিবন্ধটি Creative Commons Attribution-NoDerivatives 4.0 International License-এর অধীনে লাইসেন্সকৃত। পুনঃপ্রকাশের জন্য পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা দেখুুন।
প্রবন্ধটি শেয়ার করুন
Facebook Whatsapp Whatsapp লিঙ্ক কপি করুন প্রিন্ট
পূর্ববর্তী প্রবন্ধ নাসার Artemis I: ঐতিহাসিক SLS রকেট উৎক্ষেপণ
পরবর্তী প্রবন্ধ কিছু শস্য খামারের প্রচলিত চাষের তুলনায় শহরে বেশি ফলন দেয়
মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সাম্প্রতিক পোস্ট
  • বলিভিয়ার বনে মিলল নতুন প্রজাতির বিড়াল
  • মানব মস্তিষ্ক দুটি আলাদা স্নায়ুতন্ত্রের সংমিশ্রণ থেকে বিকশিত হতে পারে
  • ২০০ বছরের পুরোনো নেভিয়ার-স্টোকস সমীকরণের সমাধান খুঁজে পাওয়ার দাবি ওপেনএআই-এর
  • বিড়ালের কিডনিতে ১১০ বছরের পুরোনো রহস্যের সন্ধান
  • আবিষ্কৃত হলো বায়ুমণ্ডলযুক্ত এক্সোপ্ল্যানেট, সেখানে কি প্রাণের থাকতে পারে?

বিভাগসমূহ

  • পদার্থবিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • মহাকাশ
  • রসায়ন
  • প্রকৃতি
  • প্রত্নতত্ত্ব
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান

আমাদের সম্পর্কে

বিজ্ঞানবার্তা একটি অলাভজনক বিজ্ঞান সংবাদ প্রচার মাধ্যম।
প্রয়োজনীয় লিঙ্ক
  • আমাদের সম্পর্কে
  • ম্যাগাজিন
  • বিজ্ঞানবার্তা টিম
  • পুনঃপ্রকাশের নির্দেশিকা
  • যোগাযোগ
  • আমার বুকমার্ক
  • গোপনীয়তা নীতি
শীর্ষ বিভাগসমূহ
  • মহাকাশ
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান
  • জীববিজ্ঞান
  • স্বাস্থ্য
  • প্রাণী
  • জীবাশ্ম বিজ্ঞান
  • জেনেটিক্স

সাবস্ক্রাইব

অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

বিজ্ঞানবার্তাবিজ্ঞানবার্তা
Follow US
© 2021-2026 BigganBarta, Inc.
Made with love ❤️ by Last Coin Standing Interactive.
সাবস্ক্রাইব
অবিলম্বে আমাদের নতুন নিবন্ধের খোঁজ পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন!

স্প্যামবিহীন, যেকোনো সময় সাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।
ফিরে আসার জন্য স্বাগতম!

আপনার অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন

Username or Email Address
Password

Lost your password?